মার্কিন রাষ্ট্রপতি বারক হোসেন ওবামার কায়রো ভাষনের পর ইসলাম, মুসলমান ও মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে মার্কিন নীতি বিষয়ে বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে।তার পূর্বসূরী বুশ জুনিয়রের বিশ্বব্যাপী আক্রমনাত্ত্বক পররাষ্টনীতির পর ওবামার ভাষণ আন্তরাষ্ট্রীয় কার্যকলাপে একটি পরিবর্তীত ধারার সুচনা করবে বলে আশা করা যায়।নতুন ধারা নয়।একটা ব্যপার অবশ্যই মনে রাখতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি প্রণীত হয় তার দেশের স্বার্থ রক্ষার জন্য, অন্যকারো উন্নতি বা স্বার্থ রক্ষা করার জন্য নয়।এটাই নীতি এবং সবদেশই তা করে। বুশের সময় নীতি প্রনেতা ও রাষ্ট্র প্রধান যখন মনে করেছিলেন pre-emptive আক্রমনই দেশের স্বার্থ রক্ষার জন্য জরুরী তখন সারা বিশ্ব জনমত যাই হোকনা কেন তারা দেশের স্বার্থে ভিন্ন দেশে আক্রমন চালাতে পিছপা হননি। কিন্তু বর্তমান প্রশাসন মনে করছে যে, শুধু শক্তি দিয়ে কোন কিছু অর্জন করা যায়।তাই তারা বর্তমানে আলোচনার কথা বলছেন।সতরাং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট রাষ্ট্রসমুহকে ও নিজেদেরই ঠিক করতে হবে কোনটি তাদের স্বাথের জন্য ইতিবাচক এবং কোনটি নেতিবাচক।ওমবা বা অন্য কোন রাষ্ট্র কি বলল বা না বলল তা খুব বেশী বিবেচ্য হওয়া উচিত নয়।মনে রাখতে হবে নিজের ভাল মন্দ নিজেকেই বুঝতে ও ঠিক করতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


