স্ট্যাটাস
“ব্রাজিল ভালো খেলে সন্দেহ নাই। কিন্তু একজন বর্ণবাদী হিসেবে আমি তাদের সাপোর্ট করতে পারি না। প্লেয়ারগুলোকে মনে হয় অ্যামাজন থেকে উঠে আসা জন্তু”।
আমার মন্তব্য
“শুধু আপনার এই মন্তব্যের জন্য আপনার বিরূদ্ধে মামলা করা যায় আপনি সেটা স্পষ্ট জানেন। একজন আইনজীবি হয়ে এমন মানসিকতার প্রকাশে আপনার লজ্জা করলো না ? এত ট্রল দেখেছি বিভিন্ন দল নিয়ে কিন্তু এত ঘৃণিত এবং অনুভূতিতে আহত করার মত আর দেখিনি। তীব্র ঘৃণা হচ্ছে আপনার প্রতি”।

আমি প্রতিদিনই ফুটবল খেলা দেখছি এবং নির্দিষ্ট দলকে সাপোর্টও করি। কিছু লেখার কোন প্রয়োজন অনুভব করিনি। কিন্তু এখন এতটা তীব্রভাবে আহত হয়েছি এবং বিষের মত ঘৃণা ভেতরে ফুটছে যে লিখতে হল। কেমন স্ট্যাটাস বা ট্রল দেখে এই অনুভূতি হল সেটা উপরে কপিপেস্ট করলাম। সাথে আমার মন্তব্য।
আমি দারুণ বিস্মিতও হয়েছি। এটা নিছকই বিপক্ষ দলকে অপছন্দ করা বা বাজে রসিকতার প্রকাশ নয়, সুস্পষ্ট অপরাধ। যিনি লিখেছেন তিনি ভালোই জানেন এটা কেমন দণ্ডনীয় অপরাধ। তার এই মন্তব্য শুধু নির্দিষ্ট জাতিকে জন্য নয় বরং গোটা মানবজাতিকেই তীব্র অপমান করে। একজন আইনজীবী হয়ে তিনি কি করে এমন বর্বর মন্তব্য করতে পারেন আমি চরম চরমভাবে বিস্মিত। তিনি আওয়ামীলীগের একনিষ্ঠ ভক্তও। তবে কি বুঝব এদেশের বর্তমান ক্ষমতাসীনদের মানসিকতাই তাদের এক অনুসারী আইনজীবীর ফেসবুক স্ট্যাটাসে প্রকাশ পেয়েছে। যেমন কিনা এমপির ছেলে রাস্তার মানুষদের মানুষ মনে না করে কোন জন্তু মনে করে মেরে ফেলার জন্য টাকা দিয়ে আপোষ করতে চায় !! ঘৃণায়, ক্ষোভে রীতিমত আমার হাত পা কাঁপছে এই লেখা লেখার সময়। এই জঘন্য মানসিকতার লোক কিভাবে মানুষকে আইনের সেবা দেয় ? ঘাড় ধাক্কা দিয়ে তাকে কোর্ট থেকে বের করে মানব সমাজ থেকে দূরে আমাজন বনে নিয়ে ছেড়ে দেয়া উচিত।
বি.দ্রঃ- কেউ যদি জানেন আন্তর্জাতিক আদালতে কিভাবে মামলা করা যায় এবং আপনার যদি সেটা করা সম্ভব হয় তাহলে মামলা করতে অনুরোধ করছি।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




