নাশিদের জন্য নিরবতা নয়
বস্তুত বিরোধীদলীয় রাজনীতিতে থাকার সময় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মামুন আব্দুল গাইউম সমর্থিত যেসব সুবিধাভোগী গোষ্ঠী নাশিদকে বারবার পিষে ফেলতে চেয়েছে, মামুনের যেসব রাজনৈতিক সাঙ্গাতদের হাতে নাশিদ কয়েক দফা শারীরিকভাবেও নিগৃহীত হয়েছিলেন, মালদ্বীপের তথাকথিত অভ্যুত্থানের কুশীলব তারাই। ওই গোষ্ঠী তার মেয়াদের শেষ দিন পর্যন্ত ২০০৮ সালের নির্বাচনের ফল মেনে নিতে পারেনি। তিনি বিচার বিভাগসহ সরকারের অন্যান্য অংশকে দুর্নীতিমুক্ত করার যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন, তা ৩০ বছরের মধু জমানো মৌচাকে ঢিল হয়ে দেখা দিয়েছিল। ইহকালীন ভোটের বাজারে সুবিধা করতে না পেরে, বাংলাদেশে যেভাবে কখনও কখনও পরকালীন ইস্যু সামনে আনা হয়, নাশিদের বিরুদ্ধে বিরোধীরা সেভাবেও মাঠে নেমেছিল। নাশিদ যেসব সংস্কারমূলক কর্মসূচী নিয়েছিলেন, তা মালদ্বীপের মোল্লাদের পছন্দ হয়নি।
কেবল কি দেশে? জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে নিজের দেশকে বাঁচাতে গিয়ে নাশিদ আন্তর্জাতিক কায়েমি স্বার্থেও কতটা কাঁটা ফুটিয়েছিলেন, অভ্যুত্থানের পর বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোর নীরবতাও তার প্রমাণ। আমাদের মনে আছে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরপরই তিনি সাগরতলে মন্ত্রিসভার প্রতীকী বৈঠকের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। কিন্তু সেখানেই দায়িত্ব শেষ করেননি। জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বৈশ্বিক দরকষাকষিতেও বিপন্ন দেশগুলোর পক্ষে তিনি সত্যিকার অর্থেই, ব্যক্তিগতভাবে, সোচ্চার ছিলেন। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের জলবায়ু বিষয়ক উপদেষ্টা গার্ডিয়ানে লিখেছেন, ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে নাশিদ কীভাবে ব্যক্তিগতভাবে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে শেষ মুহুর্তে হাওয়া ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন। কীভাবে মালদ্বীপের বৃহৎ দুই প্রতিবেশী চীন ও ভারতের সমস্ত চাপ অগ্রাহ্য করে বিপন্ন দেশগুলোর জন্য শেষ ভরসা ছিনিয়ে এনেছিলেন। নিকট প্রতিবেশী দেশে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাচ্যুতির পর ভারতের দায়সারা প্রতিক্রিয়ার পেছনে কি এটাও একটি কারণ? ১৯৮৮ সালে মামুন আব্দুল গাইয়ুমের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানকারীদের দমনে "অপারেশন সন্ধ্যা" পরিচালনা করলেও, এবার ভারতীয় পক্ষ মৌনব্রত পালন করল কেন?
