মানুষ বিভ্রান্ত হয়;
বিভ্রান্তির বীজ সেই মানব সৃষ্টির সময় থেকেই
প্রচন্ড রকম বিদূষী এক শত্রু তার মেধার ষোল আনা নিয়ে পিছু লেগেছে মানুষকে ব্যর্থ
করতে হবে — দৃপ্ত শপথ তার।
যে মানুষের কারণে সে অভিশপ্ত হয়েছে তার বিনাশসাধণ একান্ত কর্তব্য তার।
যে কোন উপায়ে ক্ষতিসাধণ করা তাকে বিজয়ের আনন্দ দান করে।
যে পাপ কাজে লিপ্ত তাকে অধিতর পাপে নিয়োজিত করতে সদাব্যস্ত তার
চেলা চামুন্ডোরা।
তার রয়েছে সুস্পষ্ট নীতিমালা ;
মন্দলোককে মন্দ কাজে প্রেরণা দেয়া ,
ভালোদেরকে মন্দকাজে নিয়োজিত করতে না পারলেও অন্তত ভালকাজ করা থেকে বিরত
রাখা অথবা অধিকতর ভাল কাজ থেকে সরিয়ে কম ভালতে নিয়োজিত করা।
বদসুরতের পাশাপাশি নেকসুরতেও সে ধোকা দিয়ে থাকে ;
তার সত্তর হাজার প্রকার ধোকার মধ্যে মাত্র দশহাজার বদসুরতে দেয়া
বাকী ষাট হাজার নেক সুরতে ।
যে সাধক সমাজের হিতৈষী তার মধ্যে খ্যাতির নেশা কিংবা আত্নগরিমা ঢুকিয়ে দেয়
সুকৌশলে,
তাই মানব হিতৈষীর প্রতি অনুরোধ,
যিনি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্তে জনসেবা করবেন তার জন্যে রয়েছে অফুরন্ত কল্যাণ
দুই জাহানের— তাতে মানব সমাজের প্রভুত কল্যাণ সাধন হবে ।
যিনি অন্য কোন মোহে করবেন তাতে আপাত কল্যাণ পরিলক্ষিত হলেও মানবের জন্য
তা অকল্যাণ ডেকে আনবে বৃহৎপরিসরে ।
যেহেতু প্রকৃত করণেওয়ালা শুধু মাত্র মহান স্রষ্টা ;
তাই মনকে যাচাই করতে হয় সেবাকর্মের শুরুতে , মাঝে এবং শেষে।
তা না হলে ত্রাণকার্য শেষে দাঁড়িয়ে মূত্র বিসর্জন দেয়ার মত তথাকথিত পুরুষত্ব প্রদর্শনের
বিষয়টি মূখ্য হয়ে দাঁড়ায় ।
সেটি সুসভ্যতার পরিচায়ক নয় মোটেই ।
কাজেই সাধু সাবধান ।
সুপ্রিয় মৃদুল শ্রাবণের উপস্থানায় কবিতাটি এমন
মানুষ বিভ্রান্ত হয়; বিভ্রান্তির বীজ সেই মানব সৃষ্টির সময় থেকেই। প্রচন্ড রকম বিদূষী এক শত্রু তার মেধার ষোল আনা নিয়ে পিছু লেগেছে মানুষকে ব্যর্থ করতে হবে — দৃপ্ত শপথ তার। যে মানুষের কারণে সে অভিশপ্ত হয়েছে তার বিনাশসাধণ একান্ত কর্তব্য তার। যে কোন উপায়ে ক্ষতিসাধণ করা তাকে বিজয়ের আনন্দ দান করে। যে পাপ কাজে লিপ্ত তাকে অধিতর পাপে নিয়োজিত করতে সদাব্যস্ত তার চেলা চামুন্ডোরা।
তার রয়েছে সুস্পষ্ট নীতিমালাঃ
১) মন্দলোককে মন্দ কাজে প্রেরণা দেয়া
২) ভালোদেরকে মন্দকাজে নিয়োজিত করতে না পারলেও অন্তত ভালকাজ করা থেকে বিরত রাখা অথবা অধিকতর ভাল কাজ থেকে সরিয়ে কম ভালতে নিয়োজিত করা।
বদসুরতের পাশাপাশি নেকসুরতেও সে ধোকা দিয়ে থাকে। তার সত্তর হাজার প্রকার ধোকার মধ্যে মাত্র দশহাজার বদসুরতে দেয়া, বাকী ষাট হাজার নেক সুরতে।যে সাধক সমাজের হিতৈষী তার মধ্যে খ্যাতির নেশা কিংবা আত্নগরিমা ঢুকিয়ে দেয় সুকৌশলে। তাই মানব হিতৈষীর প্রতি অনুরোধ,যিনি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্তে জনসেবা করবেন তার জন্যে রয়েছে অফুরন্ত কল্যাণ দুই জাহানের— তাতে মানব সমাজের প্রভুত কল্যাণ সাধন হবে। যিনি অন্য কোন মোহে করবেন তাতে আপাত কল্যাণ পরিলক্ষিত হলেও মানবের জন্য তা অকল্যাণ ডেকে আনবে বৃহৎপরিসরে। যেহেতু প্রকৃত করণেওয়ালা শুধু মাত্র মহান স্রষ্টা ;তাই মনকে যাচাই করতে হয় সেবাকর্মের শুরুতে , মাঝে এবং শেষে। তা না হলে ত্রাণকার্য শেষে দাঁড়িয়ে মূত্র বিসর্জন দেয়ার মত তথাকথিত পুরুষত্ব প্রদর্শনের
বিষয়টি মূখ্য হয়ে দাঁড়ায়। সেটি সুসভ্যতার পরিচায়ক নয় মোটেই।
কাজেই সাধু সাবধান ।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




