somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সত্যকা
রাজু আহমেদ । এক গ্রাম্য বালক । অনেকটা বোকা প্রকৃতির । দুঃখ ছুঁয়ে দেখতে পারি নি ,তবে জীবনের সকল ক্ষেত্রে অনুভব করেছি । সবাইকে প্রচন্ড ভালবাসি কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করতে পারি না । বাবা এবং মাকে নিয়েই আমার ছোট্ট একটা পৃথিবী ।

আদর্শ জাতি গঠনে তরুণদেরকে সঠিক দিকনির্দশনা দিতে হবে

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যত-এই মন্ত্রে দিক্ষীত হয়ে শিশুদেরকে যোগ্য মানুষ করে গড়ে তোলা সকলের দায়িত্ব । সময়ের পরিবর্তনে শিশুই একদিন তরুণে পরিণত হয় । প্রত্যেকটি জাতির ভবিষ্যত নির্ভর করে সে জাতির তরুণ-তরুণীদের বেড়ে উঠা কিংবা যোগ্য হওয়ার উপরে । যে জাতির তরুণ সম্প্রদায় যতবেশি যোগ্য ও দক্ষ হবে সে জাতি ততবেশি উন্নতি করবে । তরুণ সমাজ তাদের বেড়ে ওঠার সময় যদি স্বাধীনতা ও প্রাপ্য সুযোগ সুবিধা না পায় তবে সে সমাজ কেবল শরীরেই বেড়ে ওঠে মনে নয় । তরুণ-তরুণীর শারীরিক বৃদ্ধির চেয়েও বেশি প্রয়োজন মানসিক বৃদ্ধি । একটি শিশুর জন্মগ্রহনের পর থেকে তারুণ্য পাড়ি দিয়ে যৌবনে পৌঁছার পূর্ব পর‌্যন্ত সময়টাই তার জীবনের লক্ষ্য স্থির করতে সাহায্য করে । তারুণ্য এমন গুরুত্বপূর্ণ সময় যেখানে তরুণ-তরুণীদের উপর পরিবার, সমাজ ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে । পরিবার থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা এবং সমাজের অপ্রাতিষ্ঠানিক-প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাই তাদের জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে । এ সময় তারা সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রভাবও তারা ধারণ করতে শিখে । মোটকথা, ভালো এবং খারাপ সকল ধরণের উৎস থেকেই জ্ঞান আহরণের এটা সর্বোত্তম সময় । প্রজন্ম বিপথে না সুপথে পরিচালিত হবে তার নীতি-নির্ধারণের বীজ বপিত হয় এই সময় । জীবনের বাকী অধ্যায়গুলোতে সে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে কেবল শাখা প্রশাখা বিস্তার করে । তারুণ্য প্রতিটি জাতির জাতীয় শক্তি । এ সময় তরুণ-তরুণীরা কোন বাঁধাই মানতে চায়না । তারুণ্যের সময় এরা ধ্বংসও আনতে পারে আবার ধ্বংসের উপর দাঁড়িয়ে গড়তেও পারে । তারুণ্যের শক্তিকে যদি সঠিকভাবে গঠন করে কাজে লাগানো যায় তবে মূহুর্তেই রাষ্ট্রের ধূসর মলিন চেহারা বদলে যেতে বাধ্য । তবে তরুণ-তরুণীদের অসম শক্তি অর্থ্যাৎ তারুণ্যকে সঠিক দিক-নির্দেশনা দিয়ে যোগ্য মানুষে পরিণত করে কাজে লাগাবে কে ? সবাই যদি ব্যক্তির ক্ষুদ্র স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত থাকে তবে তরুণের বৃহৎ স্বার্থ দেখবে কে ? তরুণ-তরুণীর নীতি নির্ধারকদের স্বার্থবাদী আচরণের কারণে তরুণরাও স্বার্থবাদী হতে বাধ্য হচ্ছে । ফলশ্রুতিতে সর্ববাদী কিংবা পরার্থবাদী মানুষ গঠন হচ্ছে না । সমাজ কিংবা রাষ্ট্রও সমাজ সংস্কার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে । যে কারনে সার্বিক উন্নতির বিপরীতে রাষ্ট্রও সেই পূর্বের অবস্থানে পড়ে রয়েছে । তরুণরা সঠিক দিক-নির্দেশনা না পাওয়ায় এবং দায়িত্বশীলদের অবহেলা কিংবা দায়িত্বহীন আচরণের কারণে তরুণ-তরুণীরা হতাশ হয়ে দিন দিন বিপথগামী হচ্ছে । যে কারনে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অস্থিরতার সৃষ্টি হচ্ছে এবং শান্তির ছোঁয়াও ধূসর থেকে আরও ধূসর হয়ে হারিয়ে যাচ্ছে ।

জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) বার্ষিক জনসংখ্যা প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য মতে, ‘বাংলাদেশে ১০ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীর সংখ্যা ৪ কোটি ৭৬ লাখ । অর্থ্যাৎ তারা মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ’ । এই তরুণরাই দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবে এবং নেতৃত্ব দেবে । তাদেরকে যদি সঠিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে গড়ে তোলা যায় তবে তা অবশ্যই সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে । যে তরুণরা আগামীর বাংলাদেশের হাল ধরবে এবং নেতৃত্ব দিয়ে উন্নত দেশে পরিণত করে বহির্বিশ্বে এদেশকে তুলে ধরবে সেই তরুণরা সমাজ কিংবা রাষ্ট্রের কাছে শিখছে কি ? তরুণ-তরুণীরা যখন তাদের যোগ্য মানুষ রুপে গড়ে তোলার সংগ্রাম করছে তখন ব্যক্তি কিংবা দলের বিভিন্ন কর্মকান্ড তাদেরকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করছে । পারিবারিক অশান্তি, সামাজিক অস্থিরতা, রাষ্ট্রীয় অস্থিতিশীলতায় তরুণ-তরুণীরা দিনে দিনে হতাশ হচ্ছে এবং বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে যাচ্ছে । মাদকের আগ্রাসনে তরুণ সমাজের মেরুদন্ড ভেঙ্গে যাওয়ার দ্বারপ্রান্তে । ভালোবাসা এবং বিশ্বাসের ছিঁটে ফোঁটাও অবশিষ্ট না থাকায় তরুণরাও সংশয় এবং সন্দেহের মধ্যে বেড়ে উঠছে । অপসংস্কৃতির আগ্রাসন তরুণ-তরুণীদেরকে কুকর্মে লিপ্ত হচ্ছে প্ররোচিত করছে । রাজনৈতিক স্বার্থের বলি হয়ে অসংখ্য তরুণ-তরুণী জীবনের সবচেয়ে ‍গুরুত্বপূর্ণ সময় অর্থ্যাৎ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জনের প্রতি বিমূখ হচ্ছে । রাষ্ট্র কতৃর্ক তরুণ-তরুণীদের সর্বাত্মক পরামর্শ এবং পৃষ্ঠপোষকতা না থাকায় তরুণ সমাজের এক বিপুল অংশ অন্ধকারেই রয়ে যাচ্ছে । খাদ্য দ্রব্যে রাসয়নিক বিষ মিশ্রনের কারনে তরুণদের-তরুণীদের শারীরিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্থ হচ্ছে এবং বিভিন্ন অঙ্গহানীর শিকার হচ্ছে ।

