তারাবীর প্রার্থনায় রমযানের প্রথম রাতে
উছলে পড়া ভীড় থাকে প্রার্থনার প্রাঙ্গনে
থাকেনা সেথা যেন জায়গা এক তিল পরিমান
ঠাসাঠাসি চাপাচাপিতে প্রার্থনার কষ্ট পাহাড় সমান।
তারপর কি যে হয়!
নামাযী সব কমতে থাকে
কী এমন ব্যস্ততা নামাযীদের দূরে রাখে?
সারাদিন না খেয়ে তারা কি হয়ে যায় অক্ষম?
এমিনটিতো অনুচিৎ কখখোনো হবার নয়
তারা তো ব্যস্ত সদা কেনাকাটা আর কঠিন পরিশ্রমে ।
ইফতার আয়োজনে দৌড়ঝাপের শেষ নেই
ঈদের কেনাকাটায় অভাগার দল অর্থ শ্রম সব দেয়।
রমযানের একমাস সিয়াম সাধনায়
স্রষ্টার ক্ষমার্জন করতে পারে বিশ্বাসী সব বান্দায়
তারপরও কিসের ঘোরে এত বড় ভুল হয়!!
আখেরাতের জীবন অসীম যার শুরু আছে শেষ নাই
এতসব জানার পরও মানুষে কেন নফসের প্ররোচনায় ।
আখেরাত বাদ দিয়ে তাদের ব্রত নশ্বর পৃথিবীর উপসনায়।
প্রতিদিনে পাঁচবার প্রার্থনা আবশ্যক বিশ্বাসী বান্দার
মসজিদ প্রাঙ্গনে জামাতে পালন আবশ্যক পন্থা সেই প্রার্থনার
মহান স্রষ্টার বড় হুকুম আর এত ফযিলত জানার পরেও
বিশ্বাসীরা কেন মানে না তার স্বর-এ- আ স্বর-এ- অ !
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুন, ২০১৬ রাত ১:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



