
হোমি চিকিৎসায় একটা প্রবাদ আছে- যদি রোগের লক্ষন ঠিকমত ধরে ঠিক ঔষধ দেওয়া যায় তাহলে রোগ ধীরে কমে ঠিকই কিন্তু নির্মূল নিশ্চিত। শেখ হাসিনা বর্তমান মেয়াদে হোমিও পদ্ধতিতে বিরুধীদল দমন করছে। চলুন দেখি শেখ হাসিনার রোগ নির্নয় ও তার কার্যকারী মহাঔষধ।
৫ই জানুয়ারী খালেদা জিয়া যখন আনলিমিটেড অবরোধ ডাকলেন, মাঠে নামল বি,এন,পি-জামায়াত সমর্থকরা, ভাংচুর আগুন যখন শুরু হল সাথে সাথে শেখ হাসিনা ব্যাবস্থা নিলেন না বরং আগুন আরো উস্কে দিলেন নিজের লোক দিয়ে, আন্দোলন যখন ঝিমিয়ে তখন শেখ হাসিনার খেল দেখল বিরূধীদল, দমন কাকে বলে। শেখ হাসিনার লাভ- দেশের মানুষের কাছে বি,এন,পি-জামায়াতকে আগুন সন্ত্রাস প্রমান করল, সাথে দমন করার ইস্যু পেল ভালভাবে।
শেখ হাসিনা দেখল শুধু দমনে কিছু করা যাবে না, তখন শুরু করল বিরুধীদলের তৃর্ণমূলের গছানো সংসার তছনছ করা, এখানে পদ্ধদি ব্যবহার করল দুইভাবে- টাকা, ভয়। বাংলায় একটা প্রবাদ আছে-টাকা দেখলে নাকি কাঠের পুতুল হা করে, বি,এন,পি-জামায়াতের অসংখ্যা তৃর্নমূল নেতা হা করল, শেখ হাসিনা টাকা ঢুকিয়ে দিলেন, মুখ বন্ধ, খুললেও হাসিনার গুনগান। আর যারা টাকায় জব্দ হল না তাদের চিকিৎসা হল ভয়ে, ব্যাবসা প্রতিষ্টানে তালা, গুমের হুমকি, বাঁচতে চাইলে, ব্যাবসা চাইলে-গান বললাতে হবে-অনেকে বদলিয়েও গেলেন। বাকি যাদের এসব চিকিৎসায় কাজ হয়নি তাদের রাতে বাসায় ঘুম হারাম।
শেখ হাসিনার বর্তমান মেয়াদ আইনে বৈধ হলেও বাস্তব দৃষ্ঠিকোণে অবৈধ, তাই শেখ হাসিনা কেনভাবেই কাওকে মাঠে দাঁড়াতে দিবে না, কারন সে নিজেই জানে তাঁর গদি খুবই নড়বড়ে যে কোন সময় হাতছাড়া হতে পারে, তাই সে নিজের কাছের মানুষকেও সন্দেহ করে যেমন-প্রধান বিচারপতি সিনহা।
তবে যদি কখনও শেখ হাসিনা ক্ষমতা হারায় আর তাঁর দলের উপর যদি এই চিকিৎসা চলে সে দিন সে কিভাবে সামাল দেয়- বেঁচে থাকলে হয়তো দেখতে পারব তবে আমার মনে হয় খালেদা জিয়ার চাইতে তাকে কঠিন মূল্য দিতে হবে কারণ গুম কে তিনি দমনের হাতিয়ার বানিয়ে রেখে যাচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


