ইতং বিতং গপ্পোঃ ছাগদেশের লাশ কাহিনী
১.
- একটা লাশ যদি পাইতাম। অনেকদিন ছাগ মাংশ ভক্ষন করি না।
- আজিমপুর যামু নাকি বড় ভাই। কবর দিতে আনছে এমন একটা লাশ নিয়া আসি।
- তুই আহাম্মকই রয়ে গেলি রে। আজিমপুরে তো মানুষের কবর দেয়া হয়। মানুষের লাশ দিয়া আমি কি করিবো। আমার ছাগলের লাশ চাই।
- তাইলে কেমনে কি করি? কেমন লাশ চাই আপনের?
- টাটকা লাশ। সবচেয়ে ভালো হয় ছাগ ইউনিভার্সিটির কোন লাশ। ছাগ লাশ বড়ই মজাদার।
- আনতাছি বড় ভাই
- কিভাবে আনিবি? কেমন করিয়া?
- আপ্নে ভাইবেন না ভাই। ছাগ ইউনিভার্সিটিতে ছাগলরাইতো পড়ে। লাগাইয়া দিমু দুই দলে গুতাগুতি। একটা দুইটা তো পড়বোই। না পড়লে আমরা আছি না। খেইল খতম।
- ওরে তাই। লাগিয়ে দে, লাগিয়ে দে। জলদি লাগিয়ে দে।
২.
- বড়ভাই, ও বড়ভাই
- এত ভোরে চেচাচ্ছিস কেন রে?
- লাশ পড়ছে
- লাশ। ছাগলের!!
- কাইল কইলেন না, ছাগ লাশ দরকার
- তোরে একটা চুমো। দুষ্ট কোথাকার। এবার যা বলি মন দিয়ে শোন। আমি যা বলিবো তুই ঠিক তার উল্টা বলিবি।
৩.
- এই লাশ আমাগো
- ওরে এভাবে মিথ্যা বলিস না, এই লাশ আমাদের।
- আমাগো লাশ। দেহো না শিংযের মধ্যে লাল দাগ। এই লাশের মালিকানা আমাগো। আমরা এইটার চামড়া ছিলমু। সেই চামড়া দিয়া জুতা বানামু। মাংশ বেচুম। ছাগলের মাংশের মেলা দাম অহন
- কেন যে মিথ্যে বলিশ। এই লাশ আমাদের। দেখিস না শিংযের মধ্যে কালো দাগ। এই লাশের মালিকানা আমাদের। আমরা ইহার চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে সেই চামড়া দিয়ে জুতা বানাইয়া বিদেশে রপ্তানী করিব। মাংশ বেচিব। একদিকে নিজেরা লাভবান হইবো আর অন্যদিকে মাংশজাত পুষ্টি পাইবো।
৪.
ছাগদেশের কিছু ছাগ আবার তাহাদের স্বজাতির লাশ নিয়ে উপরোক্ত শুদ্ধ অংশ (ওরে, আমাদের) আর গ্রাম্য অংশ (আমাগো) এই দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল।
৫.
- লাশ চাই। অনেকদিন ছাগ মাংশ ভক্ষন করি না।
- আইনা দিলাম না বড় ভাই। এহন আবার কেমন পাই।
- তুই পুর্বকার মতো আহাম্মকই রয়ে গেলি রে। আরে আহাম্মক চক্ষু খুলিয়া দেখ, উহারা লাগিয়া গিয়াছে। ছাগেরা লাগিয়া গিয়াছে।
৬.
ছাগদেশে কথোপকথনকারীদের পরিচয় ছাগেরা কি করে জানিবে। তাহারা যে ছাগল।।
দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল
দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল
আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]
আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন
কবিতাঃ শরৎ বন্দনা

শরৎ এলেই আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা
দিনমণি আর মেঘমালার লুকোচুরি খেলা।
রুম ঝুমঝুম নূপুর পায়ে ছুটছে নদীর ঢেউ
ভাটিয়ালি গাইছে গান অচিন সুরে কেউ।
বিলে ঝিলে শাপলা পদ্ম... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।