একটি হত্যাকে কেন্দ্র করে কি হয় আজকাল?
একটি হত্যা হয়ে ওঠে রাজনীতির বড় হাতিয়ার ।
সেদিকে কেন্দ্র করে কাদা ছোড়াছুড়ি ভীষণ দরকার!
হত্যার বিচার হয়না আর।
এখনো হয়নি সাগর- রুনি হত্যার বিচার!
অভিজিতও মরে গেলেন সন্ত্রাসীদের নির্মম আঘাতে।
সেটি নিয়েও সাগর-রুনির মত লিখা হবে বিস্তর ।
অনেক পানি ঘোলা হবে ।
বয়ে যাবে চায়ের টেবিলে ঝড় ।
আস্তিক নাস্তিক বিতর্ক হবে ।
হবে বিষোাদগার ।
পুলিশি তদন্তে থলের বিড়াল ঠিকই বেড়িয়ে পরবে।
সেটির গায়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিত কোন রঙ পরবে।(অসম্ভব নয়)
সেই রঙ নিয়েও পক্ষ বিপক্ষ হবে ।
এভাবেই চলবে বছরের পর বছর ।
এটি পণ্য হয়ে ওঠতে পারে হয়ে উঠতে পারে রাজনৈতিক হাতিয়ার ।
এটা মৌলবাদী চক্রের জিহাদ নাকি মুজিববাদী মসনদের ষড়যন্ত্র?
সবকিছুর সম্ভাব্যতার হবে পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার ।
এভাবেই চলতে থাকবে ।
শুধু ফিরে আসবে না অভিজিত ।
আর তার স্ত্রী হয়তো বেঁচে থাকবেন কাটা হাত নিয়ে কিংবা বিধবা বেশে ।
যখন গোড়ামীর মাত্রা সীমা ছেড়ে যায় তখন এমনটি হতে থাকে।
হত্যা রাহাজানি গুম ,
কখনো বা হারিয়ে যাবে নারীর সম্ভ্রম ।
কারন মনুষত্ব মরে গেছে ।
ব্যবধান বেড়েছে মানুষে মানুষে।
প্রতিপক্ষকে মেরে ফেলা হয়ে গেছে নগন্য ব্যাপার ।
কারণ এখন আর মানুষটি নই আমরা ।
আমরা আস্তিক—নাস্তিক, নৌকা— দাড়িপাল্লা হয়ে গেছি।
বৈঠা আর কাস্তে হয়ে গেছি ।
প্রকটভাবে ডান বাম হয়ে গেছি ।
হয়তো অদূর ভবিষ্যতে ডানে বামে বিয়ে হবে না আর।
অতীতের ক্রুসেডের মত যদ্ধ চলবে যুগ যুগ ধরে বংশ পরম্পরায় ।
আরেকটি লোহিত সাগর হবে মানুষের রক্তে ।
শিয়াল শকুনের চরিত্র নিয়ে মানুষের অববয় দিয়ে চলবে নৃশংসতা ।
তখনকার কবিতায় প্রেম ভালবাসা থাকবে না থাকবে বলাৎকার।
শুধু আবর্জনা খেয়ে খেয়ে তথাকথিত বু্দ্ধিজীবি জীবন ।
মানুষে মানুষে সম্পর্ক নেই কোন রয়ে গেছে জিঘাংসা আর চরিত্র হনন।
আমাদের মত ,
গুটি কয়েক মানুষ হত্যাকান্ডের বিচার চাইবে।
শুধু দোষী ব্যাক্তিদের বিচার ।
এতটুকু বেশ জানি হত্যার শাস্তি মৃত্যুদন্ড ।
আর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিতে থেমে যেতে পারে শিয়াল শকুনের প্রলয় নৃত্য ।
তবে বিচার হতে হবে সুষ্ঠু পক্ষপাতহীন বিচার ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


