somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

ভালোবাসা

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৪ সকাল ১০:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



মানুষের জীবনে সবচেয়ে দামী বা মূল্যবান বিষয় হচ্ছে- ভালোবাসা।
ভালোবাসা আসলে এক ধরনের অস্ত্র। আপনি যদি একজন দুষ্ট মানুষকে দিনের পর দিন ভালোবাসেন। তাহলে সেই দুষ্টলোক একদিন না একদিন আপনার কাছে এসে নতি স্বীকার করবে। এটাই হচ্ছে ভালোবাসার পাওয়ার। ভালোবাসা মানুষকে মহৎ করে। স্বপ্ন দেখায়। বেচে থাকতে শেখায়। ভালোবাসা দিয়ে সব কিছু জয় করা যায়। যেখানে ভালোবাসা নেই, সেখানেই যুদ্ধ, ঝগড়া ফ্যাসাদ। যেখানে ভালোবাসা আছে, সেখানেই আনন্দ। সেখানেই আনন্দ নিয়ে জীবনযাপন করা যায়।

একবার এক মেয়েকে আমার ভালো লেগে গেলো।
মনে হলো মেয়েটাকে ভালোবাসা দরকার। তখন আমি চেষ্টা করলাম নিজেকে বদলে নিতে। মনে হলো, আমার ভালো হওয়া দরকার। মনের সব ক্ষুদ্রতা দূর করা দরকার। হওয়া দরকার একজন মানবিক ও হৃদয়বান মানুষ। জীবনে ভালোবাসা পাওয়ার চেয়ে কাউকে পবিত্র ভাবে ভালোবাসাটা বেশি জরুরী। মাদার তেরেসা মানুষকে সত্যিকার ভাবে ভালোবাসতে পেরেছিলেন। আজকাল মানুষ ভালোবাসে না। শুধু ভালোবাসার ভান করে। ভান করতে-করতে একসময় মানুষ নিজের সাথে ভান করে।

স্বচ্ছ পবিত্র ভালোবাসা সব মানুষ পায় না।
আমি প্রথম ভালোবাসা ফিল করি, ক্লাশ ওয়ানে। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ছিলো। মেয়েটার নাম ছিলো সুকন্যা। দারুন সুন্দরী মেয়ে। স্কুলে গিয়েই আমি সুকন্যার পাশে গিয়ে বসতাম। নিজেকে রাজা বাদশা বলে মনে হতো। সাহস পেতাম না, সুকন্যার সাথে কথা বলার। সুকন্যার জন্য এক আকাশ ভালোবাসা ফিল করতাম। সুকন্যার জন্য বুকে সুখের মতো ব্যথা করতো। একদিন স্কুলে গিয়ে জানতে পারি, সুকন্যা আর স্কুলে আসবে না। তার বাবার ট্র্যান্সফার হয়েছে খাগড়াছড়ি। সুকন্যারর জন্য আমি কান্না করেছিলাম।

এখন আমার সমস্ত ভালোবাসা শুধু আমার কন্যার জন্য।
কন্যার জন্য সীমাহীন ভালোবাসা অনুভব করি। কন্যার নাম ফারাজা। সাড়ে তিন বছর বয়স। মেয়েটার জন্য বুকের ভেতর যেন কেমন করে। যতক্ষণ বাইরে থাকি, অস্থির হয়ে থাকি। কখন বাসায় যাবো। মেয়েটাকে দেখিব। মেয়েটা আমাকে দেখা মাত্রই 'বাবা' 'বাবা' বলে চিৎকার করে আমার কাছে ছুটে আসে। বড় ভালো লাগে। ফারাজা আপেল পছন্দ করে। এজন্য ফ্রিজে সব সময় আপেল থাকেই। মেয়ে ফোন করে বলে, বাবা আমার জন্য খেলনা নিয়ে এসো।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৪ সকাল ১০:৩৪
৪টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড় চূড়ায়

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫০

পাহাড় চূড়ায়
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

সে এখন পাহাড় চূড়ায়
স্বপ্ন ছোঁয়া বিজয়ী!
চোখে দেখা প্রথম উল্লসিত
একটি পণ্য বিক্রয় করে হাজার টাকা-
লাভ করে কী যে খুশি!
কিন্তু এখন তার মাসে আয় কোটি
তবুও সে হয় না তৃপ্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরান ওয়ার্ল্ড কাপ বয়কট করে নাই কারণ...

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৪ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:০৩


সেখানে একজন আসিফ নজরুল ছিলেন না, আমিনুল ইসলাম বুলবুল ছিলেন না! পুরো বিশ্বজুড়ে এখন ফুটবলের উন্মাদনা। যে সব দেশ মাঠে লড়ছে আর যারা কোয়ালিফাই করতে পারেনি উত্তেজনা সবখানেই সমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

গঙ্গা-বুড়িগঙ্গার স্রোত অনেক বদলে গেছে...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৪ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:৩৩

গঙ্গা-বুড়িগঙ্গার স্রোত অনেক বদলে গেছে...

একসময় ভারতীয় কূটনীতিক, রাজনীতিবিদ কিংবা বাংলাদেশের কিছু ক্ষমতাসীন নেতা এমন ভাষায় কথা বলতেন, যেন বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র নয়; বরং কোনো ছোট ভাই, আদরের বোন বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অন্তর্দিগন্ত

লিখেছেন মুনতাসির রাসেল, ১৪ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:০৯



যে নদী সাগরকে ছোঁয়নি, সে-ই গায় সবচেয়ে নির্মল সঙ্গীত।
যে বৃক্ষের শাখা ফলের ভারে নত হয়নি, সে-ই আকাশকে বেশি বোঝে, বাতাসকে বেশি শোনে।

পৃথিবীর প্রাচীনতম ভ্রমগুলোর একটি এই,
মানুষ ভেবেছে প্রাপ্তিই পরিত্রাণ।

তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

Laptop Stand কেন দরকার?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১৪ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৯

Laptop Stand কেন দরকার? | Digital Fast IT থেকে স্মার্ট সমাধান



দীর্ঘ সময় ল্যাপটপ ব্যবহার করলে অনেকেরই একটি সাধারণ সমস্যা দেখা দেয়—ল্যাপটপের নিচের অংশ অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। অতিরিক্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×