somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কোটিপতি এবং বাংলাদেশীদের সুইস ব্যাংকের হিসাব।

১১ ই আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৩:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি আমানতকারী ছিল ৫ জন। ১৯৭৫ সালে তা ৪৭ জনে উন্নীত হয়। ১৯৮০ সালে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা ছিল ৯৮টি। এরপর ১৯৯০ সালে ৯৪৩টি, ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪টি, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২টি, ২০০৬ সালে ৮ হাজার ৮৮৭টি এবং ২০০৮ সালে ছিল ১৯ হাজার ১৬৩টি। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কোটিপতি হিসাব ছিল ৭৫ হাজার ৫৬৩টি। তিন মাস আগে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর শেষে দেশে কোটিপতির হিসাব ছিল ৭৯ হাজার ৮৭৭টি। ২০২০ সালের ডিসেম্বর শেষে কোটিপতির সংখ্যা ছিল ৯৩ হাজার ৮৯০টি। ২০২১ সালের ডিসেম্বর শেষে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ এক হাজার ৯৭৬টিতে। সূত্র এখানে অথবা এখানে। যাহা গাণিতিকভাবে বেড়েই চলছে। যখন ব্যবসা বাণিজ্য সবকিছুই স্থবির তখন কোটিপতির এতো উলম্ফন দেখে প্রশ্ন থেকেই যায় তাদের এই অর্থের উৎস কি?

কোন কাগজে যেন পড়েছিলাম কোটিপতি হওয়ার শীর্ষে নাকি আমরাই। আহা বাংলাদেশে কোটিপতি হওয়া কত সহজ! :(

সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের জমানো অর্থের পরিমাণ বেড়েছে। ২০১৮ সালে ছিল ৬১ কোটি ৭৭ লাখ ফ্রাঁ। ২০১৯ সালে ছিল ৬০ কোটি ৩০ লাখ ফ্রাঁ। ২০২০ সালে এর পরিমাণ ছিল ৫৬ কোটি ২৯ লাখ ফ্রাঁ। ২০২১ সালে ছিল ৮৭ কোটি ১১ লাখ ফ্রাঁ। (প্রতি সুইস ফ্রাঁ ৯৫.৬৫ টাকা হিসাবে)। যদিও তথ্য পাওয়ার উৎস নিয়ে সন্দিহান কারন সুইস কতৃপক্ষের অর্থে উৎস্ ও তথ্য প্রদানে অনীহা আছে। পক্ষান্তরে বাংলাদেশ সরকার বারবার বলে আসছে সুইস কতৃপক্ষ কোন তথ্য দেয়না। অতিসম্প্রতি এক প্রশ্নের উত্তরে সুইস রাষ্ট্রদূত বলেন, সুইস ব্যাংকে জমা রাখা অর্থের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির জন্য তথ্য চায়নি। সুইস ব্যাংকের ত্রুটি সংশোধনে সুইজারল্যান্ড কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। তবে আমি আপনাদের জানাতে চাই, সুইজারল্যাণ্ডে কালো টাকা রাখার কোনো নিরাপদ ক্ষেত্র নয়। তাহলে অর্থ কি দাড়ালো? আমরা ইচ্ছা করেই কোন তথ্য নেই না কারণ তাহলে যে থলের বিড়ার বেড়িয়ে পরবে!

সুই্স রাষ্ট্রদূতের ভাষ্যমতে ইহা দিনের আলোর মতোই পরিস্কার যারা পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারে নিয়োজিত তাদেরও কেউ কেউ এই পাচারে সক্রিয়ভাবে জড়িত তা নাহলে কেন পাচারকারীদের সম্পর্কে কোন তথ্য জানা যায়না অথবা হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হওয়ার পর জানা যায় অথচ সেটা উদ্ধার হয়না।



সর্বশেষ এডিট : ১১ ই আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৩:১৮
১৯টি মন্তব্য ১৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জিন্নাহ পর্ব-২

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৯



এবার জিন্নাহর পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কিত বিতর্কিত বক্তব্যে আসা যাক। জিন্নাহ জন্মসূত্রে গুজরাটি ছিলেন এবং কেবল ইংরেজি ও গুজরাটি ভাষা জানতেন। তিনি উর্দু বলতে পারতেন না। সেক্যুলারিস্ট জিন্নাহ যেহেতু ব্যক্তিজীবনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাকে শত্রু ভাবছেন, সে হয়তো আপনার জীবনের একজন পথপ্রদর্শক

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭

গানঃ সামু একটি ছোট নৌকা
https://suno.com/s/ckWb25lfp1xBLIzc
==============



একটা পুরনো গল্প বলি। একটি বনে কিছু বাঁদর আর বেবুন বাস করতো। সেই বনের পাশেই একটি ভুট্টার ক্ষেত ছিলো। বাঁদর আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা ভাষা সংস্কৃত ভাষার উপভাষা নয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৩


বাংলা ভাষা একটি স্বতন্ত্র ভাষা। বাংলা ভাষা সংস্কৃত ভাষা থেকে আসে নাই, এটা মেনে নিতে হবে। কারণ, ইতিহাসে আছে, ভারতবর্ষে আর্যদের আসার আগেও 'বঙ্গ' নামের একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি ভূমি'র... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলামের জ্ঞানদীপ : যুক্তির আরব্য-ফারসী নবযাত্রা প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য -৩য় পর্ব

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:১৭

জাতীয় জন্মসনদে ভুলের ভূত আর সাভারের জালিয়াতি চক্র: সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কি কোনোদিন থামবে না?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০০



আজ ৬ অক্টোবর, জাতীয় জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে—‘নির্ভুল নিবন্ধন, নিশ্চিত হবে সুশাসন’। অথচ বাস্তবতা যেন এই স্লোগানের একদম উল্টো! সরকারি নথিতে যখন সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×