আমরা মানুষেরা জীবনের প্রারম্ভেই চিৎকার দিয়ে নিজেদের আগমন জানান দেই। তারপর আমাদের আগমন মুহুর্তে যে বা যারা যারা উপস্থিত থাকেন তারাও আগমনী বার্তা পৌছে দেয়ার কাজটি করে থাকে সুন্দর ভাবেই। জানা কথা। কিন্তু সবার জীবনেই যে তা ঘটে তা বলা যাবেনা! যে জন্য আজোও আমরা পথে প্রান্তরে বা ডাস্টবিনে মৃত শিশুর উপস্থিতির খবরাখবর পাই ও শিউরে উঠি এবং আস্তে আস্তে অভ্যস্তও হয়ে যাই। আমরা একটা বৃক্ষ নিধনের আহাজারি শুনে সমালোচনা করি এই বলে যে, মানুষের মৃত্যুতেও নাকী এতো আহাজারি শুনা যায়না। কিন্তু আমরা ভাবিনা যে, একটি বৃক্ষ একটি মাত্র পরিবারের জন্য নয়, এটি সবার জন্যই সমান হারে অক্সিজেন সরবরাহ করে থাকে। বেঁচে থাকার তাগিদেই আমরা স্বার্থপর হই, বেঁচে থাকি এবং রাস্তার পতিতারাও বেঁচে থাকে-কুকুরগুলোর মতো কিংবা মাঝে মাঝেআমুদের বস্তু হয়ে। আমাদের জীবন প্রয়োজনের তাগিদের নির্মম হয়, আমরা নিজেদের আপনজনের মৃত্যুতে কাঁদি আর শত্রুর প্রয়ানে অট্রহাসি দেই। তারপরেও আমরা নিজেদের শ্রেষ্ট মনে করে আত্নশ্লাঘা অনুভব করি আর নিজেদের মহানুভবতার ইতিহাস চর্বন করি জাবর কাটার মতো করে। ইতর প্রাণিদের মায়ের দুধে নাকী মানব সন্তানের মায়ের দুধের মাঝে থাকা কী একটা বস্তু নেই যে জন্য ইতর প্রাণিরা বুদ্ধিমত্তার অধিকারী হয়না। তবুও, জীবন জীবনই-তা জঙ্গলে বা লোকালয়ে। বেঁচে থাকার লড়াই করে সব প্রাণই।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



