তাহারা কোন কালেই বাংলাদেশে মঙ্গল চাহেনি, তাহারা চাহিয়াছিল ততকালিন পাকিস্তানকে বাগে আনতে কিন্তু না পাড়িয়া সোভিয়েত বুদ্ধিতে পাকিস্তানকে দ্বিখন্ডিত করার প্রানান্তকর চেষ্টা চালিয়াছিল, তাহাতেও না পাড়িয়া যখন আমরা পাকিস্তানের সংগে বৈষম্যের কারণে স্বাধীনতা লাভের উদ্দেশ্যে মরণপণ যুদ্ধ করিয়া স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছিয়া গিয়াছি তখন ভারতীয় সৈন্য আসিয়া যুদ্ধে সমাপ্তি ঘোষনা করা হইলো অর্থাৎ স্বাধীনতা অর্জিত হইলো। এই স্বাধীনতা ভারত না আসিলেও অর্জিত হইতো হয়তো আরো কিছুদিন সময় বেশি লাগিতো কিন্তু এটা ঠিক সেই সময় তারা আমাদের অনেক শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল। তবে এটা নিশ্চিত যে তারা বহিরাবরণে বাংগালীদের পক্ষে হলেও অন্তর্করণে ছিল পাকিস্তান বিভক্তি যাতে পাকিস্তাান ও বাংলাদেশকে বাগে রাখা যায়। প্রকৃতপক্ষে তারা পাকিস্তানকে বাগে রাখতে না পারলেও হাসিনার বদৌলতে বাংলাদেশকে বাগে রাখতে ঠিকই পারিয়াছিল। ৩৬ শে আগস্টে গণহত্যাকারী হাসিনা ভারতে আশ্রিত হইলে বাংলাদেশকে নিয়ে তাদের গাত্রদাহ শুরু হইয়া যায়। তাহারা কোন ভাবেই হাসিনা বিহীন বাংলাদেশকে মানিতে পারিতেছেনা কারণ হাসিনা নিজেই বলেছিলেন আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত তাহা চিরজীবন মনে রাখিবে।
রাস্ট্রপতি কতৃক হাসিনার পদত্যাগপত্র না পাওয়ার কথা, চট্টগ্রামে ইসকনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম এবং হঠাৎ ভারতীয় ভাগার মাধ্যমে ভারত কতৃক চট্টগ্রাম দখলের কথা এগুলো সবই একই সূত্রেগাঁথ।
এবার দেখুন ভারতীয়দের হুমকি।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই নভেম্বর, ২০২৪ বিকাল ৪:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




