তরুন প্রজন্মের দাবির মুখে সরকার ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইবুন্যালস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০১৩’ সংশোধন করা হয়েছে। নি:সন্দেহে এটা খুশির খবর। কিন্তু এরপরেও কিছু আশংকা থেকেই যাচ্ছে। এ সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে কতটা আন্তরিক তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। ধরে নিচ্ছি সরকার আন্তরিক। বিচার কাজও চলছে; ফাঁসির রায়ও হয়েছে। কিন্তু এরই মধ্যে যদি সরকার পরিবর্তন হয়ে যায় তাহলে সংবিধানের ৪৯ নম্বর ধারা অনুযায়ি রাষ্ট্রপতির সাধারণ ক্ষমার সুযোগটি থেকেই যাচ্ছে।
আবার সদ্য পাস হওয়া বিলের সংশোধনী থেকে সংক্ষুব্ধ ব্যাক্তির আপিলের বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়েছে। যদি সরকার পরিবর্তন হয়ে যায় আর জামায়াতের সমর্থন নিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় চলে আসে। তবে এসব মামলার বাদি থাকবেন জামায়াত-বিএনপি। অন্যদিকে আসামি থাকবেন জামায়াত-বিএনপির নেতারা। অর্থাৎ মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ সবই তারা। তখন বাদি আপিল করলো না। আসামির জয় হলো। আমরা কি সেটা দেখতে চাই।
আবার আমাদের সরকার দলের নেতারা বলে বেড়াচ্ছেন বিলে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারি দলের বিচারের মাধ্যমে জামায়াত নিষিদ্ধ করা হবে। কিন্তু আইনে এ ধরনের কোন কথা বলা হয়নি। আইনে এ দায়িত্বটা আদালতের ওপর ছেড়ে দিয়েছে। অযথা আমাদের রাজনীতিকরা আবারও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। এদের ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিত। সেই সঙ্গে উপরের দাবিগুলোর বিষয়ে সতর্ক হওয়া উচিত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


