somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চমৎকার ডকুমেন্টারি Born in Syria।

১৮ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সেদিন চিন্তা করছিলাম বেশি বেশি সিনেমা দেখা হয়ে যাচ্ছে তাই এবারে সিনেমা না দেখে একটা ডকুমেন্টারি দেখি। নেটফ্লিক্সে বেশ কিছু দিন থেকে চোখের নজরে পরছিল Born in Syria ছবিটি। ভাবলাম এটাই দেখবো। যেই ভাবা সেই কাজ।

সিরিয়ার গৃহযুদ্ধটাকে আমি বলবো একেবারেই অপ্রয়োজনীয় একটি ঘটনা যেটা কিনা সহজেই এড়ানো যেত। সমস্যা শুরুর দিক থেকেই যদি বহিঃর্বিশ্ব একটু মাথা চাড়া দিয়ে উঠতো তাহলে হয়তো ব্যাপক পর্যায়ে ক্ষতি হতোনা। আসলে ক্ষতিতো যারা যুদ্ধ করে বা যারা ক্ষমতায় থাকে তাদের হয়না। যা ক্ষতি হবার ঐ নিরীহ সব শিশুদেরই হয়।

ঠিক সেইরকম লাখলাখ শিশুদের মধ্যে সাতজন শিশুর নির্মম কাহীনি ফুটিয়ে তুলে দেখানো হয়েছে এই ডকুমেন্টারিতে। হামুদ, জিহান, গাসিম, মোহাম্মদ, মারওয়ান, আরাসুলি ও কায়েস নামের সাতজন শিশু। তারা তাদের জন্মভূমি সিরিয়া ছেড়ে পরিবারের সাথে নৌপথ পেরিয়ে, হাজার হাজার মাইল পেরিয়ে অচেনা, অজানা গন্তব্যের যাওয়ার কাহীনি দেখানো হয়েছে এই ছবিতে। ছোট ছোট শিশুদের এই হাজার হাজার মাইল যাত্রা কতোটা ভয়াবহ ও কষ্টকর ছিল সেটা খুব সুন্দর করে পরিচালক দেখিয়েছে। এই সাতজন শিশুর গল্প দিয়েই বুঝিয়েছে লাখলাখ নিরীহ শিশুর কাহীনি।



২০১১ সালে সিরিয়ায় যখন গৃহযুদ্ধ শুরু হলো তখন থেকে জীবনের হুমকিতে অন্য কেউ পরুক আর না পরুক, ক্ষতি হয়েছে ছোটছোট শিশুদেরই। প্রায় ৯০ লাখ সিরীয় মানুষজন যুদ্ধের কারণে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে যার মধ্যে শিশুদের সংখ্যাই অর্ধেক। যেসব শিশুরা দেশ ত্যাগ করেছে তাদের আপনজনদের সাথে কিভাবে সংগ্রাম করে তারা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছে সেটা তারাই জানে যারা জীবনে এসব বাধা পেয়েছে। ডকুমেন্টারিতে দেখলে গা শিউরে উঠে যে ছোট ছোট বাচ্চারা হয়তো গৃহযুদ্ধ না হলে ঠিকই তাদের জীবন অন্য রকম হতো। স্বাভাবিকভাবেই তারা স্কুলে যেতো, খেলা খেলতো, দুষ্টমি করতো। এসব সবকিছু থেকেই তারা বঞ্চিত।

Hernan Zin ডকুমেন্টারির বানানোর জন্য বিখ্যাত। আর্জেন্টিনার পরিচালক Hernan Zin এর এটি একটি অসাধারণ ডকুমেন্টারি। তার অন্যান্য ডকুমেন্টারির মধ্যে 10 Elephants (2015), Born in Gaza (2014), War Against Women (2013), I Want to be Messi (2013) ও Slum World (2010) উল্লেখযোগ্য।

আমার কাছে ভালই লেগেছে ডকুমেন্টারিটি।

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:৪৯
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রুবা আমি তোমাকে ভুলিনি

লিখেছেন রাজীব নুর, ১১ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১২:৫৫



আমার বন্ধু রফিকের বিয়ে।
সে সাত বছর পর কুয়েত থেকে এসেছে। বিয়ে করার জন্যই এসেছে। রফিক একদিন আমার বাসায় এসে হাজির। আমি তাকে প্রথমে দেখে চিনতেই পারি নাই।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রম্যরচনাঃ ক্যামেরা ফেস

লিখেছেন আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ১১ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ৮:৫৯


খুব ছোট বেলায় আমাদের শহরে স্টার স্টুডিও নামে ছবি তোলার একটা দোকান ছিল। সেটা পঞ্চাশের দশকের কথা। সে সময় সম্ভবত সেটিই ছিল এই শহরের একমাত্র ছবি তোলার দোকান। আধা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আবাসন ব্যাবসায় অশনি সংকেত

লিখেছেন শাহ আজিজ, ১১ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:২২




জুলাইয়ের শুরুতে একটি বিজ্ঞাপন দেখা গেল একটি আবাসন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের । তারা ৫০ পারসেনট কমে ফ্লাট বিক্রি করছে । মুখ চেপে হাসলাম এত দুঃখের মাঝেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

রৌপ্যময় নভোনীল

লিখেছেন স্বর্ণবন্ধন, ১১ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৯


একটা অদ্ভুত বৃত্তে পাক খাচ্ছে আত্মা মন,
বিশ্বকর্মার হাতুড়ির অগ্ন্যুৎপাতে গড়া ভাস্কর্যের মতো গাড়-
হাড় চামড়ার আবরণ; গোল হয়ে নৃত্যরত সারসের সাথে-
গান গায়; সারসীরা মরেছে বিবর্তনে,
জলাভুমি জলে নীল মার্বেলে সবুজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

""--- ভাগ্য বটে ---

লিখেছেন ফয়াদ খান, ১১ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৪

" ভাগ্য বটে "
আরে! সে কী ভাগ্য আমার
এ যে দেখি মন্ত্রিমশায় !!
তা বলুন দেখি আছেন কেমন
চলছে কেমন ধানায় পানায় ?
কিসের ভয়ে এতো জড়োসড়ো
লুকিয়ে আজি ঘরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×