আবেগী মন।
এতটা আবেগে কেন ভিজে মন?
কি অকারণ
ঘুমহীন রাত কাটে
কবিতার খাতায়, গল্পের বইয়ে!
কি বুঝে মন
এত সুখের ঢেউ
অবেলায় হাত বাড়িয়ে ডাকে কাছাকাছি!
ভুলগুলি কেন জানি
আজ লাগছে অচেনার মত
হিসাবে বড় বেশি এলোমেলো সব
কি আঁকি? কি লিখি?
কিসের এত তাড়া?
সময়! এ এক যন্ত্রণার মেশিন
আসে-যায় মাঝে রাখে বিস্তর ব্যবধান।
উঁকি দেওয়া স্বপ্নগুলো
আজ রাতে পরেছে মেহেদী
জোনাকিরা সাঁজে সাঁজে তুঁলির পরশ দিয়েছে চারিদিক
তাঁরারা মেলা বসাতে করিনি ভুল
এক ফালি শরতের চাঁদ
রাঙিয়ে তুলেছে ভূবন।
অল্প একটু সময়, দুই লাইনের কিছু শব্দ
অথচ, কত আয়োজন!
মনে হয় পাড়ি দিতে হবে সহস্র দিগন্ত পাহাড়
সাধ্য যে এক কবিতার নেই
ভাবা হয়নি কখনো,
অযথা চিন্তার মৃত্যু নিয়ে কত আঁকাআঁকি
বেলার দিকে ছিল না নজর
ক্লান্তি যখন বেশি করেছে ভর
হল হুশ! চারিদিক তখন অনিশ্চয়তা অন্ধকার
পৃথিবী চলছে আপন গতিতে
আমি শুধু থেমে গেছি, অনন্ত এক জগতের অপেক্ষায়।
রাত জাগা পাখি
রাত এখন বেশ গভীর
ঘুমিয়ে পড়েছে পৃথিবীর কোলাহল
শুধু জেগে আছে রাত জাগা পাখিরা সাথে
আমি। নিরব পৃথিবী দেখা বেশ রোমাঞ্চকর।
হাতে এক কাপ কফি অল্প চিনি দিয়ে
অল্প চিনিতে কফির ফ্লেভার সতেজ থাকে,
হালকা করে একটু চুমুক দিয়ে আকাশগঙ্গা দেখতেই
সহস্র শব্দ ভিড় করে এসে
এই সভ্যতার সাথে বেমানান অনেক শব্দ খেলা করে
কবিতা হতে চায়, গল্পের প্লটে লুকিয়ে থাকতে চায়
কি অদ্ভুত বায়না!
আমি সভ্যতার সন্তান তাই রাতের সব শব্দ দিয়ে
পৃথিবীর আলো জ্বালাতে চাই না
তবে ঐ সব শব্দ আমাকে ব্যাকুল করে না বললে মিছে বলা হবে,
ওরা আমাকে ভীষণ করে আবেগী করে তুলে
রঙিন স্বপ্নের সাগরে সাঁতরাই
ফুল তুলি, মালা গেঁথে রাখি
কারোর অপেক্ষায়।
সব শব্দ আমাকে ব্যাকুল করে তেমন নয়, কিছু শব্দ-
প্রচন্ড কাঁদায়।
স্বপ্ন হারানোর ভয় আমাকে ভীষণ করে ধরে
সবে রঙিন যাত্রার প্রস্তুতি,
এখনই কেন বিচ্ছেদের ভাবনা নিয়ে জোরাজুরি
এ কেমন নীতি
আগে-পরে নেই, ডাক এলেই খেলার সমাপ্তি
হোক খেলার শুরু-মাঝপথ বা শেষ।
হাতে মিনিট দশেক সময় আছে আর
এরপর ভোরের আয়োজন নিবে ধরা
একি! শব্দরা সব লুকিয়ে গেল নাকি!
চশমাটা নেই বুঝি চোখে, আছে তো দেখছি, তবে?
রাতের আয়োজন বুঝি শেষ
ভোরের সময় এখন, আমার অধিকার আর নেই।
আমি নিশাচর,
আর একটি রাতের অপেক্ষায়।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জুলাই, ২০১৯ রাত ১১:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




