১৯৯৮ সালের কথা খুব বেশি মনে নাই। তখন ক্লাস টুতে পড়ি। তবে এতটুকু মনে আছে সেইবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সারা দেশ থেকে ব্যাপকভাবে সাহায্য করা হয়েছিল, প্রতিটা স্কুল কলেজ, বা যেকোন প্রতিষ্ঠান থেকে সাধ্যমত সাহায্য করা হয়েছিল।
এইবার বন্যার ভয়াবহতা কতটুকু হবে জানি না, তবে পুর্বাভাস যতটুকু জানতে পেরেছি, সেটা যথেষ্ঠ আতংকের।
বন্যা একটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এইটাকে নিয়ন্ত্রন করার ক্ষমতা এখনো মানুষের হয় নাই। তবে দুর্যোগ পরবর্তী দুর্যোগ আমরা চাইলেই মোকাবেলা করতে পারি।
যে মানুষগুলো বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত, তাদের বাসস্থান, খাবার এবং নিরাপদ পানির অভাব।
৯৮ এ যদি আমরা এইভাবে সাহায্য করতে পারি যখন যোগাযোগ ব্যাবস্থা এত উন্নত ছিলো না, তবে এখন এই সময়ে এসেও পারবো আশা করি।
ভার্সিটিতে যারা আছে, এছাড়াও যাদের সুযোগ আছে তারা যদি একটু উদ্যোগ নেয় তাহলে খুব সহজেই এই দুর্যোগ মোকাবেলা করা সম্ভব। এখন থেকেই শুকনা খাবার(বিস্কুট, চিড়া), স্যালাইন, মোমবাতি, পানি বিশুদ্ধকরন ট্যাবলেট এই জিনিষগুলা সংগ্রহ করে দ্রুত বন্যা দুর্গত এলাকায় পৌছানোর সম্পুর্ন পরিকল্পনা আগে থেকেই করে রাখলে ভালো হয়। অনেক সময়ই দেখা যায় আমরা সাহায্য করি কিন্তু সেটা অনেক দেরীতে। এবার যেন আমরা সময়মত দুর্গতদের পাশে দাড়াতে পারি।

সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ২:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



