somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

আমার কিছু বলার নাই

০৮ ই নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ আমেরিকা এক নির্বোধ প্রেসিডেন্টের পাল্লায় পড়েছিলো। যাক, এবার তারা মুক্তি পেল। আমার পৃথিবীতে আসার দিনটিকে তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় না। নিজেকে যতটা জানি, এখানে আসার তেমন গরজ থাকার কথাও না। ঘটনাচক্রে চলে আসা। এহেন মানুষের নিজের জন্মদিন নিয়ে উচ্ছ্বাস না থাকাই স্বাভাবিক। আমারও নেই। হুমায়ূন আহমেদ বলেছেন, জগৎতাই চলছে মিথ্যার উপরে, সত্যি কথা এখন শুধু বলে পাগলরা। জীবনে শুধু এমন একজনকে দরকার, যে পিঠের যেই জায়গাটা চুলকাচ্ছে ঠিক সেই জায়গাটাই চুলকে দিতে পারবে। 'শূন্য' একটি অতি শক্তিশালী জ্ঞান। এই যেমন ধরেন, শূন্যে ভাসে বলে গোটা পৃথিবীকে একটা লাথি মারা যায় না। যাই হোক, দেশের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি জানেন? আমি জানিয়ে দিচ্ছি- গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত ১৮। নতুন আক্রান্ত ১৪৭৪। সুস্থ ১৫৭৭। নমুনা পরীক্ষা ১২৭৬০। মোট মৃত ৬০৬৭। আক্রান্ত ৪২০২৩৮। সুস্থ ৩৩৮১৪৫ জন। এখন কয়েকটা ছবি দেখুন, হয়তো ভালো লাগবে। অথবা মেজাজ খারাপ হবে।


১।


এই রকম ছাগল দিয়েই দেশ ভরে গেছে। এরাই চাঁদগাজীর প্রশ্নপত্র ফাঁস জেনারেশন।

২।


এরা ময়লার মধ্যে বসে প্রেম ভালোবাসা করছে কেন? আর পরিস্কার জায়গা কি নেই? মানুষের রুচি এত খারাপ হবে কেন?

৩।


এই ছবি গুলো আমাকে খুব কষ্ট দেয়। একটা সিট নিলে কি হতো। হোক সে কাজের মেয়ে। মানুষ তো। পুরো পথ মেয়েটা এরকম দাঁড়িয়ে যাবে!

৪।


প্রতি বছর দূর্গা পূজার সময় বাংলাদেশের কোথাও না কোথাও প্রতিমা ভাঙ্গবে। এত সংকীর্ন কেন ধার্মিকদের মন!

৫।


জো বাইডেন। তিনি হচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট। বিশেষ কোনো আইনগত জটিলতা সৃষ্টি না হলে তিনি আগামী জানুয়ারি মাসে ক্ষমতা গ্রহণ করবেন। যখন বাইডেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউজে প্রবেশ করবেন তখন তার সঙ্গে ফার্স্টলেডি হিসেবে থাকবেন জিল বাইডেন। তিনি এতদিন পেশায় শিক্ষিকা ছিলেন। জিল হচ্ছেন বাইডেনের দ্বিতীয় স্ত্রী। ১৯৭২ সালে বাইডেনের প্রথম স্ত্রী গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত হলে জিলকে বিয়ে করেন। ৬৯ বছর বয়সী জিল বাইডেন কয়েক দশক ধরে শিক্ষকতার পেশায় ছিলেন।

ডেমোক্রেট দলের প্রার্থী জো বাইডেন কয়েক মাস আগে দলের কনভেনশনে নিজের স্ত্রীর পরিচয়টা এভাবে দিয়েছিলেন তিনি- ‘দেশজুড়ে আপনার যারা আছেন তাদের সবাইকে বলছি, আপনাদের সেই প্রিয় শিক্ষকটির কথা ভাবুন যিনি নিজেকে বিশ্বাস করার মতো আস্থা আপনাদের মধ্যে সৃষ্টি করেছিলেন। জিল বাইডেন তেমনই এক ফার্স্টলেডি হবেন।’ নতুন মার্কিন ফার্স্টলেডি জিল জ্যাকবসের জন্ম ১৯৫১ সালের জুনে নিউ জার্সিতে। পাঁচ বোনের মধ্যে বড় জিল বেড়ে উঠেছিলেন ফিলাডেলফিয়ার উইলো গ্রোভ শহরে।

জো বাইডেন অবশ্য জিলের দ্বিতীয় স্বামী। এর আগে প্রাক্তন ফুটবল খেলোয়াড় বিল স্টিভেনসনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। ১৯৭২ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রথম স্ত্রী ও এক বছরের কন্যা সন্তানকে হারান জো বাইডেন। এই দুর্ঘটনার তিন বছর পর বাইডেনের ভাইয়ের মাধ্যমে পরিচয় হয় জিলের। ওই সময় সিনেটর ছিলেন বাইডেন আর জিল তখনও কলেজছাত্রী। জিলকে বিয়ের জন্য পাঁচবার প্রস্তাব দিয়েছিলেন বাইডেন। এ ব্যাপারে মার্কিন সাময়িকী ভোগকে দেওয়া সাক্ষাতকারে জিল বলেন, ‘আমি চাইনি বাইডেনের সন্তানরা তাদের আরেক মাকে হারাক। এজন্য আমি শতভাগ নিশ্চিত হতে চেয়েছিলাম।’ শেষ পর্যন্ত ১৯৭৫ সালে নিউ ইয়র্ক সিটিতে বিয়ে হয় বাইডেন ও জিলের। ১৯৮২ সালে এই দম্পতির কন্যা সন্তান অ্যাশলির জন্ম হয়।

দুই বিষয়ে স্নাতোকোত্তর জিল ২০০৭ সালে ইউনিভার্সিটি অব দিলাওয়ার থেকে শিক্ষায় ডক্টরেট করেছেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে বসবাসের আগে তিনি একটি কমিউনিটি কলেজ, একটি সরকারি স্কুল ও কিশোরদের একটি মানসিক হাসপাতালে শিক্ষকতা করেছেন। ১৯৯১ থেকে ৯৩ সাল পর্যন্ত তিনি দিলওয়ারের ব্রান্ডিওয়াই হাইস্কুলে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। ওবামা আমলে তার স্বামী যখন ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন তখন তিনি নর্দার্ন ভার্জিনিয়া কমিউনিটি কলেজের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। গত আগস্টে টুইটারে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমি যেটা করি সেটা শিক্ষকতা নয়। তবে এটাই আমি।’
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৫
১১টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×