গতরাতে ছিলাম আমি বসে
আরাম কেদারায় দক্ষিণ বারান্দায়
এলো মেলো ঝড়ো হাওয়ায় বিষন্ন মনে
ভাবছিলাম লিখবো না আর
একটি কবিতাও, কি লাভ হবে ওসব লিখে
জীবনের অযাচিত হিসেব কষে?
জীবন যখন বাস্তবতার রোষানলে
জীবন যখন নিত্য শিকার
মৃত্যুর কড়াল গ্রাসে,
চিত্ত তথন তখন সুদূর পরাহত
যদি না থাকে কোনমানবতা,
যদি নিবেদিত না হয় কেহ
মানবের কল্যাণে!
তবে কী হবে বলে কবিতা লিখে?
এমন সময় তীব্র আলোর ঝলকানি,
ঠিক যেন আমার মাথার মাঝ বরাবর
উত্তর দক্ষিণে সরল রেখায়
আমার বাড়ির ছাদে
আকাশ যেন ক্ষোভেই ফেটে পড়ে!
কে জানে হয়তো তখন তুমি আকাশ দেখনি
উত্তর দক্ষিণে সেই আলোর ঝলকানি,
তাই হয়তো তোমার চোখেই পড়েনি..
প্রচণ্ড নিনাদে আকাশ যেন সাক্ষ্য দিয়েছে
তোমার আমার প্রেম রূপ কথা নয় সত্য কাহিনী
তুমি কী এখন তবে রয়েছো বধির ?
শুনতে পাও না কল কল পদ ধ্বনি
জীবন নদীর!
এখনো সমূলে ধ্বংস হয়নি যে মানবতা
সর্বংসহা পৃথিবীর বুক থেকে,
এখনো কিছুটা রয়েছে বাকি অবিনশ্বর
প্রেমে, এখনো অাছে গো অবশেষ ।
আমি যদি বলি লয় হবে না এখনি পৃথিবী
ইউরোপের বৃদ্ধরা যখন চিকিৎসা না নিয়ে
সুযোগ করে দেয় টগবগে যুবক যুবতীর
করোনা চিকিৎসার নিজের জীবন উৎসর্গ করে
এখনও রাখছে নজির মানবতার,
প্রধানমন্ত্রীর পদটি ছেড়ে
পুরোনো পেশা চিকিৎসাতে দৃষ্টান্ত এখনো আছে
এমনো আছে ভিক্ষা বৃত্তির
সকল টাকা অকাতরে বিলিয়ে হয়েছেন ত্রাতা কতো চিকিৎসক
দুনিয়া জুড়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করে
করছে তারা মানব সেবা এখনো আছে মানবতা
এখনো তাই ডেকে ওঠি
ওগো মোর সোনাপাখি,
তোমার আমার পই পই প্রেম
অপ্রগলভ এক ভালোবাসা
পানকৌড়ির মত আমি তাতে ডুবে থাকি
তোমায় আমি আজও তাইতো ডাকি
কবিতা লিখে লিখে উদাত্ত আহ্বানে ঘৃণা ছেড়ে প্রেমের দিকে।
ভোট নয় ত্রাণ নয় তুমি করেছো এই মনটা চুরি
অবহেলে টাকা কড়ি
সেই চুরির অপরাধে শাস্তি কি
শুধু জানি কিছু শাস্তি অবশ্যম্ভাবী
পেতে হবেই যেমন করে পেল মজিদ
বঙ্গবন্ধুর খুনি ফাঁসি কাষ্ঠে ঝুলে
তোমারও অদৃষ্ট জানি লেখা আছে
আমার করে তোমার অমূল্য করখানি করে সমর্পন আমি তুমি কপোত-কপোতী কালবৈশাখী এই ঝড়ে
তাই তোমার কথাই মনে পড়ে।
বজ্রপাত যেন স্রষ্টার অভিসম্পাত
তোমার নিরবতায় প্রকৃতি উঠেছেন জেগে
সুতীব্র প্রতিবাদে অযাচিত তাণ্ডবে বজ্রনিনাদে,
তুমি যেন এখনই বলে দাও
তুমি যেন শুধু আমার হয়ে যাও
প্রেমের অনুরাগে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




