somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার পথ চলায় আমি একা নই,আছে ঈশ্বর, আছে আমার মাতা,আছো তোমরা.....

০৮ ই জুন, ২০১৪ দুপুর ১:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তখনও মায়ের কোল ছাড়িনি। দিনের সিংভাগ কেটে যেত মায়ের আঁচল ধরে ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে । সেই মায়ের কাছে অসংখ্য জেদ করে বিন্দুমাত্র পূরন হয়নি আমার। মা আমার দশ ভাই বোনের সামান্য চাওয়া না মেটাতে পাবার ব্যাথায় রাতের গভীরে অনেক কেঁদেছে । আমি তখনও বুঝতে পারিনি সেই কান্নার গভীরে কত কষ্ট । সত্যি কথা বলতে কি আমার না পাবার এই জীবনটায় নতুন একটা বই নিয়ে স্কুলে যাওয়া হয়ে ওঠেনি। পিতার সীমাহীন উদাসীনতা আর অভাবের করাল গ্রাস দশ বারোটি জীবনকে করে তুলেছিল তিক্ততর । কিন্তু দমে যায় নি কেউ। আমার গর্ভধারিণীর ভালবাসা আর দোয়া আমাকে বানিয়েছে যুদ্ধক্ষেত্রের সেনাপতি। দিনে ২৬ কি মি সাইকেল চালিয়ে কলেজ জীবন পেরিয়েছি। সাইকেল চালানোয় পেছনের লাল দাগ গুলো এখনও অবিকৃত আছে। সর্বোচ্চ সফলতা নিয়ে কলেজ জীবনের সমাপ্তি ঘটে। পাড়ি জমাই ঢাকায় । সোফার উচুনিচু ঘুম আর ভাবির বিমাতাসুলভ আচরণ ছেড়ে দে মা কেন্দে বাচিঁর সাথে পরিচয় ঘটিয়ে দেয়। অবশেষে ঝড়ে বক মরে আর ফকিরের কেরামতির মতো সুযোগ পাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেদিন বাবা মায়ের সেকি উচ্ছাস। ভর্তি হতে আসি ব্যাংকিং বিভাগে। দিনটি মনে নেই তবে তা ২০০৯ সালের শুরুর দিকে । সে দিন আমার ভাল বন্ধু Muzahid Opu এর ভাই তাকে বলেছিল এই ছেলেটি তোর সাথে পড়বে? নাকে সর্দি আর কয়লার মত লিকলিকে দেহ ! তাই এমন কথা স্বাভাবিক বৈকি। ১১জানু,২০০৯ সালে হলে উঠে পড়ি। ক্লাস করা আর প্রত্যক্ষ রাজনীতি হয়ে ওঠে আমার নিত্য কাজ। সময়ের সাথে সাথে চাপ অনুভব করতে থাকি। বিদায় জানাই রাজনীতিকে। পুরোদস্তুর হয়ে উঠি একজন ছাত্র। Ahmed Juyel, Isolated kamrul, Mamun Azam এর আর্থিক সাপোর্ট নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকি। এছাড়াও Muzahid Opu, Mokhlesur Rahman ar Group Work a help আমাকে ডিগ্রী অর্জনের সক্ষম করে তোলে। এছাড়াও Tanvir Mahmud , maruf আমাকে নানাভাবে সাহায্য করে। পরবর্তীতে Nazrul islam milon, Arif,Bipasha Barua, Maimuna Akter, Simi, Shoaib, Suborno আমার জন্য ত্যাগ স্কীকার করে। এছাড়াও all frnds directly or indirectly help kore. সবার প্রতি রইলো কৃতঙ্গতা। পরের যাত্রাটা হোক পূর্ণ সফলতার...pray for me all মায়ের কোল ছাড়িনি। দিনের সিংভাগ কেটে যেত মায়ের আঁচল ধরে ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে । সেই মায়ের কাছে অসংখ্য জেদ করে বিন্দুমাত্র পূরন হয়নি আমার। মা আমার দশ ভাই বোনের সামান্য চাওয়া না মেটাতে পাবার ব্যাথায় রাতের গভীরে অনেক কেঁদেছে । আমি তখনও বুঝতে পারিনি সেই কান্নার গভীরে কত কষ্ট । সত্যি কথা বলতে কি আমার না পাবার এই জীবনটায় নতুন একটা বই নিয়ে স্কুলে যাওয়া হয়ে ওঠেনি। পিতার সীমাহীন উদাসীনতা আর অভাবের করাল গ্রাস দশ বারোটি জীবনকে করে তুলেছিল তিক্ততর । কিন্তু দমে যায় নি কেউ। আমার গর্ভধারিণীর ভালবাসা আর দোয়া আমাকে বানিয়েছে যুদ্ধক্ষেত্রের সেনাপতি। দিনে ২৬ কি মি সাইকেল চালিয়ে কলেজ জীবন পেরিয়েছি। সাইকেল চালানোয় পেছনের লাল দাগ গুলো এখনও অবিকৃত আছে। সর্বোচ্চ সফলতা নিয়ে কলেজ জীবনের সমাপ্তি ঘটে। পাড়ি জমাই ঢাকায় । সোফার উচুনিচু ঘুম আর ভাবির বিমাতাসুলভ আচরণ ছেড়ে দে মা কেন্দে বাচিঁর সাথে পরিচয় ঘটিয়ে দেয়। অবশেষে ঝড়ে বক মরে আর ফকিরের কেরামতির মতো সুযোগ পাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেদিন বাবা মায়ের সেকি উচ্ছাস। ভর্তি হতে আসি ব্যাংকিং বিভাগে। দিনটি মনে নেই তবে তা ২০০৯ সালের শুরুর দিকে । সে দিন আমার ভাল বন্ধু Muzahid Opu এর ভাই তাকে বলেছিল এই ছেলেটি তোর সাথে পড়বে? নাকে সর্দি আর কয়লার মত লিকলিকে দেহ ! তাই এমন কথা স্বাভাবিক বৈকি। ১১জানু,২০০৯ সালে হলে উঠে পড়ি। ক্লাস করা আর প্রত্যক্ষ রাজনীতি হয়ে ওঠে আমার নিত্য কাজ। সময়ের সাথে সাথে চাপ অনুভব করতে থাকি। বিদায় জানাই রাজনীতিকে। পুরোদস্তুর হয়ে উঠি একজন ছাত্র। Ahmed Juyel, Isolated kamrul, Mamun Azam এর আর্থিক সাপোর্ট নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকি। এছাড়াও Muzahid Opu, Mokhlesur Rahman ar Group Work a help আমাকে ডিগ্রী অর্জনের সক্ষম করে তোলে। এছাড়াও Tanvir Mahmud , maruf আমাকে নানাভাবে সাহায্য করে। পরবর্তীতে Nazrul islam milon, Arif,Bipasha Barua, Maimuna Akter, Simi, Shoaib, Suborno আমার জন্য ত্যাগ স্কীকার করে। এছাড়াও all frnds directly or indirectly help kore. সবার প্রতি রইলো কৃতঙ্গতা। পরের যাত্রাটা হোক পূর্ণ সফলতার...pray for me all
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মূল্যটা খুব কম দিইনি...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২

