
শেষ ভালো যার সব ভাল তার অথবা তীরে এসে তরী ডোবা যাই বলুন না কেন কথা কিন্তু একই। বিএনপির লাগাতার জ্বালাও পোড়াও আন্দোলন বাংলার মানুষ সমর্থন করেনি।আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় টিকে গিয়েছিলো শুধুমাত্র সাধারন জনগন আওয়ামীলীগ সাপোর্ট করেছিলো বলে।
কিন্তু শেষ সময় এসে তরী ডোবা ডোবা করছে।এবং দলের নীতিনির্ধারক দের খুব একটা তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না।অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে বাংলায় শিক্ষার হার বর্তমানে বেশি।এটা সবাই মানবে।আর শিক্ষিত মানুষজনকে কনসেপ্ট ক্লিয়ার করে ধারনা না দিলে আদায় কাঁচকলা হতে বেশি সময় লাগবে না।
মাছে-ভাতে বাঙ্গালির দেশে চালের সঙ্কট এরা সহজে মেনে নেবে বলে মনে হয় না।অন্যদিকে যখন বছর দুই আগে ঢাকঢোল পিটিয়ে হাজার পঞ্চাশেক টন চাল রপ্তানি করা হয়েছে এবং দেশ প্রচুর পরিমানে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ এটা হাসিমুখে প্রচার করা হয়েছে।
চাল সঙ্কট শুরু হলো বিদ্যুৎ সংকট থেকে।যে পরিমান বিদ্যুৎ বিভ্রাট এ বছর হয়েছে, তা যেন দুঃস্বপ্নকেও হার মানিয়েছে। কেউ অস্বীকার করতে পারবে না, বাংলার মানুষ আওয়ামীলীগে ভরসা করার প্রধান দুইটি কারন ১.চাল ২.বিদ্যুৎ।
বাংলাদেশে পদত্যাগের সংস্কৃতি গড়ে উঠছেনা কেন এটা নিয়ে আমি খুব ভাবনায় আছি।জনপ্রতিনিধি গন সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন না করলে পারলে পদ ছেড়ে সরে দাড়াবেন,যোগ্য কাউকে জায়গা করে দেবেন।কিন্তু এখানে দেখা যায় উল্টো ব্যাপার।সবই মাটি কামড়ে গদি আকড়ে বসে থাকতে চায়।বাংলাদেশের রাজনৈতিক পদ যেন কড়া ছানার মধু ভেজানো রসগোল্লা!
দেশের কোন সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্হ জনপ্রতিনিধি কে চাল এবং বিদ্যুৎ এর ব্যাপারে বিশ্লেষণ ধর্মী ব্যাখ্যা দিয়ে জনগনের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে দেখলাম না বা শুনলাম না।
বিদ্যুৎ এর সমস্যা কেটে গেলেও চালের সমস্যা কাটছে না।মোটা চালের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে ৩২ টাকা(সূত্র প্রথম আলো)প্রতি কেজি সেখানে দেশের মানুষ কে কিনতে হয় ৪৫ টাকা প্রতি কেজি।
বাজার এবং মিল-গুদাম মনিটরিং এ যে সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্হ কর্মকর্তা দের যে গাফিলতি ছিল তা প্রমান হয়েছে।প্রায় সবাই সর্বোচ্চ পরিমানের চেয়ে বেশি চাল মজুদ করে রেখেছিলেন।
এমত অবস্হায় আওয়ামীলীগ কে যে আরো কৌশলী হয়ে সাধারন মানুষের আস্হা অর্জন করতে হবে এবং সেটা ভোটের আগেই এ ব্যাপারে কেউ আমার সাথে দ্বিমত পোষণ করবেন না আশা করি।
ধন্যবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


