আমাদের মসজিদের কেবলা ভুল ছিল । প্রায় ৩০ডিগ্রী মতন কোনে সরে গিয়েছে কেবলা। এতদিন ধরে মুসল্লীরা ভুল কেবলায় নামায পড়ছেন ।পরে কম্পাস নিয়ে পরীক্ষা করতে গিয়ে এই ভুল ধরা পরে ।কয়েকদিন আগে এটি ধরা পরেছে । নামাযের লাইন গুলো এখন মসজিদের সঙ্গে কোনাকুনি অবস্থায় আছে। পুরো এলাকার মুসল্লীরা এখন কেবলা ঠিক করে নিচ্ছেন কম্পাস দিয়ে মেপে। ছোট বেলায় এক বুদ্ধিমতী বালিকার গল্পে পড়েছিলাম কিভাবে সে বুদ্ধি করে মসজিদের কেবলা দেখিয়ে এক আগন্তুককে সঠিক দিক বের করেছিল । এত বড় একটা মসজিদের কেবলাতেই যখন ভুল তখন এই ফর্মূলা কতটুকু কাজে দিবে । এখনকার বুদ্ধিমানেরা বোধ হয় কেবলা ঠিক আছে কি না সেটা জানার জন্য কম্পাস নিয়ে ঘুরবে ।নামাযের ১৩টি ফরযের একটি ফরয হলো কেবলামুখী হওয়া ।ফরয আদায় না হলে নামায হবে না এটাই স্বাভাবিক ।মসজিদে জুমার নামায পড়তে গেলাম । এক ভদ্রলোক তার আট বছরের শিশুকে কিছুতেই মসজিদের বর্তমান লাইনে আনতে পারছিলেন না । প্রথমে সে বলছিল বাবা পঁচা । বাঁকা হয়ে দাড়াতে বলে । পরে আমরা কয়েকজন তাকে বুঝাতে গেলে সে ক্ষেপেই গেল । বলে ওঠলো ধূর এ্ই মসজিদই ভালনা শুধু বাঁকা হয়ে দাড়তে হয় । তার কান্ড দেখে বাকীরা হাসলেও সে খারাপ বলেনি । আসলে মসজিদ কমিটিই ভাল না ।যারা এর ডিজাইনের সঙ্গে জড়িত তারা একটা মসজিদ ডিজাইন করতে গিয়ে এতবড় নির্বুদ্ধিতা করে কিভাবে ? এরা কি সচেতন নাকি অচেতন ।
শিক্ষিত নাকি মূর্খ ? মালয়েশিয়াতে একজন আফগান জিহাদিমনা সহপাঠী জুটেছিল কপালে যিনি কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার। তার কাছে ধর্ম মানে জিহাদ করা ।ইসলামের শত্রুদের মেরে ফেলা । তবে তাকে গুরুত্বের সঙ্গে নামাজ পড়তে দেখিনি ।এরকম জিহাদিরা মানুষজন হত্যাকে বড় কাজ বলে জানে । তাদের আমলের দরকার নেই । নামায না পড়া যে মানুষকে ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে দেয় এসব ভাবার সময় নেই তাদের । বড় ধরণের পাপকে তারা সামন্যই মনে করেন । যাই হোক সবাই যার যার মসজিদের কেবলা যাচাই করে নিতে পারেন । নামাজের বাইরের সাত ফরযের একটি ফরয হলো কেবলামুখী হওয়া ।সেটি ঠিক না থাকলে নামায হবে না ।দ্বীনের জন্য নামায তেমন শরীরের জন্য মাথা যেমন ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


