
১। গতকাল রাতে স্বপ্ন দেখলাম- আমি অর্থমন্ত্রী হয়েছি।
আমার গাড়ীতে বাংলাদেশের পতাকা উড়ছে। পেছনের সিটে আমি চোখ বন্ধ করে বসে আছি। ফাইল হাতে ড্রাইভারের পাশে বসে আছে আমার পিএস। সামনে পেছনে পেপু বাজিয়ে গাড়িতে আছে সিকুরিটির লোকজন। হঠাত রাস্তায় গাড়ি থেমে গেল। আমি আমার পিএস কে বললাম- কি হয়েছে? পিএস জানালো স্যার রাস্তায় খুব জ্যাম। আমি বললাম- রংসাইড দিয়ে যাও।
২। যে কবিতা পড়তে ভালোবাসে না, আমি তাকে সম্পূর্ণ মানুষ বলেই মনে করি না।
৩। আসল রহস্য পদার্থ বিদ্যা বা অংকে না-আসল রহস্য মানুষের মনে। আকাশ যেমন অন্তহীন মানুষের মনও তাই। পৃথিবীর বেশির ভাগ অংকবিদ আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে ভালোবাসতেন। আকাশের দিকে তাকালে জাগতিক সব কিছুই তুচ্ছ মনে হয়। We are so insignificant. আমাদের জন্ম মৃত্যু সবই অর্থহীন। (আমিই মিসির আলি। পৃ:৭৯)
৪। যখন শেষ গাছটি কেটে ফেলা হবে, যখন শেষ মাছটি খেয়ে ফেলা হবে, যখন শেষ বিন্দু পানিও বিষাক্ত হয়ে যাবে, তখন বুঝবে টাকা খাওয়া যায়না। অর্থাৎ টাকাও মুল্যহীন।’ আসুন টাকা নয়, পৃথিবীতে মানুষকে খুঁজি। তাঁদের সম্মান করি। এটাই মনে শান্তি নিয়ে আসবে।
৫। রবীন্দ্রনাথ যদি ভাষা দিয়ে থাকেন, মাইকেল মধুসূদন দিয়েছেন ঢং বা কাঠামো। তারাশঙ্কর ও মানিক দিয়েছেন বিষয়বস্তু। বিভূতিভূষণ আমাদের বোধকে আরও গভীর করেছেন। ব্যক্তিকে চিনিয়েছেন সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, শহীদুল জহির, জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত। আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ও শওকত আলী আমাদেরকে ইতিহাসে ফিরিয়েছেন। হাসান আজিজুল হক গভীর থেকে আমাদের জীবনের প্রতিটা বাঁককে স্পষ্ট করার চেষ্টা করেছেন। সেলিনা হোসেন আপন অনুভূতি দিয়ে আমাদের নারী সমাজের প্রকৃত চিত্র তুলে এনেছেন এবং হুমায়ূন আহমেদ আমাদের দিয়েছেন- এক আকাশ স্বচ্ছ আনন্দ।
৬। আমরা যৌবন কেমন না জেনেই শিশুকাল ত্যাগ করি। বিবাহিত জীবন কেমন না জেনেই বিয়ে করি। মানুষ ভাবে আর ঈশ্বর হাসেন। হাসেন কারণ মানুষ যত ভাবে সত্য ততই দূরে সরে যায়।
৭। হিব্রু বাইবেল অনুসারে যে মানুষের বিশ্বাসের ওপর আঘাত করে সেই শয়তান। শয়তানকে র্যাংকিং অনুযায়ি বিভিন্ন নামে ডাকা হয় যেমনঃ- লুসিফার, বিল জীবাব, মোলোখ, ম্যামন, আজাজেল, অ্যাস্মোডিয়াস এরা নিউ টেস্টামেন্টের বিভিন্ন স্তরের ক্ষমতা অনুযায়ি শয়তান। এবং ইসলাম ধর্মে শয়তানের নাম দেওয়া হয়েছে- ইবলিশ।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



