
অনেক ঝামেলার মধ্যে থেকেও আমি ভালো আছি।
তবে ইদানিং কেউ কেউ আমাকে নির্বোধ ভাবছে। আমার কথা শুনে অনেকেই বিরক্ত হয় আবার কেউ কেউ ক্ষনিকের জন্য হলেও মুগ্ধ হয়। আমার মতো মানুষ ইচ্ছা করে ঠকে। মানে যে ঠকাচ্ছে, আমি তাকে বুঝতে দেই না যে, আমি জেনে শুনে বুঝেই ঠকছি। আমাকে দিয়ে কখনও কিচ্ছু হবে না। অথচ ভালোবাসার জন্য লোকে কত কী করে- দূরন্ত ষাঁড়ের চোখে বাঁধে লাল কাপড়! পাহাড় ডিঙ্গায়! কত সম্পর্ক ছিন্ন ভিন্ন করে দেয়! দূরন্তপনা আর রাগকে সাথী করে সময় যাচ্ছে। আমার পথ মোটেও মসৃন নয়। কিন্তু কেউ বুঝে না এই রাগী মানুষটার ভেতরে লুকিয়ে আছে শিশুর সারল্য।
শেষমেশ যে যার সন্ধ্যার কাছে ফিরে যায়
যে যার অন্ধকারের কাছে
তবু শেষমেশ একটি নীলাভ প্রজাপতির জন্যও
যে যার সৃস্তির ফ্রেমে কষ্টকে বাঁধিয়ে রাখে
হাত বাড়ালেই ফুটে থাকা রক্তিম গোলাপ
তবু যে যার কাঁটার কাছে ফিরে যায় একদিন
একদিন যে যার নিঃসঙ্গতার কাছে।
চাঁদের দিকে তাকিয়ে ভাবি, কি করে মানুষ চাঁদে গেল?
চাঁদে পানি নেই, গাছপালা নেই। তবুও চাঁদের সেই বুড়িটাকে আমার খুব দেখতে ইচ্ছা করে। আমি যেখানেই যাই চাঁদও আমার সাথে সাথে যায়। আমি থেমে গেলে চাঁদও থেমে যায়। আমি বিশ্রাম নিলে চাঁদও বিশ্রাম নেয়। আমি পাথরের মতো চুপচাপ বসে থাকি। জয় ও পরাজয়ের মাঝখানে আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
যার ঠিকানা নেই, তারপথ কি হারায় সে?
ধরনী যার পেতেছে কোল
কেউ ডাকে না ডাকে তার- কি আসে যায়!
এসেছিল যে শূন্য হাতে, ভয় সে কি পায় রিক্ত হতে!
খুব ইচ্ছে করে লিখে লিখে পৃথিবীটা বদলে দেই।
সব মন্দ মানুষদের সুস্থ করে তুলি। সব দুঃখ-কষ্টকে আনন্দ হাসিতে ভরে দেই। এই আনন্দময় ধারনা নিয়ে আমার দিন কাটে। রোমান সিসেরো বলেছিলেন, 'এমন কোন ব্যাক্তি নেই যে তার ধন সম্পদ কোথায় লুকিয়ে রেখেছে সেটা বার্ধক্যে এসে ভুলে যায়'। এখন আমি খুব বুঝতে পারি যে, কেউই একেবারে ধোয়া তুলসি পাতা নয়। আমি আমার নিজের অনেক কিছুই পছন্দ করি না। যেমন-হঠাত করে রেগে যাওয়া। খুব রেগে যাওয়া। রেগে গিয়ে মানুষের সাথে দুর্ব্যবহার করি। যা কখনই কারো কাছে কাম্য নয়। পরে নিজেই মানসিক যন্ত্রনায় ভূগি।
কেন অন্ধকারে আমি যাত্রা করি
কেন ভালোবাসা পেয়েও এড়িয়ে চলি
কেন আলোকে আমি ভয় করি
কেন মৃত্যুকে আমি বিস্মরন ভুলে চলি'।
আমার ডান হাতের তালুতে একটা তিল আছে।
এই তিল টা নিয়ে আমার একটা থিসিস আছে। এই থিসিস টা এখনও পুরো শেষ হয়নি। মাঝে মাঝে মনে হয় এই তিল টার কারনেই আমি একটু পাগলাটে, অস্থির এবং অতিরিক্ত প্রানবন্ত। সব মিলিয়ে অদ্ভুত! যে ছেলেরা কবিতা লিখে তারাও অদ্ভুত আবার যে মেয়েরা ঘন ঘন মোবাইল ফোনে চোখ বুলায় তারাও অদ্ভুত।
If we shall live, we live
If we shall die, we die
If we live, we shall meet again
But to night, goodbye.
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ১১:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


