আমি কাগজ দিয়ে প্লেন বানালাম। শুনি, লোকে তাকে আজকাল ভাস্কর্য
বলে!! আমি ভাস্কর্য বানালাম?
তো পটভূমিটা হলো চারুকলার সামনে কাগজ
দিয়ে পাখি বানানো হয়েছিলো। অতিউত্সাহীরা তাতে আগুণ দেয়। আমার
কোটাবিরোধী আন্দোলনের বিরোধীতা করতেই হবে! তাই কাগজের
পাখিটা মুহূর্তেই ভাস্কর্য হয়ে গেলো!!
আর কতিপয় ব্লগার স্লোগান শুনলেন নাকি "মুক্তিযোদ্ধার, , ," লেখার
রুচি নেই। অপপ্রচার করতে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের এতো নিচে নামানো?
নষ্টবীর্যের সন্তান কোথাকার। মোবাইল,রেকর্ডারের যুগে বেডরুমের
কথাবার্তা চলে আসে আর তিনটে পাবলিক ভার্সিটির মোহনায়
দাঁড়িয়ে এই স্লোগানগুলো দেয়ার সাহস কেউ পেলো, আর সেটার কোন
রেকর্ড থাকলো না? যারা এই স্লোগান শুনেছে বলছে তারা রাজাকারের
বাচ্চা। এতোবড় কথা বললো আর তুই ব্যাটা বিচিছাড়া একটু প্রতিবাদ
করলিনা, রেকর্ড করলিনা। মানে তুই মিথ্যে ছড়াচ্ছিস। এতো জঘন্য
মিথ্যে ছড়াবি? মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করবি মিথ্যে বলতে গিয়ে?
তাই সবকটা নব্য রাজাকারের বাচ্চাকে রিমুভ দিবো।
শাহবাগ ঘিরে যেসব পেজ গড়ে উঠেছিলো এখন তাদের মুখোশ উন্মোচন
হয়। তারা যুদ্ধাপরাধের বিচার চায় না, আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ
করা পেইড এজেন্ট মাত্র। নাহয় তারা শেখ হাসিনার দুই নেতার জামাতির
সাথে বৈঠকে প্রতিবাদ করেনা, অহেতুক নিরীহ শিক্ষার্থীদের শিবির
আখ্যা দিলো।
সত্যি বলছি এসব তরুণ প্রজন্ম, নতুন প্রজন্মে পেচ্ছাব করিনা, দরকার
নেই আমাদের দলকানা এসব বায়াসড তরুণ দল। যারা মৌলিক কিছু
ভাবতে পারেনা আর কারও কথা শুনে স্রোতের সাথে লাফায়। জিজ্ঞেস
করলাম কয়েকজনকে ঐ স্লোগান শুনেছিস? কোন ভিডিও ক্লিপ?
আমতা আমতা করে এড়িয়ে গেলো, অমুক ভাইয়া বলেছে, তমুক বলেছে।
২-৪টা সেলিব্রিটির স্ট্যাটাস থেকে কাট সাট করে একটা স্ট্যাটাস
মেরে দিলুম হয়ে গেলো। কোটা পদ্ধতির দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব বোঝার
চেষ্টা আছে নাকি? স্ট্যাটাস দিতে হবে দিয়ে নেই, এইতো!
জানেন? নিরীহ ছেলেগুলোর বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা হয়েছে।
এদেশে ৫৫দিন ধর্ষণের কোন মামলা নেই, ৫হাজার
কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার মামলা নেই। মৌলিক অধিকার
নিয়ে কথা বলার মামলা আছে!
পাবলিক জবাব দিবে সময়মত!
অনির্ণেয় অন্তরক

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

