somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন
আমার লেখা আপনাদের কথার সাথে মিলবেনা এটাই সত্য। কারন কেউতো একজন থাকা চাই যে আলাদা ভাবে দুনিয়াকে দেখবে। আপনি পজিটিভ ভাবে আমার লেখা পড়লে আপনাকে স্বাগতম। আর নেগেটিভ ভাবনা নিয়ে পড়লে আমার কিছু করার নাই। ভালো চিন্তা করুন। দেশ, জাতি, আর ধর্মকে ভালোবাসুন।

তোতা পাখির মতো মুখস্থ করা কথা বললেই সবাই আপন, না বললেই রাগ করে

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যতোদিন তোমার মুখ বন্ধ তোতোদিন তুমি সবার কাছে মিষ্টি, যখন মুখ খুলবে তখনি নিমপাতা হয়ে যাবেন। এই দুনিয়াতে যে কোন ক্ষেত্রে যে কোন জায়গায় আপনি যান। তেল মারলে সবাই আপন। কারো কথা না শুনেন তেল না মারেন কেউ আপন না। কাজ করে দেন সবাই আপন। কাজ করবেন না কেউ নাই। সুপারিশ ছাড়া চাকরিও হয়না।হ্যা এখনো মেধাবীদের চাকরি হয়, তবে সেই হীরার মতো মেধাবী কি ক্লাসের ৫০জনের ৫০জন ই হয়? বাকিরা করে কিছুতো করে।

১)রাজনীতিতে আমরা দল চিনি, ব্যক্তি দেখে কয়জন ভোট দেই? আমরা ব্যক্তিকে কতটুকু জানি?কতটুকু চিনি? চিনিতে যাই না। উমুক লোক তুমুক দলের। কাজ শেষ। হয়ে গেলো।


তাই রাজনীতি করতে লোক দলের মন জয় করতে বেশি আগ্রহী। জনগনের মন কে দেখে? দলের সিনিয়র নেতার মন জয় করা, দলের প্রেসিডেন্ট, নেত্রী এসবের পিছনে যতো লম্বা লাইন দেয় জনতাকে তার ১%ও তারা দাম দেয়না। টাকা হলে নমিনেশন তোমার /টিকেট তোমার। তুমি আর কি চাও?

২)এমন কি আজকাল বড় কোন কিছু হতে গেলেই সেইখানেই সুপারিশ /তেলের বহুল ব্যবহার দেখা যায়।


৩)একটা কোম্পানিতে গিয়েছিলাম, দেখলাম অনেকেই চাকরির জন্য লাইন দিয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছে। নাম বলে লাভ নাই। যাই হোক অনেকে আমার পিতার বয়সী। মনে প্রশ্ন হল তিনি কেন? পরে জানলাম অভিজ্ঞ হলে কিছু সুবিধা আছে তো আমার এক বন্ধুও গিয়েছে। দেখলাম বিকালেই সব খবর জানিয়ে দিলো। জয়ী হল কেবল সুপারিশ।
সুপারিশ তেলের আগে সার্টিফিকেট /অভিজ্ঞতা কোন দাম নাই। তেল চাই। তেলে চলে গাড়ি, বাড়ি এখন তেলেই চলে মানুষের
জীবন।


৪)আমি ফেসবুকে কিছু ফেসবুক গ্রুপ দেখেছিলাম, তারা তাদের গ্রুপের লেখক কবিদের লেখা প্রকাশ করবে, তবে শর্ত হল সেখানে সারাদিন এক্টিব থাকতে হবে। সাবাইকে ভালো ভালো মন্তব্য করতে হবে। আমাকে জয়েন করেছিল। দেখলাম আরে ভাই একদিন গ্রুপে নজর না দিলে পাগল করে তোলে। আর মন্তব্য করা যেনো আইনগত কোন কাজ। করতেই হবে। যাইহোক তারা চায় আমি তেল মারি। আর আমার যে বন্ধুরা আছে তাদের সেই গ্রুপে জয়েন করি। হায়রে। অবশেষে আমার কোন কবিতাই তাদের ভালো লাগেনি কবিতা ভালো লাগেনি? না আমার শুকনো তেল হীন কথা কে জানে?

