somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এদেশের আদালতে ন্যায় বিচার সম্ভব নয়

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


একজন অপরাধীর নিযুক্ত আইনজীবীই প্রধান সাক্ষী অপরাধীর অপরাদের। কারণ অপরাধী নিজের মামলা সঠিক ভাবে পরিচালনার জন্য তার নিজের নিযুক্ত আইনজীবীর কাছে নিজের অপরাধ বা দোষ স্বীকার করেন বা স্বীকার করতে বাধ্য হোন। কিন্তু অপরাধীর নিযুক্ত আইনজীবী অপরাধীর সমস্ত অপরাধ জানা সত্বেও অপরাধীর পক্ষে মামলা চালিয়ে যান। কিন্তু কেন তা চালিয়ে যান বিরাট একটা প্রশ্ন?

তবে কি এটাও আইনের শিক্ষা? নাকী আইন বলে দেয় অপরাধীর অপরাধ জানা স্বত্বেও অপরাধীর পক্ষেই সাফাই গাইতে হবে অপরাধীর নিযুক্ত আইনজীবীকে? নাকী এটা আইন শিক্ষার অপব্যবহার? নাকী টাকার জন্য অপরাধীর আইনজীবী নিজের বিবেক ও শিক্ষাকে বিক্রি করে দেন অপরাধীর অপরাধের কাছে? নাকী বাধ্য হোন অপরাধীর অপরাধ জানা স্বত্বেও অপরাধীর পক্ষে সাফাই গাইতে?

এমন আইনজীবীর সংখ্যা দেশে অগণিত। যাদের আইনি কৌশল শিক্ষা দিক্ষা দক্ষতা অভিজ্ঞতা অপরাধীকে অপরাধ করা স্বত্বেও নিরাপরাধ প্রমান করে আইনের হাত থেকে মুক্ত করে নিয়ে আসেন। আর একই অপরাধে দায়ে ফাঁসিয়ে দেন নিরাপরাধ কোন ব্যক্তিকে। এতে আইনজীবী নিজের শিক্ষা দিক্ষা কৌশল দক্ষতা ও অভিজ্ঞাতায় কুড়িয়ে নেন হাজার হাজার বাহ বাহ করতালি আর সম্মানি (টাকা)। অর্জন করেন বিশাল খ্যাতি।

কিন্তু যে আইনজীবী অপরাধীর অপরাধ জানা স্বত্বেও অপরাধীর পক্ষে মামলা লড়েন বা অপরাধীকে নিরাপরাধ প্রমাণ করে নিয়ে আসেন তিনি কি অপরাধী নন? তিনি কি আইনের ভক্ষক নন? তিনি কি আইনের অপব্যবহারকারী নন? তিনি কি আইনে অপশিক্ষত নন?

যত দিন এমন অগণিত আইনজীবী এদেশে থাকবেন ততো দিন এদেশের আদালতে ন্যায় বিচার সম্ভব নয়। যতোই বিচার বিভাগ স্বাধীন কিংবা নির্বাহী বিভাগের অধীনস্থ হোকনা কেন?

ন্যায় বিচারের সবচেয়ে বড় আদালত বিবেক। কিন্তু আমাদের দেশের আদালতের কোন বিবেক নেই। থাকার কথাও না। কারণ আদালতের বিচার কার্যক্রমে বিবেক থাকতে নেই উপস্থিত বিচারক আইনজীবী কিংবা সংসৃষ্ট অন্যান্যদের। আমাদের আদালত প্রমাণ সাক্ষ বা সাক্ষী নির্ভর। শুধুমাত্র প্রমাণ সাক্ষ বা সাক্ষীর ভিত্তিতে অপরাধ বা অপরাধী শনাক্ত করা হয়। এদেশে তো অহরত সাক্ষী ভাড়ায় পাওয়া যায় আদালত পাড়ায় সে কারো অজানা নয়।

ন্যায় বিচারের সবচেয়ে বড় আদালত যদি হয়ে থাকে বিবেক, তবে যে আদালতের বিবেক নেই সেই আদালতে ন্যায় বিচার হয় কি করে?
যে আদালতে বিচারক আইনজীবী ও অন্যান্য সংসৃষ্টদের বিবেক থাকতে নেই সেই আদালতে ন্যায় বিচার হয় কি করে?
প্রশ্ন গুলি কি আমার মতো আপনাদেরকেও ভাবায় না?
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৫৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলে তে কি দেখতে চাই না

লিখেছেন অপলক , ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৭



ওপার বাংলা আর এপার বাংলা মানে কোন দেশের কোন অঞ্চল বোঝায়, সেটা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু দু'বাংলার সংস্কৃতি বেশির ভাগটাই আলাদা। শব্দ উচ্চারন থেকে শুরু করে মন মানসিকতা, পোশাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন- ফিরতেই পারেন। তবে প্রশ্ন হলো, কীভাবে এবং কোন উদ্দেশ্যে?

বাংলাদেশে ফিরে আসা তাঁর জন্য অসম্ভব নয়। চাইলে তিনি দেশে ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুপান্তর

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:০৭


কাজী সালাউদ্দিন সাহেবের আসলেই রাজকপাল , এই কথা বললে বিন্দুমাত্র বাড়িয়ে বলা হয় না। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের মসনদে টানা ষোলো বছর বসে থাকার এক বিরল কীর্তি তিনি গড়েছেন, যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা বাস করছি প্রচণ্ড রাজনৈতিক ভণ্ডামোর মধ্যে – হুমায়ুন আজাদ। কিছু কথা।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৩৮



ইংরেজিতে একটা শব্দ আছে সেটা হল plausible. যার একটা অর্থ হল “আপাতদৃষ্টিতে যুক্তিসঙ্গত”। হুমায়ুন আজাদের অনেক লেখার মধ্যে এ জিনিসটা পাওয়া যায়। এমনিতে হুমায়ুন আজাদ খুবই ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ ১৭ই মার্চ ১৯২০

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪১




একটা সোনার ছোট্ট ছেলে জন্ম নিলো এই  দিনে,
স্বভাবগুনে স্থান পায় সে কোটি জনতার মনে।

সেই ছেলেটি জন্মেছিল টুঙ্গিপাড়া গ্রামে।
মুক্তিরই এক বার্তা নিয়ে এলো ধরাধামে।

অন্তরটি তাঁর বিশাল বড়ো,বুক ভর্তি  মায়া,
সব মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×