somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মানুষ পরিবেশের ম্যানুফ্যাকচারিং জিনিস।

১৭ ই এপ্রিল, ২০২৩ রাত ১২:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :







জন্ম নিয়ে মানবশিশু নিজেকে বস্তিতে আবিষ্কার করতে করতে সময় লেগে যায় ৫/১০ বছর, বেসিক অধিকারের অভাবে ততদিনে বুঝতে শিখে কিভাবে জুয়ার গুরু হতে হয়,মাফিয়ার ডানহাত হবার বাসনা লালন করতে হয়।আশপাশের মানুষের ভাবনায় সৃষ্ট হওয়া পরিবেশ সবসময় এক নির্দিষ্ট বলয়ে রাখতে চেষ্টা করে,একটু সাহস নিয়ে চুরি/ছিনতাই করতে শিখতেই বাহবা শুনলে, ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞাও কাজে নাও আসতে পারে।সময়ের ব্যবধানে ক্ষমতার " নেশা রক্তের নেশায় রুপান্তর হতে পারে ভ্যামপায়ারের মতন।



শিক্ষিত মানুষরা মানুষ বুঝতে পারার বিভিন্ন ধারণা বের করতে পেরেছে। যেমন: একজন মানুষের বন্ধুদের ব্যাক্তিত্ব যাচাই করে মানুষ চিনতে পারা যায়,দাম্পত্যকলহ এন্যালাইজ করলে মানুষ যাচাইয়ে সুবিধা হয়।কিছুটা বুঝতে পারা যায় যখন দেখা যায়,সেই মানুষটির ভাবনার প্রসারণ ঠিক কতটুকুই বা উঠবে।একটা নির্দিষ্ট পরিবেশের বলয় সাইলেন্ট কিলারের মত কাজ করে এবং নিজেদের "আচরণ/কর্মকান্ড বুঝতে সক্ষম হয় না ৭০/৮০ ভাগ মানুষ।ভূল /সঠিক পার্থক্য বুঝা যায় না,সরকার প্রশাসনের দূনীর্তির প্রাকটিস মোড়ের মরিচ বিক্রেতার মাঝে অটো ইমিপ্লিমেন্টেশন হয়ে যায়,কাজও চলে তেমন ভাবে। এদেশে, বিয়ের বাড়িতে খানায় হাতাহাতিতে মানুষ নিহতের হওয়ার পরিবেশ আছে, পোড়া বাড়িতে খুজে বেড়ানো জিনিস বিক্রির মত লোভের মত পরিবেশ আছে, আছে বিদ্বান শিক্ষিতরা অশিক্ষিত মানুষ ঠকানোর দূগন্ধময় ইতিহাস।



কথা হলো, বিশ্বের সভ্য জাতি থেকে সভ্য মানুষ ঢাকায় জীবনযাপন করতে দিলে, উনারা কি সঠিকভাবে টিকে থাকবে, নাকি পরিবেশের ম্যারপ্যাচে আটকে হতাশ হয়ে বাঙালী থেকেও অধিক ধূর্ত কর্মকান্ড করে, বাঙালীদের পরাজিত করবে।চীনারা বাঙালীদের সহজেই কাবু করতে পারবে,কিন্তু বৃটিশরা? একসময় বৃটিশরা পুরো পৃথিবী নিজের পায়ের নিচে রেখেছিলো,সভ্যতার এ যুগে বৃটিশদের যদি বাংলায় দুনীর্তির প্রাকটিস করতে বলা হয়, তাহলে বাঙালীরা কি বুঝতে পারবে দেশ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।

তাছাড়া এমন মানুষ কি দেখেছেন, যেকোনো পরিবেশেই গিয়েই নিজের মেধা,জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে সঠিক পদ্ধতিতে পরিবেশ পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। নিজের ভেতরের এনার্জী দিয়ে পরিবেশ বশে এনেছে।ব্যাপার হলো: পরিবেশ এমন মানুষ জন্ম দিবে না, কিন্তু পরিবেশ বদলাতে হলে এমন মানুষের জন্মই এখান থেকেই হতে হবে; কমপ্লেক্স ডিলেমা।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৩ রাত ১২:২৬
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল || একটা রোমান্টিক গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৪ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল
ওওও
বহুবার সে তাকিয়েছিল
আমি ভাবতে চেয়েছি
আমাকে তার ভালো লেগেছিল



সে দেখতে এতটা সুন্দরী
তার উপমা যেন সে নিজেই
মাঝে মাঝে অধরে তার ফুটছিল হাসি
মুগ্ধতায় আমি হারিয়েছিলাম খেই
তখন মিহিসুতোর মতো বৃষ্টিরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ সময়ের ব্যবধানে তারা দুজন

লিখেছেন সামিয়া, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৩



কোর্টের সামনের চত্বরে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। দুপুরের রোদটা তখন কিছুটা নরম হয়েছে। মানুষের ভিড়, আইনজীবীদের কালো কোট, চায়ের দোকানের ধোঁয়া আর ফাইল হাতে ছুটে চলা লোকজন মিলে জায়গাটা যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতীয় মুসলিমদের অসহনীয় জীবন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৫ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৫


পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার সুপুরডিহি গ্রামের ঠেলাগাড়িতে বাসনপত্র বিক্রেতা দরিদ্র মুসলিম আকবর ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানধারী জঙ্গি হিন্দুদের হাতে প্রাণ দিলেন, আর মুক্তি পেলেন অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকার হাত থেকে। পুরুলিয়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×