এখনও অনেক প্রত্যয় মানুষকে তাড়িত করে।কোনও বাঁধভাঙ্গা সম্ভাবনার সান্তনায় সন্মোহিত হয়ে কিংবা নিজের পরাজয়কে দূর্বলতা ভেবে জয়ের নেশায় অনুপ্রানিত হয়ে। আর এ প্রত্যয়ের উৎস যদি ভালবাসা কেন্দ্রীক হয়,তবে তার যুক্তির বাগ্মিতা যেন আরও প্রখর। আর আমার প্রশ্ন কতটা উত্তপ্ত হলে প্রিয়জনের শীতল সান্নিধ্য আবেগে জড়ায় অনবরতভাবে?কোনও প্রেমিক যুগল কখনোই কি মৃত বাস্তবতা ছাড়া সজীব সম্ভাবনাকে কল্পনায় বাঁধতে পেরেছে কোনকালে?আমি স্পষ্ট দেখেছি কবিতা,ফুল,প্রকৃতি,সুন্দরকে নিঃস্বার্থভাবে ভালবেসেছে মানুষ।প্রেমিক-প্রেয়সীর নীরেট ভালবাসার কথনে কতটা চৈতন্য ঝাঝানো সংলাপ থাকতে পারে?আর তা কতকালইবা?আবেগের সংলাপঝুলি কি আকাশের চেয়েও বিশাল?পূর্ন জীবনের কতটা দশক প্রিয়তীর চোখের গভীরে তাকিয়ে অনায়াসে পাড়ি দিতে পারে কোন্ মহাত্মার উন্মত্ততা?আজও আমার বর্তমানের মাঝে অতীতের অন্তঃক্ষরন।ধীরে ধীরে চোখে ভাসে কবিতা,গল্প,গান,উচ্ছলতা আর একটি সম্ভাবনাবিহীন স্বপ্ন মাত্র।স্মরনেরও নিশ্চয় একটি সীমা রয়েছে?কতটা পেছনে তাকাতে পারে মানুষ?সীমাহীন অতীতে?তাহলেতো মানুষ আগামীকেও ভূলে যাবে বর্তমানের সাথে সাথে। না!আমি হেমলক পান করিনি,লিগি নদীর অঝোর সুধাও নয়,তবুও কল্পনার কথাগুলো আমাকে মাদকতায় জড়ায় কেনো?কেন গভীর স্মৃতিতে আমি বিস্মৃত হই?আমি জানি অনর্থক আমার এই জানতে চাওয়া ,কারন মানুষ যখন স্বপ্ন দেখে,তখন সে যুক্তিকে পরাজিত করে কল্পসর্গে বিস্মৃত হয়ে আর যখন সে প্রেমের দৌরাত্বতায় চিন্তাশীল হয় তখন কবিতা ও শিহরন হয় তার সঙ্গী এবং বিলাসীতা আর আগামী হয় হয় চাহিদার মাপকাঠিতে নিরঙ্কুশ বর্তমান।আর তারই পরিনতিতে আমার মতো প্রশ্নবোধক চিহ্ন জন্ম নেয়। জীবনের এই এক উপাখ্যানে কতবার যে পিছুডাক শুনে আৎকে উঠেছি?কত যে পৃথিবীকে জানান দিয়েছি আগামীতে যুগল সঙ্গী হবো আমরা দুজন তুমি বাসের জায়গা রেখো। পৃথিবী আজও স্থির আমার অঙ্গীকারে ,কেঁদেছি শুধু আমি। প্রকৃতি কথা রাখে,তাই হয়তো আমার আবেদনকে কিছুতেই সেদিনের সে পৃথিবী উপেক্ষা করেনি। প্রকৃতি তুমিই বলো কে আমার ভূবন সঙ্গী হবে?আমিতো এখন কাব্য রচিতে জানিনে,কোন স্বপ্নও। তবে কি আমি একাকীই বিয়োজিত হবো এ পৃথিবীর তন্ময় প্রান্তর থেকে?না,তা হবার নয়। কারন স্বপ্নহীনতা ও দূর্বোধ্যতার শিহরন কাটিয়ে আমি আজও আমার প্রিয় দুপুরে ইউক্যালিপটাস গাছের গোড়ায় গিয়ে বসি। অনায়াসে কাটিয়ে দিতে পারি বিনিদ্র রাত, নক্ষত্র কিংবা মেঘলা আকাশের দিকে তাকিয়ে।দয়িতার জন্য এখনও ভয়াল সুড়ঙ্গে নেমে যেতে পারি দ্বিধাদন্দ্বহীন.....
জীবন যেখানে যেমন.।.।.।
সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন
ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ
পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তর....দ্রুত বাস্তবায়ন হোক।
বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তর....
বর্তমান সচিবালয়ের আয়তনঃ ঢাকার আবদুল গনি রোড- সেগুনবাগিচায় অবস্থিত বর্তমান বাংলাদেশ সচিবালয় প্রায় ৩২ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হলেও সেখানে মাত্র ১৭ লাখ বর্গফুট যায়গায় অপরিকল্পিত ভবন নির্মিত... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!
খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?

পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ঢাকা দক্ষিণের নতুন সমীকরণ: রাজনৈতিক খেলায় ইশরাক কোথায়?
রাজনীতির মাঠে অতি-উৎসাহ কখনো কখনো যে আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াতে পারে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে, দলবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।