এই কালের মানুষ হয়েও সময় নিয়ে কতটুকু সচেতন তার প্রমাণ পাওয়া যায় আমাদের আচরণে। আমরা তথাকথিত ডিজিটাল(?) মনুষ। এনালগ আর ডিজিটালের পার্থক্য নিরিখে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটির সাহায্য নিলে,এর যুক্তিকতা হারানোর সম্ভাবনাই বেশি। কারণ কিছুদিন পরই এ তিন সদস্যের বিচার নিয়ে ব্যাস্ত হওয়া আমাদের স্বভাব। এই হতচ্ছাড়া স্বভাবকে পিচলানো যাচ্ছে না। রাষ্ট্রের দিকে তাকালে, প্রতিবছর এতে কোন না কোন সরকার নির্বাচিত হচ্ছে। বিপরীতে আমরা পাচিছ নূতন নূতন প্রতিশ্রুতি। নির্বাচনের আগে সরকারের তেনারা বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেন আর পরে অতীতকে নিয়ে হামাগুড়ি দেন। এই কবরটা আমার মায়ের নামে, এই কুয়ার নামকরণ আমার বৌয়ের নামে হয়নি কেন। এইসব ক্ষমতাহীন অতীত নিয়ে মাতামাতি করে কতটুকু নিজেকে চিনতে পারা যায় বিপরীতে চেনাতে পারা যায়। অতীত আমাদের উপর শুধু বোঝা হচ্ছে এবং এই বোঝা দিন দিন ভারী হচ্ছে। কিন্তু বোঝার মধ্যে যত মূল্যবান সম্পদের স্তুপ থাকনা কেন তা নিয়ে হাটা কঠিন। বুঝতে হবে।
স্বভাবগত কাহিনীতে আমাকে কাছেদূরে টানতে পারেন। আমার কোন ক্ষেতি নাই। আমি বলতে চাই, এখন আর হেকমত স্যারের বাঘের তেল মাখানো বেতের ভয়ে 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমাকে ভালোবাসি' মুখস্ত করা বা করানোর টাইম নাই। আসুন শুদ্ধ ভাবে অনুভব করি। তাহলেই আপনাকে আমার কিছু বলতে হবে না, আমাকেও আপনার কিছু বলতে হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