মূল্যটা খুব কম দিইনি...

দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত- এই বিশ্বাসকে নিজের সিদ্ধান্তের ঊর্ধ্বে রেখেছি সারাজীবন। কতবার ব্যক্তিগত ইচ্ছা, সুযোগ, এমনকি ন্যায্য অভিমানও গিলে ফেলেছি। কতবার চুপ থেকেছি, শুধু এই বিশ্বাসে যে ব্যক্তির... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকাল বিবাহযোগ্য নারী-পুরুষ যে কারণে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে ভয় পায়

লিখেছেন এমএলজি, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৩৪

বছর দশেক আগের কথা। আমি তখন কানাডায় ব্যবসারত অস্ট্রেলিয়ান এক ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মে সিনিয়র স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করি। আমার এক সহকর্মী ছিলেন যার বয়স কমবেশি ৪৫ বছর। বেশ ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

গভীর রাতের যে আহ্বান পাল্টে দেয় জীবন

লিখেছেন নতুন নকিব, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:৩৬

গভীর রাতের যে আহ্বান পাল্টে দেয় জীবন

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

ভূমিকা: এক ফাঁকা রাতের গল্প

রাত গভীর হয়ে গেছে। ঘড়ির কাঁটা তিনটার ঘরে। ঘরের সবাই ঘুমে আচ্ছন্ন, পুরো বাড়িতে নিস্তব্ধতা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সীমান্তের সুলতান

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৫৬



টেকনাফ মডেল থানার ভেতরের খাস কামরা। এসি চলছে তীব্র গতিতে, কিন্তু বাতাসে এক ধরনের ভারী, ভয়ের গন্ধ। টেবিলের ওপাশে দুই হাত জোড় করে কাঁপছে এক স্থানীয় বাসিন্দা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুবা

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:১২




শ্রাবনের প্রথম দিন । এই সময়ে আকাশ তার দুই রকম চরিত্রে দেখা দেয় । পেট ভড়া মেঘ নিয়ে পশ্চিম কোন ঝুলে থেকে আবার পূবকোনে ঝলমলে সুর্যের দেখা মেলে ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×