
ছবি-প্রথম আলো।
৫ই মে শাপলা চত্বরে হেজাফত অবস্থান নিয়েছিল মূলত একটি দাবিতে তা হল সংবিধানে "আল্লাহ উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন" শব্দগুলি
পুনরায় সংযোজন। সাথে ছিল বেশ কিছু দাবি।
সেই দাবিতো আওয়ামলীগ মানে নাই বরং ইচ্ছে মত পিটিয়ে তারপর তাদের খেদিয়েছে। সাথে বোনাস হিসাবে পেয়েছিল হেফাজতের আমির আল্লামা শফির উপাধি- "তেঁতুল হুজুর"
পাঁচ বছর পর সেই হেফাজত আমির আল্লামা শফি তাদের সেই পেদানো বন্ধুদের নেত্রীকে দিলেন বিখ্যাত এক উপাধি- "কওমী জননী" অবশ্য বিনিময় হিসাবে তাঁরা পেয়েছে কিছুটা মূলা। এই মূলা তাদের কোন কালে কাজে আসবে বলে আমার মনে হয় না। না পড়ে শুধু সমমর্যদা দিয়ে কি কাজে লাগবে আল্লাহ মালুম।
এখন আল্লামা শফি গংকে প্রশ্ন করতে মন চায়- প্রধানমন্ত্রী কি আপনাদের মূল দাবি- "আল্লাহ উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন" সাংবিধানে সংযোজন করেছে? যদি না করে থাকে তাহলে এত সহজে পেদানীর কথা ভুলে গেলেন কিভাবে? নাকি হাতে কিছু মাল-পানি ধরিয়ে দিয়েছে?
আওয়ামী বন্ধুদের কাছে জানতে মন চায়- "তেঁতুল হুজুর" হঠাৎ কেমনে মিষ্টি হুজুর হয়ে গেল? ভোটের জন্য নাকি? তবে লীগের বন্ধুদের একটি বিষয় মনে রাখা উচিত হুজুরদের সিল নেীকা মার্কায় পড়ার সম্ভবনা খুবই ক্ষীণ।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



