somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডেইজি (২০০৬)

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
ছবিটি দেখে আপনার চোখে পানি না আসলে বুঝতে হবে আপনার চোখের পানি শুকিয়ে গেছে। আসুন ছবিটির প্লট সামারি জেনে নেইঃ


নায়িকা Hye-Young একজন আর্টিস্ট। সে ৩০ পাউন্ডের বিনিময়ে নেদারল্যান্ডের একটি কর্মব্যাস্ত রাস্তায় মানুষের স্কেচ একে দেয়। Park Yi একজন ভাড়াটে খুনী। সে ছবির নায়ক। একদিন নায়িকা Hye-Young একটি গাছের গুড়ির উপর দিয়ে লেক পাড় হয়ে ডেইজি ফুলের ছবি আকতে যায়। কিন্তু ফেরার সময় গাছের গুড়ির থেকে পা পিছলে নিচে পড়ে যায়। নায়ক Park Yi তাকে উদ্ধার করতে যাওয়ার আগেই নায়িকা নিজে উঠে পড়ে। নায়ক Park Yi শুধু পেইন্টিংসের ব্যাগটি উদ্ধার করতে পারে। নায়ক Park Yi গাছেড় গুড়িটির যায়গায় একটি কাঠের ব্রীজ তৈরি করে সেখানে Hye-Young এর ব্যাগটি ঝুলিয়ে রেখে আসে। পড়ের দিন নায়িকা সেখানে একটি নতুন ব্রীজ দেখতে পেয়ে খুশি হয়। ব্রীজ পাড় হতে গিয়ে সে তাঁর হারানো ব্যাগটি দেখতে পায় এবং বুঝতে পারে যে কেউ একজন তাকে সাহায্য করছে। সে তাঁর আকা ছবিটি তাঁর সাহায্যকারীর জন্য উপহার স্বরূপ রেখে আসে। নায়ক তাঁর পেইন্টিংসটি গ্রহণ করে। সেদিন থেকে প্রতিদিন বিকেলে Park Yi নায়িকার দরজায় ডেইজি ফুল রেখে আসে। নায়িকা তাকে মনে মনে ভালোবেসে ফেলে। নায়িকা যেখানে মানুষের স্কেচ একে দেয় তাঁর সামনের একটি বাড়ি Park Yi ভাড়া নেয়। নায়ক Park Yi প্রতিদিন বাড়ির জানালা দিয়ে তাকে দেখে।

Jeong Woo একজন ইন্টারপুল ডিটেকটিভ। সে ড্রাগস মাফিয়াদের খুজে একটি ফার্মেসীর সামনে গেলে নায়িকার সাথে দেখা হয়। সে Hye-Young কে তাঁর চবি স্কেচ করে দিতে বলে। এই সুযোগে সে মাফিয়া চক্রটিকে লক্ষ্য করতে থাকে। Hye-Young তাকে নায়ক ভেবে ভুল করে। তাঁর মুখে হাসি দেখা যায়। এর পর থেকে Jeong Woo নায়িকা Hye-Young কে তাঁর কাজে ব্যাবহার করতে থাকে। Hye-Young তাকে ভালোবেসে ফেলে। Park Yi দূর থেকে তাদের লক্ষ্য করে। একদিন মাফিয়া সদস্যরা Jeong Woo কে শুট করতে গেলে Park Yi বাড়ির জানালা থেকে মাফিয়াদের দিকে পাল্টা শুট করে। গুলাগুলির এক পর্যায়ে একটি গুলি নায়িকা Hye-Young এর গলায় লাগে এবং ডিটেকটিভ Jeong Woo আহত হয়। নায়িকা তাঁর কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলে এবং ডিটেকটিভ Jeong Woo কে তাঁর নিজ দেশ কোরিয়ায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ডিটেকটিভ Jeong Woo অনুশোচনায় এবং নায়িকা Hye-Young বিষণ্ণতায় ভুগতে থাকে।

