
১। মাঝে মাঝে মনে হয়- জীবনেরও যদি কোনো প্রুফ রিডার থাকত! আ- কার, ই-কার, বর্ণ, বাক্য সব কিছু ঠিক করে আমরা যেমন প্রতিটি উপন্যাস আর গল্পকে শুদ্ধ করে সাজাই, তেমন করে কেউ যদি আমাদের জীবনের ভুল গুলোকে ঠিক করে একটা শুদ্ধ জীবন গড়িয়ে দিত, একটা সুন্দর জীবন সাজিয়ে দিত!
২। পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি- হয়তো এই পাহাড় সমান উঁচু হতে চায় কেউ, আমি মাটিতে মেশা ঘাস হতেই ভালোবাসি।
৩। মানুষের হাসি মুখ দেখতে সত্যি খুব ভালো লাগে। এর জন্য দু-একটা ছোটখাটো মিথ্যা বললে দোষ হয় না।
৪। একটি ছেলে আর একটি মেয়ে রিকশা করে কোথাও যাচ্ছে। রিকশার হুড খোলা, গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি পড়ছে, সন্ধ্যাবেলা। খুব ঠান্ডা বাতাস বইছে- মেয়েটা হঠাৎ প্রশ্ন করলো, আচ্ছা, বলতো ভালোবাসার রং কি? বৃষ্টির ফোটা ফোটা জল মেয়েটির সারা মুখে ছড়ানো। রাস্তার হলুদ নিয়ন আলো মেয়েটার মুখটাকে, ছেলেটির মনে হলো- যেন, তার সামনে পুরো আকাশ। আর বৃষ্টির ফোটা গুলো যেন নক্ষত্র।
৫। নানান ধরনের আন্দোলন চলছে পৃথিবীতে। দারিদ্র মুক্ত পৃথিবীর আন্দোলন, ক্ষুধা মুক্ত পৃথিবীর আন্দোলন, নিরক্ষর মুক্ত পৃথিবীর আন্দোলন। দুঃখ-কষ্ট মুক্ত পৃথিবীর আন্দোলন কি শুরু করা যায় না? যে পৃথিবীতে কেউ চোখের পানি ফেলবে না। কেউ না খেয়ে থাকবে না। কেউ রাস্তায় ঘুমাবে না।
৬। মেয়েটি বলল, তুমি যে আমায় বিয়ে করবে তোমার যোগ্যতা কি?
মেয়েটিকে মুগ্ধ করবার মতো কোনও গুন ছেলেটির নেই। ছেলেটি শুধু একটি কাজই পারে, দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে মাথা পায়ের কাছে, পা মাথার কাছে, খানিকটা সময় দাঁড়িয়ে থাকতে।
দুঃখি, বিষন্ন ছেলেটি ম্লান গলায় বলল- এই যোগ্যতায় কি তোমাকে বিয়ে করা যায়? এই যোগ্যতায় কি দু'টি জীবন এক সূতায় বাধা যায়!
৭। অন্য কী করেছে তোমার- আমার সঙ্গে --এর উত্তর না খুঁজে নিজে নিজের সঙ্গে কী করেছি/করছি আমরা-- তাতে মনোযোগ দেই, কেমন!
৮। আমাদের যুব-তরুণদের ইয়াবার কোটি কোটি টাকায় মিয়ানমার গড়ে তুলছে তাদের অস্ত্রের ভান্ডার। যে অস্ত্রে তারা বাংলাদেশকে ধ্বংস ও ধ্বজভঙ্গ জাতীতে পরিণত করতে চায়।
(টুকরো টুকরো সাদা মিথ্যা- আর লেখা হবে না। আজই শেষ। সমাপ্ত।)
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



