১. মোবাইল ফোনে রিং করেছেন কাউকে; কিন্তু সে রিসিভ করছেনা। স্থান-কাল-পাত্র ভেদে ছুড়ে দিলেন একটা ব্যাডওয়ার্ড। নিদেনপক্ষে একটা “ধ্যাত্তরি”। বন্ধু-বান্ধব হলে তো কথাই নেই- খিস্তিুর সুনামি শুরু হয়ে গেলো।
একজনকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম তার অনুভুতির কথা, যদি সে ফোনে কাউকে না পায় তাহলে ঐ মুহুর্তে তার কেমন লাগে। জবাবে সে বলেছিলো “চাবায়ে শালাক খাতি ইচ্চা করে”।
২. কোনো কারণে কম্পিউটার অথবা নেট এর যে কোন একটা স্লো। আমাদের চুলগুলো ছিড়তে যদি ব্যাথা না পেতাম তাহলে এতদিনে.........। কাউকে কাউকে দেখেছি নেট স্লো হলে সেই রাগ ঝাড়েন মাউসের উপর। যেন মাউস আছড়ালেই নেটের স্পিড বাড়বে।
৩. স্থান: উত্তরা রাজলক্ষী।
সময়: সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা।
আমাদের গাড়ির সামনে আরেকটা গাড়ি পার্ক করতে একটু সময় নিচ্ছিল। ততক্ষণে তার পিছনে গাড়ি এবং বিরক্ত চেহারার মানুষের বিশাল মিছিল। আমাদের গাড়ির পাশে রিকশায় বসা একটা সুন্দরী অপ্সরী বলে ফেললেন “বাল”। অমন একটা পরীর মুখে আপাত অশ্লীল একটা শব্দ শুনে ভীষণ মজা পেয়েছিলাম।
৪. বাস কনডাকটর একবার ছেড়ে দুবার ভাড়া চেয়েছে তো মরেছে। তার জবাব হলো দাতমুখ খিচিয়ে, চোখ বড়বড় করে, যতদুর সম্ভব গলাকে বাজখাই করে-“এক ভাড়া কয়বার চাস”।
কিছু দিন আগেও পত্রিকায় একটা লেখা পড়েছিলাম বাংলাদেশের মানুষের এই উন্মত্ত আচরন নিয়ে। সেখানে ভায়োলেন্স মুভিকে দায়ী করেছিলেন কেউ কেউ। হতে পারে। আমরা আমাদের অবচেতন মনে নিজেকে অনেক কিছুই ভাবি।
আসলে চারপাশে অশান্ত পরিবেশে শান্ত থাকাটা একটা দুরুহ ব্যাপারই বটে। আমাদের দেশের বড়োসাহেবদের মুখে মিথ্যা শুনতে এখন সব কথাই মিথ্যা বলে মনে হয়। অন্ধ ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেবার সময় মনে হয়- এ লোক কি আসলেই অন্ধ। চারিদিকের নিরাপত্তাহীন, অনিশ্চিত, সন্দেহজনক পরিবেশ থেকে বাচার চেষ্টা করতে গিয়েই মানুষ তার অবচেতন মনে হয়ে উঠছে হিংস্র..............।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



