১ম পর্ব
এবার আলোচনা করা যাক আরও কিছু ব্লগিয় ভাষা নিয়ে।
হা হা প গেঃ “হাসতে হাসতে পরে গেলাম” । কোন দম ফাটানো হাসির কথা শুনলেই এটি ব্যবহৃত হয়। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে এ সংক্ষিপ্ত রূপ আগে বুঝতাম না, মনে করতাম প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দেবার মত কিছু একটা হবে!!
গদামঃ কোন ব্লগারের “অতি জ্ঞ্যানী” টাইপ লেখা দেখলেই এই গদাম দেয়া হয়। বিশেষ করে ছাগু ও ভাদাদের ক্রমাগত এই গদাম দেয়া হয়। অবশ্য অনেকে গদাম খেয়েও থেমে থাকে না আরও দ্বিগুন উৎসাহে লেখা পোস্ট করে।
আমার এখনো কারও লেখায় কমেন্ট করতে পারি না, নাইলে একজনরে আচ্ছামত গদাম দিতাম। ওই শালা ছাগু, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম নিয়ে কুরুচিপূর্ণ লেখা পোস্ট করেছে, যা কিনা গাঁজাখুড়ি গল্পও হার মানবে। এই ধরনের পোস্ট করলে তাদেরকে ক্রমাগত গদামের উপর রাখা উচিত।
লুল/লুলামিঃ এই ধরনের ব্লগাররা সাধারনত কোন নারী ব্লগারদের সাইটে গিয়ে ছ্যাবলামী মার্কা কমেন্ট পোস্ট করেন।
তাদের কমেণ্ট দেখলেই মনে হয় তারা শুধু কমেন্ট করার জন্য লগইন করে। আর কমেন্ট দেখলেই মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। এদের চেনার উপায় হচ্ছে এরা লেখিকাদের ব্লগে গিয়ে “আপু, আপুনি” বলে মুখের ফেনা তুলে ফেলে।
যেমন কেউ একজন পোস্ট দিল “আজকে বাজার থেকে কেঁচকী মাছ কিনলাম”, আর তখনি শুরু হয়ে যাবে লুলদের লুলামি। ক্রমাগত কমেন্ট আসতে থাকবে, “আপু, রান্না করে খাওয়াতে হবে কিন্তু”, “আপু, তোমার এই ছোট্ট ভাইকে দাওয়াত দেবেনা”, “এত গরমের মধ্যে বাজারে যান কিভাবে আপু?”, “আপু আমি কেঁচকী মাছ রান্না শিখব”
আসলে আমার রাগের অন্যত কারন হচ্ছে আমার পরে জনৈক এক আপু!! রেজিস্টার করে স্বাগতম ম্যসেজ জানাতেই “লুল বাহিনী” কমেন্ট করার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়লো। যেখানে এই তিন সপ্তাহে আমার ব্লগ যখন মাত্র দুইজন দেখেছে সেখানে তার কমেন্ট ২০ টিরও বেশী। এখানেই আবসুস......!!
নাস্তিক (ভয়ানক জ্ঞ্যানী)- প্রকৃত নাস্তিকদের নিয়ে আমার কোন মন্তব্য নেই। আমি তাদেরকে বরং তঁদের সন্মান করি। এখন আমি বলব সামুর নব্য নাস্তিক নামধারী ব্লগারদের নিয়ে। ব্লগারদের মধ্যে এরা সবচেয়ে ভয়ানক। এরা নিজেদেরকে জ্ঞ্যান গরীমায় সক্রেটিস এর কাছাকাছি বলে মনে করে। সাধারনত প্রকৃত নাস্তিকরা কোন ধর্মকে আক্রমন করে কথা বলে না।
কিন্তু সামুর এইসব নব্য নাস্তিক মানসিক অসুস্থের মত ক্রমাগত ইসলাম ধর্মকে গালাগাল দিতে থাকে। মুহাম্মদ (সঃ) কে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করে। কেউ ইসলাম নিয়ে পোস্ট দিলে সেখানেও কটাক্ষ করে, ভাব দেখায় আমি গত জ্ঞ্যানী!!
এরা কুরআন হাদীস থেকে রেফারেন্স দেয়।মজার ব্যাপার হচ্ছে এরা কিন্তু রেফারেন্স সরাসরি কুরআন থেকে দেয়না। কিছু সস্তা বই থেকে কপিপেস্ট মারে।
আরে ব্যাটা ছাগু (নাগু) তোরা বাংলা ভাষা এবং বাংলা ব্যকরণই ঠিকমত জানিসনা আবার আরবি ভাষা থেকে অনুবাদ করিস। তোদের বুদ্ধিতো পায়ের গোড়ালীরও নীচে!!!
যাই হোক, সামুর নতুন ব্লগার হিসেবে (নতুন পাঠক নয়) আমার কিছু মনোভাব প্রকাশ করলাম!! হয়ত অনেকের ভাল লাগবেনা। এগুলো আমার একান্তই ব্যক্তিগত মতামত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

