somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এ সময়ের গল্প

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তিনটি পরিবার। দুটি পরিবার আগে কিছুদিন একসাথে ছিল। যখন একসাথে ছিল একটা পরিবার অন্য পরিবার কে সব কিছুতে নিগৃহীত করত। শোষণ এর এমন কিছু বাকি ছিলনা যে তারা করেনি। একসময় নির্যাতিত পরিবারটি প্রতিবাদ করল, তারা আলাদা হতে চাইল কিন্তু তাতে অত্যাচারের মাত্রা আরও বেড়ে গেল। শুরু হল যুদ্ধ। নির্যাতিত পরিবারটির কেউ কেউ আবার শত্রু পরিবারটিকে সমর্থন করল, তারাও নিজ পরিবার এর লোকদের নির্যাতন করল। শত্রু পরিবার এর লোকজন এ পরিবারের লোকজনদের ধরে ধরে মেরে ফেলল, মা বোনদের ধর্ষণ করল, যাতে পরিবারটি আর মাথা চারা দিয়ে উঠতে না পারে সেজন্য পরিবারের সেরা সন্তানদের মেরে ফেলল। এর মধ্যে অন্য আর একটি যে পরিবার ছিল তারা সাহায্য করল নির্যাতিত পরিবারটিকে মুক্ত হতে...
এরপর অনেকদিন কেটে গেছে..এখনও সেই নির্যাতিত পরিবারটি সেই যুদ্ধের ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে, মা বোনেরা বয়ে বেড়াচ্ছে লজ্জাকর গ্লানি...কিন্তু এই পরিবার এর কিছু সন্তান কে এসব স্পর্শ করেনা...হয়ত তাদের কেউ সেই যুদ্ধে মারা যায়নি, হয়ত তাদের মা বোন কেউ ধর্ষিত হয়নি...হয়ত তাদের মনে অন্য বিশ্বাস...
এই সময়ের মধ্যে ৩য় পরিবারটি আস্তে আস্তে বড় শক্তি হতে থাকে। পাশের পরিবার হওার কারনে তারাও এখন যখন তখন ১ম পরিবার টিকে খবরদারি করে। ইচ্ছে হল ত এই পরিবার এর লোকজন কে ধরে মেরে ফেলে, ইচ্ছেমত এদের সম্পদ লুণ্ঠন করে। এই ছোট পরিবারটির কাছে ওই পরিবারটি এখন রীতিমত আতঙ্ক।২য়, ৩য় পরিবার আবার আগে থেকেই শত্রু।
২য়, ৩য় পরিবার আগে থেকেই ভাল ক্রিকেট খেলে। ১ম পরিবারও আস্তে আস্তে তাদের সাথে পাল্লা দেয়া শুরু করছে। এখন ২য়, ৩য় যেকোনো পরিবারের খেলা হলেই ১ম পরিবারের কিছু ছেলেপেলে লাফালাফি শুরু করে দেয়, মনেহয় যেন তাদের নিজের ভাই খেলছে। কিন্তু তারা বুজতে পারেনা তারা যখন তাদের সমর্থন করছে তাদের বাবার রক্তাত্ত বুক আবার রক্তাত্ত হচ্ছে, তাদের ধর্ষিত মা বোন আবার ধর্ষিত হচ্ছে। তাদের বললে তারা বলে খেলা তো খেলাই। এর মাঝে অন্য কিছু আনার কি দরকার। তারা তো কেউ ধর্ষণ করেনি, তারা তো কেউ আমাদের কাউকে মারেনি...এ কথা যখন সেই পরিবারের নির্যাতিত লোকজন শোনে কষ্টে তাদের বুক ফেটে যায়, তারা কোন ভাবেই তাদের বুজাতে পারেনা ওরা ওই পরিবারেরই সন্তান যারা এখনও তাদের কর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেনি...তারা মুখবুজে তাদের উল্লাস দেখে...
একদিন কিছু লোক এসে যারা উল্লাস করত তাদের বাবা ভাই কে মেরে ফেলে, তাদের মা বোন কে তাদের সামনেই ধর্ষণ করে চলে যায়...
এই দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে তারা বেছে থাকে। তাদেরও সন্তান হয়। একদিন যারা তার বাবা ভাই কে মেরে ফেলছে, মা বোন কে ধর্ষণ করছে তাদের সন্তানরা খেলতে আসে। দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে বেছে থাকা লোকগুলো দেখে তাদের কিছু সন্তান সেই খুনি ধর্ষক এর সন্তানদের সমর্থনে চিৎকার করছে উল্লাস করছে। তাদের কে যখন ইতিহাস বলা হয় তারা বলে ‘’ এরা তো কিছু করেনি, খেলার মধ্যে অন্যকিছু আনছ কেন!!’’...তখন তাদের কিছু বলার থাকেনা...কষ্টে নীল হয়ে, ক্ষত বিক্ষত হয়ে এক বুক কষ্ট নিয়ে নিজের সন্তানদের উল্লাস দেখে...ভাবে সেও একসময় তার বাপ দাদার খুনিদের, মা ফুফু খালার ধর্ষকের সন্তানদের নিয়ে উল্লাস করত, এ হয়ত তারই প্রতিদান... আসলে সময় বড় নির্মম
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

উথাল কিশোর

লিখেছেন আহমেদ রুহুল আমিন, ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

উথাল কিশোর নদীর বুকে
কাঁদার বাঁধে
মাছের ঘেরে জল সেচে যায়
ভরবেলাতে,
সে কী জানে বর্ষা এলে
ঢেউ এর জলে
উথাল পাথাল নদীর বুকে
চর ফেলাতে ।

উথাল কিশোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

পিটিভির আর্কাইভে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ দেখা

লিখেছেন অর্ক, ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২৫



‘খুব ভালো জঙ্গ চলছে। একের পর এক নাপাক হিন্দু সেনা হালাক (মৃত্যু) হচ্ছে। রাজাকার আলবদরদের নিয়ে পাকিস্তানের বীর সেনা যুদ্ধ জয়ের দ্বারপ্রান্তে। দুয়েক দিনের মধ্যেই হিন্দুস্থান হাঁটু গেড়ে বসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

উপরোধের আগে

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪



একটা ক্ষণ,
ক্ষীণ, তবুও অবয়,
আমাকে হাজার বছর বাঁচিয়ে রাখবে সবুজ অটবীর আলেখ্যে,
তুমি এলে,
সেই পুরোনো মায়া হয়ে।

কতকাল পরে সম্মুক্ষে দু জোড়া চোখ?
সে প্রশ্নের প্লাবনে আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কি আধুনিক যুগের জন্য প্রস্তুত।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:২৩

২০০৯ সাল থেকে সম্ভবত সকল সরকারি কর্মচারীদের ব্যাংকে বেতন হয়। এবং এই বেতন দেওয়ার পক্রিয়া ১০০% কম্পিউটার বেইস। সরকারি কর্মচারীদের বেতন সিজিএ অফিস হ্যান্ডেল করে। আর সম্ভবত আইবিবিএএস+ সার্ভার বেতন... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫৫ বছরে কেন আরেকটা রিফাইনারি হলো না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৪৪


রাশিয়া থেকে তেল আনতে হলে আমেরিকার অনুমতি লাগবে। এই একটা বাক্য পড়লে অনেকে ভাববেন এটা কোনো রাজনৈতিক ভাষণের অংশ, কিংবা অতিরঞ্জন। কিন্তু এটা ২০২৬ সালের বাস্তবতা। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ লেগেছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×