বেঁচে থাকার জন্য সর্বার্গ্রে প্রয়োজন খাদ্য । তরুণ-তরুণীদের বেঁচে থাকা এবং শরীর গঠনের জন্য খাঁটি খাদ্যের বিকল্প নাই । তবে কোথাও নির্ভেজাল খাদ্য পাওয়ার সুযোগ নাই । উৎপাদক কিংবা কৃষক পার‌্যায় থেকে শুরু করে বিক্রেতা পর‌্যন্ত সবাই কেবল ভেজাল দিয়েই যাচ্ছে । কেউ কারও স্বার্থ রক্ষার বিন্দুমাত্র চেষ্টা করছে না । জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে খাদ্য দ্রব্যের সাথে মিশ্রিত করা হচ্ছে মারাত্মক সব রাসয়নিক বিষ । যা খাদ্যের সাথে মানুষের শীরের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয় । এ ধরণের বিষাক্ত খাদ্য ভক্ষণ করে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তরুন-তরুণীরা । ফলশ্রুতিতে, তরুণ-তরুণীরা শারীরিকভাবে পূর্ণ সুস্থ থাকছে না । যে কারনে আগামীর চ্যালেঞ্জ গ্রহন করার যে শক্তি-সামর্থ্য অর্জন করা দরকার আজকের তরুণ-তরুণীরা তা পারছে না । শিক্ষাকে বলা হয় জাতির মেরুদন্ড । জাতির জাতীয় উন্নতির সাথে শিক্ষা অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত । যে জাতি যতবেশি শিক্ষিত হবে সে জাতির ততবেশি উন্নতি হবে । শিক্ষার্থীরা শিক্ষার নামে শিখছে কি ? শতভাগ পাস, শিক্ষাক্ষেত্রে বিপ্লবের স্বপ্ন ভ্রম এবং জিপিএ-৫ এর বন্যা বইয়ে দিতে গিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা প্রায় মূখ থুবরে পড়েছে । শিক্ষার হার বাড়লেও শিক্ষার মান বৃদ্ধি না হয়ে ক্রমাবনতি হয়েছে । শিক্ষা ব্যবস্থায় নকল চরম আকার ধারণ করেছে । প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা দুর্নীতির ছোঁয়া আজ সর্বত্রই । যোগ্যরা চাকরি বঞ্চিত হচ্ছে এবং চাকরীর ক্ষেত্রে চরম দলীয়করণের প্রকাশ্য ঘোষণা দেওয়া হয়েছে । এছাড়াও শিক্ষা কাঠামোতে বার বার পরীক্ষণ পর‌্যবেক্ষন চালানোর কারনে শিক্ষার্থীরাও বিব্রত বোধ করছে । কাজেই যে তরুণরা প্রকৃত শিক্ষা পাবে না তাদের দ্বারা জাতি ভবিষ্যতে কি আশা করতে পারে ? তরুণদের মানসিক বিকাশে সংস্কৃতি গভীর প্রভাব ফেলে । জাতি হিসেবে বাঙালীর গর্ব করার মত ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি রয়েছে । কিন্তু দূর্ভাগ্যের হলেও সত্য, আমরা সে সংস্কৃতি প্রায় ভূলতে বসেছি । দায়িত্বশীলদের উদাসীনতায় দেশে অপসংস্কৃতির সয়লাব হয়েছে । যৌবনের সুড়সুড়ি দাতা সে সকল অপসংস্কৃতির অনুসরণে তরুণ-তরুণীরাও উম্মাদ প্রায় । যে কারনে সমাজে অপরাধের মাত্রা বেড়ে গিয়েছে এবং পারিবারিক ও সামাজিক কাঠামো ধ্বংসস্তুপে পরিণত হওয়ার মূখে । তবুও এ থেকে উত্তরণের জন্য দায়িত্বশীলদের কারো কোন ধরণের মাথা ব্যথা পরিলক্ষিত হচ্ছে না । মাদকের আগ্রাসন এখন সর্বব্যাপী । শিশু থেকে শুরু করে সকল বয়সের অসংখ্য মানুষ মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে । বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের আসক্ত হওয়ার প্রবণতা এবং সংখ্যাই বেশি । প্রতিটি মাদকদ্রব্য স্বাস্থ্যের জন্য মৃত্যু ঝুঁকির । তবুও মাদকের লাগাম টানতে রাষ্ট্রের খুব বেশি পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না । তরুণ-তরুণীরা গাঁজা, ইয়াবা, শীশাসহ বেশ কয়েক ধরণের মরনঘাতী মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েছে । হাস্যকর হলেও সত্য, মাদকসেবীদের ধাওয়া চলে কিন্তু মাদকের উৎস কোথায় তা তালাশ করা হয় না । যে জাতির তরুণ-তরুণী সমাজের বৃহৎ অংশ মাদকাসক্ত যে জাতির ভবিষ্যত কি হবে তা বোধহয় সহজেই অনুমেয় । ভবিষ্যতে কথা না হয় ক্ষনিকের জন্য ভূলে গেলাম কিন্তু বর্তমানে মাদকাসক্তদের নিয়ে যে সকল সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে তা যদি রোধ করা না যায় তবে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের বিশৃঙ্খলা ঠেকাবে কে ?

আজকের তরুণ-তরুণীরাই আগামী প্রজণ্মের রাজনীতিতে নেতৃত্ব দিবে । কাজেই তরুণ-তরুণীদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা অর্জণ করার এটাই সুবর্ণ সময় । বাংলাদেশের প্রতিটি রাজনিতক দলের ছাত্র সংঘঠন রয়েছে । যেভাবেই হোক স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাঁকিবাজ কিংবা মেধাবী পড়ুয়া ছাত্রদের একাংশ ছাত্ররাজনীতির সাথে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে পড়েছে । এটা ভবিষ্যতে জাতির নেতৃত্বদেয়ার ইস্পৃহাধারী ছাত্রদের জন্য যেমন কল্যানের তেমনি রাষ্ট্রের জন্য মঙ্গলের । দেখার বিষয়, রাজনৈতিক দলগুলো ছাত্রদেরকে কোন স্বার্থে ব্যবহার করছে এবং অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িয়ে ছাত্ররা কি শিখছে । স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় অস্থীতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি, খুন-খারাবিসহ কোন অপকর্মটি নেই যেখানে ছাত্ররাজনীতির ভূমিকা না আছে । এই যদি হয় ছাত্রদের আদর্শ তবে এরা জাতিকে দিতে পারবে কোন সাফল্য ? ভাবতে অবাক লাগে যখন বিভিন্ন মিডিয়ায় দেখি, শিক্ষার্থী কর্তৃক শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনা, সামান্য কারণ নিয়ে শিক্ষার্থীদের নিজেদের মধ্যে মারামারি কিংবা ঠুনকো কোন ইস্যু পেলেই ছাত্র-ছাত্রী কর্তৃক রাজপথ অবরোধ করে রাষ্ট্রীয় কিংবা ব্যক্তিগত সম্পদ ভাংচুর । শিক্ষার্থীরা হবে এই সমাজের আলোকবর্তিকা । সেই তারাই যদি অন্ধকারে হারিয়ে যায তবে সমাজের অন্যমানুষগুলোর পরিণাম কী ?


