গাজার বিশুদ্ধ পানির একমাত্র উত্সটি ক্রমেই বিষাক্ত হয়ে উঠছে। ফলে এটি আর পানযোগ্য পানির উত্স থাকছে না। সার আর মানুষের মলমূত্রের কারণেই এমনটি ঘটছে বলে সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। সেভ দ্য চিলড্রেন এবং মেডিকেল এইড ফর প্যালেস্টানিয়ানসের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, এখানে ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা পাঁচ বছরে দ্বিগুণ হয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে, ইসরাইল পাঁচ বছর ধরে গাজা অবরুদ্ধ করে রাখায় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার জন্য জরুরি যন্ত্রপাতি সেখানে প্রবেশ করতে পারছে না। তারা দাবি করে, অবরোধ সম্পূর্ণভাবে তুলে নিতে হবে। ‘অন্তরালেই ঝরে যাচ্ছে গাজার শিশুরা (গাজা’স চিলড্রেন : ফলিং বিহাইন্ড)’ শীর্ষক প্রতিবেদনে তারা বলে, গাজার পানি সরবরাহের মূল উেস উচ্চমাত্রার নাইট্রেট ও অন্যান্য দূষণকারী উপাদান পাওয়া গেছে। মানব ও অন্যান্য প্রাণীর মলমূত্র এবং কৃত্রিম সারে নাইট্রেট পাওয়া যায়। এই উপাদানটির সঙ্গে পানিবাহিত রোগ ডায়রিয়ার যোগ রয়েছে। আর যখন থেকে গাজা অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে, তখন থেকেই এই রোগটি শিশুদের মধ্যে দেখা দিয়েছে। কোনো কোনো পরিবার ব্যক্তিগত উদ্যোগে পানির ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু তারা বুঝতে পারছে না, ওই পানিও দূষিত। কেননা অধিকাংশ ক্ষেত্রে যে
স্তর থেকে তারা পানি উত্তোলন করছে, সেই স্তর থেকে দশ গুণ গভীরে বিশুদ্ধ পানির স্তর।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুন, ২০১২ সকাল ৯:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



