আমি জেনে গেছি বহুকাল আগেই
স্থানিক খন্ডিত ইতিহাসের পেছনে ছুটে বেড়িয়েছি নিবিড়তম উপলব্ধির আশায়
অনেকটুকু ছুঁতে যেয়ে বুঝতে পারি ছোঁয়া হয় না কখনো
আধার আর আধেয়র খেলায় বারংবার তোমাকে পেয়েও হারাই
তুমি বল,
হারানো আর পাওয়া দুটো পৃথক শব্দ নয়
অথচ থরথর কেঁপে ওঠ চেনা স্রোতের বিপ্রতীপ কোণে
আগ্রাসী হও, ক্রুদ্ধ হও
আমাকে ছিঁড়ে ফালি ফালি কর
তবুও স্বস্তি পাওনা
হয়ত আমাকে তুমি বলবে
এর সবই সিদ্ধান্তবাদী শিশ্নের খেলা
উরুর মাঝে দোলদোল
তুমি বলবে
এমন কাঁপুনি তুমি দেখেছ অনেক
তুলনামূলক ইতিহাস নিরীক্ষায়, পাঠে কিংবা সঙ্গমে
হ্যা! নিশ্চিত করে সঙ্গম আমি চাই
তবে কেবল সঙ্গমই চাই্ না
যে যোগাযোগে তোমার আরাম
তার অনেকটুকু বুঝি
তবে পুরোটা বুঝতে চাইনা এখন
তুমিই তো বল পুরোটা বলে কিছু নেই
প্রয়োজন স্বস্তি, শিল্পকলা আর শান্তি
একেবারে পশ
আমি কিছু বলিনা এখন
বললেই অস্বস্তি তোমার
খোপ-ভাঙ্গার দু্যতিতে
পূর্ণ হয়না ভালোবাসার খাবার
তুমি বল
আমি ভীষণ সঙরক্ষণবাদী
অথবা মধু খুঁজে বেড়ানো রঙ্গিন ভ্রমর
অথচ চোখ বন্ধ করলেও আমি দেখতে পাই তোমার শরীরে কামনার কামড়
তুমি বলবে!
এই যে আবার! কি ভীষণ শরীরবাদী লৈঙ্গিক বিকারগ্রস্থ
আমি কিছু বলব না!
আপনি যা বলেন তথাস্তু!!
তুমি বলবে কি অপরিণত শিশুসুলভ বিরক্তিকর চু্যতি
আরেকটু পরিণত হলে হয়ত হতে পারত কর্মযঞ্জে স্থিতি
হাহাহা আমি কি পারি কিছু দিতে
নিবিড়ে, সনি্নবেশীত গভীরে
আমি তো তুচ্ছ কোণাভাঙ্গা ইট
এভাবে তুমি বলবে, আমি লিখব
একটু একটু করে বড় হব, দীর্ঘ হব, হয়ত শান্ত হব
তবুও তুমি উত্তীর্ণের সাথে তুলনা করবে
আমি প্রথমবারের মতই হাসব
তুমি করতে চাইবে সমর
দেহে মনে বর্ম চড়িয়ে
আদিম পিচ্ছিল পথে যাতে একবারও হড়কে না যাও
সেজন্য সতর্ক হবে
খুব তীব্র, স্পষ্ট জোরালো হয়ে এগিয়ে যাবে
সদা বিশ্লেষণী সতর্ক থাকবে
এবং এই কবিতাটা পড়বে
পড়ে, বুঝতে চাইবে
অনর্্তজালে, বাস্তবে অপর বাস্তবে
অতীতে বর্তমানে ভবিষ্যতে
অথবা সময়ের স্থির ক্ষেত্রে
তাই আমি শুধু কবিতাটাই দেব
আমাকে দেব না
উহু; বহুখন্ডিত, জরাগ্রস্থ, পচনশীল, আহত হলেও
কবিতাটাই দেব
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