এখন যদি বদলানো না যায় তবে সেটা বোধহয় কখনই সম্ভব নয় । তরুণ সমাজকে জাতীয় সম্পদকে পরিণত করার জন্য পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্বশীলদেরকে এগিয়ে আসতে হবে । তারুণ্যের সময়টাতে মানুষকে যেমন ইচ্ছা তেমনভাবে গড়ে তোলা যায় । বৃহৎ স্বার্থের কথা মাথায় রেখে তরুণদেরকে দিয়েই আগামীর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে হবে । যেখানে কোন অনাচার কিংবা অত্যাচার থাকবে না । তাতে ভ্রাতৃত্ব ও সাম্যের বন্ধনে শান্তির ছোঁয়াই থাকবে সর্বত্র । সুতরাং তরুণ-তরুণীদেরকে সোনার মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সমাজে যতগুলো বাঁধা আছে তা দূর করে একটি স্থিতীশীল পরিবেশের ব্যবস্থা দায়িত্বশীলদেরকে করে দিতে হবে । আমাদের তরুণ-তরুণীদের জন্য এটাই হোক দায়িত্বশীলদের শতাব্দীর সেরা উপহার ।

রাজু আহমেদ । কলামিষ্ট ।
[email protected]






০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্মের লেবাস নয়, শিশুর নিরাপত্তাই হোক আমাদের প্রথম দায়িত্ব!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫১

ধর্মের লেবাস নয়, শিশুর নিরাপত্তাই হোক আমাদের প্রথম দায়িত্ব!

একজন বাবা তাঁর ছয় বছরের কন্যাকে মাদ্রাসায় পাঠিয়েছিলেন দ্বীনি শিক্ষা, নৈতিকতা ও নিরাপদ ভবিষ্যতের আশায়। তিনি কি কখনো কল্পনা করেছিলেন, ধর্মীয় শিক্ষকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাধারণ মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:২৯


যুক্তরাজ্যপ্রবাসী শওকত আলীকে ধন্যবাদ। তিনি একটি ট্যাবু ভেঙে দিয়েছেন। সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় জন্মদিন উপলক্ষে একটি বাউল গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। এই খবর প্রচার হওয়ার পরপরই... ...বাকিটুকু পড়ুন

গাজীপুর থেকে কক্সবাজার: চার বাইকে ছয় সহকর্মীর ১৪ ঘণ্টার নাইট রাইড অ্যাডভেঞ্চার

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:০২


আমি শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, থাকি সাভার এলাকায়। ভ্রমণের নেশা আর মোটরসাইকেলের প্রতি ভালোবাসা আমার দীর্ঘদিনের। আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব গাজীপুর থেকে কক্সবাজার হয়ে টেকনাফ ও শাহপরীর দ্বীপের দিকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

Personal Cancer Vaccine: আশার আলো দেখাচ্ছে

লিখেছেন কলাবাগান১, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৩২


আপনি কি কখনও চিন্তা করে দেখেছেন যে ক্যান্সার টিউমারকে কেন শরীর এর রোগ প্রতিরোগ করা ইমিউন সেল (যেমন টি সেল) একেবারে ধ্বংস করতে পারে না!!! যেখানে টি সেল... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিশুর নিরাপত্তা কোনো প্রতিষ্ঠানের সুনামের চেয়ে বড়

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:০২



শিশুর নিরাপত্তা কোনো প্রতিষ্ঠানের সুনামের চেয়ে বড়

গতকাল এক বাবার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। অভিযোগ, তাঁর মেয়েকে একটি মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল যৌন নিপীড়ন করেছেন। বাবার প্রতিক্রিয়া সঠিক ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×