somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সানবীর খাঁন অরন্য রাইডার
আঁচলের ঘ্রাণে বিমোহিত হতে মনে প্রেম থাকা লাগে। চুলের গন্ধ নিতে দুহাত বাড়িয়ে দেয়া লাগে। হাহাকার থাকা লাগে। দুনিয়া ছারখার হওয়া লাগে। সবাই আত্মা স্পর্শ করতে পারে না।আমার সমস্ত হাহাকার ছারখারে তুমি মিশে আছো।

প্রেমপত্র-৮৬

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১২:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রিয় জুলিয়েট,
আজ কি বলব বা কি লিখব তোমাকে ঠিক বুঝতে পারছিনা। কারন বলা বা লিখার অনুভব গুলো কোথায় যেন হারিয়ে গেছে। খুজেই পাইনা। তুমি কি দেখেছো কোথাও?
আজ ও মনে আছে প্রথম দেখার সেই দিনটির কথা তবে এই দিনের সাথে আজকের কোনো মিল নেই।
জানিনা তোমাকে শেষ কবে ভুলেছিলাম,তবে এটা বলতে পারি মনে হয় এক মুহূর্ত ভুুলে থাকলে আমি খুব শান্তি পেতাম। একটা কণ্ঠ শোনার জন্য আমার মন প্রায়ই কান্না করে,একটা মুখ দেখার জন্য সবসময় ই বুকের ভেতর কিঞ্চিত ব্যথা হয় যদিও আমি প্রায়ই মুখটা কে হাসতে দেখি প্রায় স্বপ্নে কথা বলি, যদিও এর সবটাই কল্পনা তবুও তা বাস্তব অপেক্ষা সুখময়।
তবুও দুঃখ নেই অতঃপর ভালবাসিতো,ওটা থেকেই যাবে হয়তো লুপ্ত স্মৃতির আড়ালে অথবা কল্পনার জগত কে আকড়ে ধরে।
কি বোকার মতো বলি তাইনা? জানতো তুমি ছাড়া আমি ভালো নেই। জানো, আমি না বুঝতেই পারিনি কিভাবে তুমি মনে বাসা বেধেছো। তোমার সাথে মাত্র কয় দিনের পরিচয়। অন্তত একশো বছর একসাথে থাকার ইচ্ছা তোমার সাথে।আমি কিছুতেই তুমি ছাড়া ভাবছিনা আর ভাবতেও পারবো না পারলে আমাকে ক্ষমা করো।
তুমি নিয়ে আমার আমাতে আমি ভিশন ব্যস্ত। তুমি হয়ত তোমার শহরে ব্যাস্ত থাকো আমি আমার শহরে আরো হাজারো কাজের চাপে দিন যে কেমন করে কেটে যেতো বুঝতেই পারতাম না। আর এখন শুধুই তুমিময়তা, এখান আর দিন নেই রাত নেই সময়ের সীমা পেরিয়ে এখন আমি তোমাতেই ডুবে মরি।
এই জীবনে কতোগুলো বছর কাটিয়ে দিলাম অথচও এখন আমি মাথাকুটে মরি তুমিহীনা এ শহরেই। তুমি বলতে পারো তুমিহীনতায় আমি মরে যাচ্ছি। আর তাই তোমার প্রতি আমার অন্যরকম একটা ভালোবাসা কাজ করে সবসময়। শহরের মানুষগুলোর কত কি নিয়ে ভাবে আর আমি তোমার। একবার তো এমন হয়েছে তোমাকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে রাস্তার খুটির সাথে টক্কর খেয়েছি। বরাবরই আমি তুমি নিয়ে এভাবেই মেতে থাকি।আজ খুব জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হয়- তোমার জন্য যে আমার এ পৃথিবী তোলপাড় তোমাকে কি তা ছুঁয়ে যায় না?
প্রতিটা ভোর অন্য যেকোন ভোরের মত এখন আর মনে হয় না। আমার যে আর একটা সকাল তোমাকে ছাড়া দেখতে ইচ্ছে করে না । তোমাকে ছাড়া আমার থাকাটা যে এতটা কষ্টকর হয়ে যাবে তা আমি কখনই আগে বুঝতে পারিনি। যে শহরটাতে তুমি থাকো মন চায়, যে শহরটাতে তোমার উপস্থিতি তোমার চলাচল, আমার ইচ্ছে করে সেই শহরেই ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকি তোমার আশেপাশে আর নিত্যদিন আমি দেখি তোমাকে।
আমি তোমাকে ভালবাসি পাগলী। আমার শতবর্ষ বাঁচতে ইচ্ছে হয় তোমার সাথে। আমার জীবন আমার পথচলা আর আমার তুমি!আর পৃথিবীর বাদবাকি সবাইকে ফেলে চলে বাদবাকি তোমায় নিয়ে নিত্য বেঁচে থাকা যায়। আচ্ছা পাগলী, তুমি কি তা বুঝতে পারো? আজ কাল তোমায় দেখলে খুব ভয় হয়। তুমি দিন দিন সুন্দর হয়ে যাচ্ছ।তুমি অন্য কোথাও চলে গেলে আন্য কারো হলে আমি মেনে নিতেই পারব না তাইতো দৌড়ে এসে মনে হয় তোমায় জড়িয়ে ধরি। তোমাকে কতবার প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করে -কেনো এভাবে পশু জবাই করার মত নিত্য দিন নিশ্চুপ থেকে আমায় জবাই করো?আমি রক্তে ভেসে যাই কেও দেখতে পারে না। প্রতিদিন এই আমি অসংখ্যবার তোমার নামে এভাবেই খুন হই । তুমি কি আমাকে একবারও বুঝতে পারো?শত মানুষের ভিরে তোমাকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করে আর মনে হয় একবার যদি বলতে পারতাম, চোখ বন্ধ করে থাক শুধু কান পেতে শোনো আমার হৃদ স্পন্দন।মাঝে মাঝে মনে হয় দৌড়াই, জোড়ে খুব জোড়ে আরো জোড়ে দৌড়াই এক দৌড়ে তোমার শহরে চলে আসি। এত মানুষের ভিরে তোমায় গিয়ে বলতে খুব ভালবাসি।কিন্তু সে সময়ই পাই না তুমি আমাকে সে সময় দাউনা পাগলী।একবার যদি তোমার হাতটা ধরতে পারতাম শুধু একবার!!
তোমাকে কি কখনো বলেছি,যেদিন প্রথম তোমাকে বলেছি ভালবাসি সেই দিন থেকেই তোমাকে আমার বউ বউ মনে হয়। মনে হয় আসলে এখানে নয়, ওখানে আমিই দাঁড়িয়ে আছি তোমার সামনে এবং সরাসরি বলছি তোমাকে। তোমাকে, আদর করে মুখখানি ধরে আদর করে বলতে ইচ্ছে করে ভালবাসি। আমার যে তুমি ছাড়া একা একা একা লাগে তুমি ছাড়া খুন হই প্রতিদিন তোমাকে কি কখনো বলেছি সে কথা?
কিন্তু আজ বলছি,ভালবাসি। ছুটে যেতে ইচ্ছে করে এই শহর থেকে তোমার শহর থেকে। এখানে প্রতিদিন আমার রক্তাক্ত মৃতদেহ পরে থাকে রাস্তায় এখানে তুমিহীনতার মৃত্যুবান ওঁৎ পেতে থাকে পাকা শিকারীর মতো।তোমার জন্যে আমার জীবন বিপন্ন প্রায় আজ। আমি স্বার্থপর হই ভীতু হই তবু বেঁচে থাকি নিজের মাঝে তোমায় নিয়ে। আমার মতো করে তুমি আমায় একটু ভালবাসনা পাগলী। দেখলে তো যে কতবার আমি তোমাতে ডুবে জীবন বিপন্ন করেছি।বিশ্বাস করো তোমাকে ছাড়া আমি কিছুই বুঝতে পারি না বিশ্বাস করো যতদিন তুমি আমাকে ধরা না দিবে ততদিন শান্তিতে ঘুমাতে পারব না আমার শহরে।আমি চাই আমার বিশ্বাসের জয় হোক। আমি অপেক্ষায় আছি।
তুমিহীনতার কষ্ট নিয়ে আমি তোমারই আপেক্ষায় আছি। আমি তোমার সাথেই আছি তোমার খুব আশেপাশে আমি বিচরন করি। কোন বিষণ্ণ বিকেলে অনুভবের ব্যাকুলতায় মন কেমন করলে খোলা বারান্দায় সময় করে একটু বসো আমি মৃদু হাওয়া হয়ে তোমাকে ছুঁয়ে যাবো।
তোমার পাগল
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ভোর ৫:১০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=মনে রং নেই আর=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫২


