
বড়দিন হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে অন্তরাত্মায় বড় হওয়ার দিন। এ দিন মানুষের সাথে মিলনের দিন, ক্ষমা করার দিন, নম্র হওয়ার দিন। ভালোবাসার দিন। আপন করে নেবার দিন।
পৃথিবী যখন পাপে পরিপূর্ণ, ঠিন তখনই ঈশ্বর যিশুকে পৃথিবীতে পাঠালেন মানবজাতিকে পাপের পথ থেকে উদ্ধার করতে। শয়তানের হাত থেকে রক্ষা করতে। যিশু যে অমিয় বাণী রেখে গিয়েছেন তার দ্বারা আমরা পারলৌকিক মুক্তির পথ খুঁজে পাই এবং সংঘাত ও স্বার্থের দ্বন্দে লিপ্ত আজকের দুনিয়াকে মুক্তির পথ দেখাতে পারে যিশুর সেই অমিয় বাণী ।
যিশুর জন্মের পরপরই আকাশের বুকে ফুটে উঠেছিল একটি বিশেষ তারা। পণ্ডিতেরা সেই তারা দেখে বুঝতে পারলেন, পৃথিবীতে সেই মহান রাজার জন্ম হয়েছে, ঈশ্বর যাকে পাঠানোর কথা বলেছিলেন মানবজাতির মুক্তির জন্য। পূর্ব দেশের তিন পণ্ডিত বহু দূর থেকে বেথলেহেমে রওনা হলেন তাদের রাজাধিরাজকে শ্রদ্ধা জানাতে।
ধীরে ধীরে শিশু যিশু বড় হয়ে উঠেন। এরপর পাপে পরিপূর্ণ মানুষকে মুক্তির বাণী শোনালেন। তিনি বললেন, ‘ঘৃণা নয়, ভালোবাসো। ভালোবাসো সবাইকে। ভালোবাসো তোমার প্রতিবেশীকে, এমনকি তোমার শত্রুকেও। মানুষকে ক্ষমা করো, তাহলে তুমিও ক্ষমা পাবে। কেউ তোমার এক গালে চড় দিলে অপর গাল পেতে দাও। ঈশ্বরের নামে অসুস্থদের সুস্থ করে তুললেন তিনি, মৃত মানুষকে জীবিত করলেন। যিশু হয়ে উঠলেন মানুষের মনের রাজা।
প্রত্যেক ধর্মেরই মূল বাণী মানবতা। বড়দিন উপলক্ষে যে প্রেম, প্রীতি ও শান্তির বাণী প্রচার করা হয় তার মূলে রয়েছে মানবতা। কোন ধর্মই এই বোধ থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। বড়দিন মানুষকে শান্তি, প্রেম ও সম্প্রীতির শিক্ষা দেয়।
ম্যারি ক্রিসমাস।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ২:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


