
১। ইটালিয়ান পরিচালক বার্নার্ডো বারতোলুচি ১৯৯৩ সালে হলিউডে একটি মুভি তৈরি করেন, যার নাম ছিলো 'লিটল বুদ্ধা'। মুভিটিতে গৌতম বুদ্ধের জীবন ও বর্তমান সময়ের বৌদ্ধ ধর্মসহ অনেক বিষয় চমৎকারভাবে নিয়ে আসা হয়। এর বড় আকর্ষণ ছিলো নানা ধরনের মেডিটেশনের সঙ্গে দর্শকদের পরিচয় করিয়ে দেয়া। মুভিটি অনেকের মনে প্রভাব ফেলেছিলো।
২। মার্কস বলেন যুক্তির নিরিখে বিচার করলে জগত যে এক বা একাধিক উদ্দেশ্যবাদী সত্তা দ্বারা পরিচালিত তা বিশ্বাস করা যায় না। পূণ্য পুরষ্কৃত হবে এবং পাপ তিরষ্কৃত হবে, এই বিশ্বাসকেও মার্কস অযৌক্তিক বলে প্রত্যাখ্যান করেন। তাঁর মতে, 'এ ধারনা গুলো স্রেফ শৈশবকালের কল্পনার ফলশ্রুতি এবং একই সঙ্গে তা প্রাক-বৈজ্ঞানিক চিন্তা ও মানসিকতার পরিচায়ক'।
অর্থাৎ, মার্ক্স স্পষ্টতঃই বলছেন, ধর্ম এবং ঈশ্বরে বিশ্বাস একেবারে শিশু বাচ্চাদের মতো কল্পিত বিশ্বাস মাত্র।
৩। যদি কারো ভুল ধরার ইচ্ছা থাকে তবে যে কারো যেকোন ভাবেই ভুল ধরা যায়।
৪। ইলিয়াস কাঞ্চনের মতো বলতে ইচ্ছে করছে- আমি বেঁচে থাকতে বস্তি দখল করতে পারবি না!
৫। পত্রিকায় সাহিত্য সাময়িকীতে আজ একটা সুন্দর গল্প পড়লাম। গল্পের নাম 'তিন ছাগল'।
চমৎকার গল্প। তিন ছাগলের বাড়ি তিন জেলায়। ঘটনাচক্রে তিন ছাগলের দেখা হয়ে যায়। তিনটাই নিজেকে মহা পন্ডিত মনে করে। কেউ কারো চেয়ে কম না। আসলে খালি কলস।
প্রথম ছাগলের আছে গলার জোর। তার সাথে মিথ্যায় কেউ পারে না। গলার জোরেই টিকে আছে।
দ্বিতীয় ছাগল আগে একটা মোবাইল ব্যবহার করতো নয় শ' টাকা দামের। সে মোবাইল রাবার দিয়ে প্যাচিয়ে রাখতে হতো। ইদানিং সে একটা স্মার্ট ফোন কিনেছে। স্মার্ট ফোন কেনার পর থেকে সে নিজেকে বুদ্ধিমান ভাবতে শুরু করেছে।
তৃতীয় ছাগল বেশ ক্ষমতাবান। তার ছোট চাচা সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের উপ সচিব। এই ছাগল নিজেকে বেশ জ্ঞানী মনে করে। জ্ঞানী মনে করা ভালো। কিন্তু ভিতরে ভিতরে বিরাট বলদ।
৬। শিক্ষকঃ প্রতিদিন খেলাধুলা করা স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো।
ছাত্রঃ আমি প্রতিদিন ফুটবল, ক্রিকেট, আর টেনিস খেলি..
শিক্ষকঃ গুড বয়… প্রতিদিন কত ঘন্টা করে খেলো?
ছাত্রঃ মোবাইলের ব্যাটারী শেষ না হওয়া পর্যন্ত…!
৭। বেহেশতের একটা ফল পৃথিবীতে পাওয়া যায়- বলেন তো সেই ফলটার নাম কী?
৮। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।
৯। এক জেলায় বিরাট এক দূর্নীতিবাজ আছে।
সাড়ে দশ হাজার কোটি টাকা দূর্নীতি করেছে। জেলার বেশির ভাগ জমিই তার। অবশ্য সে স্কুল মাদ্রাসা করেছে তার গ্রামে। দুই হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। দেশে নানান ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলেছে। এই দূর্নীতিবাজকে গ্রেফতার করার জন্য এক যুবক সরকারের নানান কর্মকর্তার সাথে দেখা সাক্ষাত করছে। দুদকেও গিয়েছে। অথচ কেউ তাকে সহযোগিতা করতে না। এমনকি তার জেলার মানুষও তাকে সহযোগিতা করছে। দূর্নীতিবাজ তার নামে অনেক গুলো মামলা করেছে। এখন সে গ্রাম ছাড়া। পালিয়ে বেড়াচ্ছে। দূর্নিতিবাজ আছে রাজার হালে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