৫)তেল দিলে অনেকে অনেক খুশি হোন। আবার অনেকে মাথার উপর এসে লাফালাফি করে। অনেকে।মানুষকে অপমান করতে খুব পছন্দ করে । এটা মানুষের জন্মগত শিল্পকলা।

যাই হোক আমি কাউকে তেল মারতে আমার ব্যক্তিগত সময় নষ্ট করতে পারিনা। ছাত্র জীবন পড়া লেখার দরকার আছে।তাই ফেসবুক বাদ দিলাম। সপ্তাহে একবার বা দুইবার লগ ইন করি।

আমাকে একটা গ্রুপে সাহিত্য সম্পাদক করে একটা পোস্ট দিয়েছিল। সেই তেলের অভাব। তাই তারা আমার উপর খুব রাগ।
ভাই আমার ব্যক্তিগত জীবন আছে। আমার মাথায় অনেক চাপ। সংসারে বড় ছেলে হলে কি যুদ্ধ করতে হয় তারা জানে।
যারা পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছে, আমার এতো কাজ আর এতো কর্তব্য রেখে আমি ফেসবুকে, গ্রুপে, ব্লগে তেল মালিশ করে
কারো সিমপেথি অর্জন করবো আমি তেমন মানুষ না। আমার দরকার নাই তেমন সুনাম আর সিমপেথি।
কারো কাছে দয়া ভিক্ষা চাইনা। বাছতে চাই মাথা উচু করে। আমি রাজনীতি দলের নেতা নই তেল আমার।কাছে একেবারে ই নাই
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:১০
৬টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মূল্যটা খুব কম দিইনি...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২

মূল্যটা খুব কম দিইনি...

দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত- এই বিশ্বাসকে নিজের সিদ্ধান্তের ঊর্ধ্বে রেখেছি সারাজীবন। কতবার ব্যক্তিগত ইচ্ছা, সুযোগ, এমনকি ন্যায্য অভিমানও গিলে ফেলেছি। কতবার চুপ থেকেছি, শুধু এই বিশ্বাসে যে ব্যক্তির... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকাল বিবাহযোগ্য নারী-পুরুষ যে কারণে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে ভয় পায়

লিখেছেন এমএলজি, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৩৪

বছর দশেক আগের কথা। আমি তখন কানাডায় ব্যবসারত অস্ট্রেলিয়ান এক ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মে সিনিয়র স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করি। আমার এক সহকর্মী ছিলেন যার বয়স কমবেশি ৪৫ বছর। বেশ ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

গভীর রাতের যে আহ্বান পাল্টে দেয় জীবন

লিখেছেন নতুন নকিব, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:৩৬

গভীর রাতের যে আহ্বান পাল্টে দেয় জীবন

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

ভূমিকা: এক ফাঁকা রাতের গল্প

রাত গভীর হয়ে গেছে। ঘড়ির কাঁটা তিনটার ঘরে। ঘরের সবাই ঘুমে আচ্ছন্ন, পুরো বাড়িতে নিস্তব্ধতা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সীমান্তের সুলতান

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৫৬



টেকনাফ মডেল থানার ভেতরের খাস কামরা। এসি চলছে তীব্র গতিতে, কিন্তু বাতাসে এক ধরনের ভারী, ভয়ের গন্ধ। টেবিলের ওপাশে দুই হাত জোড় করে কাঁপছে এক স্থানীয় বাসিন্দা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুবা

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:১২




শ্রাবনের প্রথম দিন । এই সময়ে আকাশ তার দুই রকম চরিত্রে দেখা দেয় । পেট ভড়া মেঘ নিয়ে পশ্চিম কোন ঝুলে থেকে আবার পূবকোনে ঝলমলে সুর্যের দেখা মেলে ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×