
হীরা ফেলে কাচের টুকরো মাথায় তুলে নিলেই
হয় কি তা— তোমার মেঘবরণ কেশে খোঁপার কাঁটা
যেতে পারে মাথা কেটে— তাতে
রক্তনদী বইতে পারে হৃদয়ফেটে
কেউ কী তার রাখে খবর?
. কী দরকার ওসব করে?
রাজার রানি—চাকরানি কেন হবে ভিন্নগ্রহে?
রাজাতো ভিখেরি সেজেছে প্রেমের টানে
আর কিছু নয়—বিনি সুতোয়
গাঁথবে মালা সেই প্রতীক্ষায় .
—হৃদয়রানির ফুলদানি
থাকবে ভরে দুধসাদা ফুল-মধু মাখা
প্রতীক্ষার একেকটি পালক কী বলেনি তা?
কীসের এত শূণ্যতা?
সর্বনাশা পদ্মা যদি বিরহ নদী— বর্ষা এলে
উছলিয়া ওঠে আনন্দজলে—ধরায় ভাঙন
সিঁদুরে মেঘ আকাশ থেকে যদি রাঙায় চোখ
শুধুই অকারণ করে বারণ কেউ কী শুনে
সেসব কথা? অবজ্ঞার লেশটুকু নেই গায়ে তোমার
আমার ভালোবাসার প্লাবন-জলে গেছে ভেসে তা।
কাচ ফেলে এই হীরাটি নাওগো তুলে
অতীত ব্যথা গ্লানি ভুলে
কেবল হীরের মুকুটই পায়গো শোভা প্রিয়ংবদা
— মাথায় তোমার
. ভালোবাসার ছোট্ট ঘরে—. ছোট্ট পাখি
ভালোবাসার জিয়নকাঠি—নাও আদরে..
চন্দ্রগ্রহণ হলেই কি আর হয়গো শেষ
—চাঁদের কিরণ? ভরা পূর্ণিমা রাতে রুপালি আলোর জোয়ার
তুমি কী দেখনি কভু—সময় হলে ঠিকই ওঠে?
উচ্ছাসে উছলিয়া ওঠে—কখন দিবে গো অনুমোদন?
ভালোবাসার ছোট্ট ঘরে..
তুমি হাসলেই পূর্ণিমা চাঁদ শশীর কিরণ আলোকচ্ছটা
অমবস্যার আঁধার ঠেলে আকাশটাতে—এখন না হয়
কাব্য সুধা কর হে পান—ভালোবাসার অনুরাগে...
সুচিস্মিতা বাঁকা লেখা
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১০:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