এটাও ঠিক, জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে মোহাম্মদ নাশিদের অবস্থান ও তৎপরতা এই বিপদ নিয়ে সত্যিকার উদ্বিগ্নদের সমর্থন পেয়েছিল। ২০০৯ সালে টাইম ম্যাগাজিনের বিচারে আমাদের সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সঙ্গে তিনিও "হিরো অব দ্য এনভায়রনমেন্ট" নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরের বছর পেয়েছিলেন পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পদক "চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ"। বিরোধিতার মুখেও যে পড়েছেন নিজের অনড় অবস্থানের কারণে, তা আগেই বললাম। আমরা দেখেছি, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী যদিও তাকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার ক্ষেত্রে প্রকাশ্যে "নিউ বেস্ট ফ্রেন্ড" ঘোষণা দিয়েছেন; কানকুন ও ডারবান সম্মেলনের পর উন্নত বিশ্বে এমন রাষ্ট্রপ্রধান বিরল নয়, যিনি তাকে অপ্রকাশ্যে "ওয়ার্স ফো" ডেকে থাকেন।
এহ বাংলাদেশের জন্য হয়তো বাহ্যই ছিল। বৈশ্বিক কিংবা আঞ্চলিক মোড়লিপনায় আমরা কবে নাক গলিয়েছি? আর নিজেরা দুই দফা সামরিক শাসন চালানোর পর, অন্যদেশের গণতন্ত্র-অগণতন্ত্র নিয়েও আমাদের ছুৎমার্গ থাকা উচিত নয়। কিন্তু প্রশ্ন যখন জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক লড়াইয়ের; দৃশ্যপট থেকে মোহাম্মদ নাশিদের প্রস্থান আমাদের চিন্তিত না করে পারে না। বাংলাদেশ কি এ ব্যাপারে মুখ খুলবে। সরকার না হোক, নাগরিক সমাজ বা সংবাদমাধ্যম কি মোহাম্মদ নাশিদের সমর্থনে নিরবতা ভাঙতে পারে না?
মিথ্যাবাদী কাউবয় "ট্রাম্প" এবং ইরান যুদ্ধের খবর

দিনের শুরুটা হলো ট্রাম্পের মিথ্যা দিয়ে। তিনি লিখলেন: "ইরানে সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে, যা আলোচনার সাফল্যের ওপর নির্ভর করবে।" পরে জানা গেলো, ট্রাম্প যথারীতি মিথ্যা... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমার হারিয়ে যাবার গল্প
তোমাকে আমি কোথায় রাখি বলো,
চোখের ভিতর রাখলে
ঘুম ভেঙে যায় বারবার,
বালিশের নিচে রাখলে
স্বপ্নে এসে কাঁদো।
তুমি কি জানো
আমার এই শরীরটা এখন
পুরোনো বাড়ির মতো,
দরজায় হাত দিলেই কেঁপে ওঠে,
জানালায় হাওয়া লাগলেই
তোমার নাম ধরে ডাকে।
আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন
মানব সভ্যতার নতুন অধ্যায়

আজ মানব জাতির নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।
তারিখঃ ২৪ শে মার্চ, ২০২৬
সময়ঃ বিকাল ৪টা, (নর্থ আমেরিকা)
আমেরিকার কংগ্রেস স্বীকার করে নিল ভীন গ্রহের প্রাণীর অস্তিত্ব। স্বীকার করে নিল পৃথিবীর... ...বাকিটুকু পড়ুন
আজ সেই বিভীষিকাময় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস।
আজ সেই বিভীষিকাময় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস।
আজ সেই বিভীষিকাময় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই কালরাতে Operation Searchlight নামের বর্বর অভিযানের মাধ্যমে পাক আর্মি নিরস্ত্র বাঙালির উপর ইতিহাসের জঘন্যতম... ...বাকিটুকু পড়ুন
ওয়ান-ইলেভেন: স্মৃতিহীন জাতির হঠাৎ জাগরণ!
কাভার- সরাসরি আপলোড না হওয়াতে!!
ওয়ান-ইলেভেন: স্মৃতিহীন জাতির হঠাৎ জাগরণ!
জেনারেল মাসুদের গ্রেপ্তার হতেই হঠাৎ দেখি-
সবাই একসাথে ওয়ান-ইলেভেন-কে ধুয়ে দিচ্ছে!
মনে হচ্ছে, এই জাতির কোনো অতীতই নেই।
বাঙালির স্মৃতিশক্তি আসলেই কচুপাতার পানির মতো-এক ঝাপটায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।