
তখন কেবল দৃশ্যমান ছিল চিত্রপট ।
শান্ত সূর্যোদয় পেরিয়ে ঝলসে ওঠা দুপুর ,
কানামাছি খেলা বিকেল,
পূবের দিকে ডানা মেলে
মায়াময় ঘরে ফিরে আসা সন্ধ্যা,
কখনও চাঁদ -জানালায় এসে
উঁকি-ঝুঁকি, অজ্ঞাত কথোপকথন ।
অতলান্তিকে ঢেউ ছিল
আয়েশী কিংবা উন্মাতাল -
অনুকূল ভেসে থাকা ভেঙে ফেলে
বিরুদ্ধ হাওয়া কখনও কখনও ।
অপরিমেয় আকাশের সামিয়ানা
গুটিয়ে এনে শেষে
চারদেয়াল বুনে বুনে নিপুন বাবুই
নান্দনিক ঘেরাটোপে দুলেছে দোদুল ।
এইসব খাঁচা, খুঁজে খুঁজে জড়ো করা খড় ,
ইট-কাঠ- ঘর, দেয়াল, জীবিকা
সবুজ অরন্য অথবা শস্যদানা।
পাশে পাশে রঙিন পোশাকে সেজে
বিভ্রমের মত প্রেমও ছিল যেন-
একটুকরো - বহুদূর হারিয়ে ফেলা
জোনাকির আলোর মত ।
আস্তাবলের ভেঙে পড়া দরজা থেকে
উন্মুখ চোখ মেলে দেখা যাচ্ছিল বারবার
অমলিন সোনালী স্রোতধারা -
দূরবর্তী কোন এক বাঁকে
পার হয়ে যায় তেপান্তরের মাঠ -
এধার থেকে ওধারে ।
দৃশ্যমান পথের বাইরে যা আছে-
পুরোটাই গভীর অন্ধকার ।
এমনকি জেগে থাকা -
পথ হাঁটা -
গভীর অন্ধকারে ।
পরবর্তী পদক্ষেপে কি আছে
না জেনেই পা বাড়ানো -
বিশ্বাসের অনন্ত যাত্রায় ।
সম্মোহিত। স্বপ্ন যেন ।
দূরবর্তী তারার মত । অচেনা । ক্ষুদ্র ।
হয়তো বিপুল । বিক্ষুব্ধ ।
জীবন ।
একেই জীবন বলে চিনেছিল সে।
গভীর ধুঁকতে থাকা অন্ধকারে
অলৌকিক আলো এসে-
অনন্তের দিকে ভাসিয়ে নেবার আগে।
**********
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মে, ২০২২ বিকাল ৫:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