এদিকে নায়ক Hye-Young এর দুঃসময়ে আবার এগিয়ে আসে। Park Yi তাকে বন্ধু হিসেবে সাহায্য করতে থাকে। একবছর পর Jeong Woo আবার নেদারল্যান্ডে ফিরে আসে এবং নায়িকার সাথে দেখা করতে আসে। Hye-Young দরজা খুললে ভিতর থেকে Park Yi কে দেখা যায়। Jeong Woo ফিরে চলে যায়। Hye-Young আবার কষ্ট পায়। ইতোমধ্যে Jeong Woo এর বস Park Yi কে চিহ্নিত করতে পারে যে সে তাদের মাফিয়াদের হাত থেকে রক্ষা করে। কিন্তু সে ভাড়াটে খুনী বলে তাকে হাতেনাতে ধরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। Jeong Woo এর বস একটি অভিনব ফন্দি আটে। পরিকল্পনাটি হল Jeong Woo কে খুন করার জন্য Park Yi কে ভাড়া করা হবে। Park Yi খুন করতে আসলে তাকে এরেস্ট করা হবে। নায়ক Jeong Woo কে নিয়ে একটি নির্জন যায়গায় যায় এবং তাকে খুন না করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু Park Yi এর গড ফাদার তাঁর দূর্বলতা বুজতে পেরে আরেক খুনীকে দিয়ে দূর থেকে শুট করে। Jeong Woo মারা যায়। Jeong Woo এর বসের পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। নায়িকা একেবারেই ভেঙ্গে পড়ে। Jeong Woo এর বস নায়িকাকে খুনী সম্পর্কে কিছু তথ্য দেয় যা নায়কের সাথে মিলে যায়। নায়িকা Park Yi কে সন্দেহ করতে থাকে। ঘটনা এগিয়ে চলতে থাকে। এদিকে Jeong Woo এর বস নতুন পরিকল্পনা তৈরী করে। এবার সে নিজেকে খুন কারার জন্যই Park Yi কে ভাড়া করে। Park Yi এর গডফাদার আবার নতুন কোন ভুল না করার জন্য সতর্ক তাকে করে দেয়। নায়ক তাকে খুন করতে যায়। ইতোমধ্যে নায়িকা Park Yi এর ঘরে তাঁর দেওয়া পেইন্টিংসটি আবিস্কার করে তাঁর ভুল বুজতে পারে। সে তাকে থামানোর জন্য ঘটনাস্থলে দৌড়ে যায় এবং তাঁর আকা পেইন্টিংসটি দেখিয়ে তাকে থামতে অনুরুধ করে। নায়ক দূর থেকে দেখতে পেয়ে আবার খুন না করেই নায়িকার কাছে ফিরে আসে। কিন্তু তাঁর গডফাদার ক্ষিপ্ত হয়ে নায়ককে লক্ষ্য করে শুট করে। গাড়ির গ্লাসে শুটারকে দেখতে পেয়ে নায়িকা Park Yi কে রক্ষা করে কিন্তু নিজে গুলি বিদ্ধ হয়।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:০৮
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একাত্তরের আগের আর পরের জামাত এখনও এক

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ০২ রা মে, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮


গোলাম পরওয়ার বলেছে একাত্তরের জামাত আর বর্তমান জামাত এক নয়। অথচ এক। স্বাধীনতার আগের জামাত আর পরের জামাত একই রকম।
একাত্তরের আগে জামাত পাকিস্তানের গো% চাটতো এখনও তাই চাটে। তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

সোনার ধানে নোনা জল

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০২ রা মে, ২০২৬ দুপুর ১:১২



হঠাৎ একটা তীক্ষ্ণ শব্দে রেদোয়ানের ঘুম ভাঙল। না, কোনো স্বপ্ন নয়; মেঘের ডাক আর টিনের চালে বৃষ্টির উন্মত্ত তান্ডব। বিছানা ছেড়ে দরজায় এসে দাঁড়াতেই এক ঝলক... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরহুম ওসমান হাদীর কারণে কবি নজরুলের জনপ্রিয়তা বেড়েছে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা মে, ২০২৬ দুপুর ২:৫৯


ইনকিলাব মঞ্চের জাবের সাহেব মাইকের সামনে দাড়িয়ে যখন বললেন , শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের উসিলায় নাকি এদেশের মানুষ আজ কবি নজরুলের মাজার চিনতে পারছে, তখন মনে হলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের শিক্ষা - ১

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা মে, ২০২৬ রাত ৯:২৬



সমাজ আমাদের বিভিন্ন ভাবে পরীক্ষা করে। কখনো ধন-সম্পদ দিয়ে, আবার কখনোবা কপর্দকশূন্যতা দিয়েও! সমাজের এই পরীক্ষায় কেউ জিতেন, আবার কেউবা পুরোপুরি পর্যুদস্ত হয়ে বিদায় নেন এই ধরাধাম থেকে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিষন্ন মেঘের ভেলায় ভেসে....

লিখেছেন ইন্দ্রনীলা, ০২ রা মে, ২০২৬ রাত ১০:২৯



তোমাকে শুধু একটাবার বড় দেখতে ইচ্ছা করে...
এই ইচ্ছায় আমি হয়ে যাই একটা ঘাসফড়িং
কিংবা আসন্ন শীতের লাল ঝরাপাতা,
উড়ে যাই ভেসে যাই দূর থেকে দূরে...
অজানায়...

শরতের কাঁশফুলের পেঁজা তুলো হয়ে
ফুঁড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×