মন তো ছিল গোলাপী রঙ আভায় বন্দি, মন ছিল চন্দ্র মল্লিকা,
মন আর সেই মন নেই, মনের চারিপাশে এক সমুদ্দুর কুহেলিকা;
মন যেন পাথর হয়ে আছে, নেই অফুরন্ত ফুরসত
মন গোলাপী রঙ নয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতটা নির্লজ্জ বেহায়া ভিসি সারা দুনিয়াতে নেই-- ছি:

লিখেছেন অপলক , ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০১

একটা মানুষ কতটা নির্লজ্জ হতে পারে, সেই সাথে ক্ষমতার+ টাকার+ সরকারী সুবিধাদী পাবার কাঙ্গাল হতে পারে, চুয়েটের ভিসি (Vice-Chancellor) কে না দেখলে জানতেই পারতাম না। এতদিন শুধু লোভী বলে বুবু... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ, রাজনীতিতে আতঙ্ক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫০


দেশে এখন যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা মধ্য ডানপন্থী রাজনৈতিক দলের মানুষজন । সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে আছেন প্রবীণ নেতা নিতাই চন্দ্র রায়। এই অবস্থায় শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে দেয়ালে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথের ধর্মীয় পরিচয়, গ্রাফিতিতে চুনকালি ও পলিটিক্যাল ইসলাম

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:০৪


রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন প্রগতিশীল লেখকের লেখা পড়ে আমি হতাশ ও বিস্মিত হয়েছি। তাঁদের মধ্যে একাধিকজন লিখেছেন, রবীন্দ্রনাথ হিন্দু ছিলেন না, তিনি ছিলেন ব্রাহ্ম।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথের নামে কত শত অভিযোগ

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০৫


*রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাকি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা চুরি করে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন! বাস্তবতা হলো, রবীন্দ্রনাথ যখন নোবেল পান, নজরুল তখন লেখালেখেই শুরুই করেননি। তাঁর বয়স সবে ১৪ ছিল।

প্রাপ্ত বয়সে নজরুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×