somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইসরাইলের ভালো কাজ

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


কাতারের রাজধানী দোহায় গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে ইসলাইল বিমান হামলা চালায়। ইসরাইল দোহায় হামলার দায় গোপন করার কোনো চেষ্টা করেনি। কাতারের রাজধানীতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ইসরায়েলি কর্মকর্তারা গণমাধ্যমে এর দায় স্বীকার করেন।

কাতারে সবচেয়ে বড় ঘাঁটি আছে আমেরিকার। এই ঘাঁটিই মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির কেন্দ্র এবং ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের আঞ্চলিক সদর দপ্তর হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। ঘাঁটিটিতে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করে। এখানে রয়েছে শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এই ঘাঁটিতে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ধরনের সামরিক বিমান— উন্নত যুদ্ধবিমান, দীর্ঘপাল্লার বোমারু বিমান, ড্রোন, পরিবহন বিমান এবং আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাংকার বিমান। এ ছাড়াও ঘাঁটির কোম্বাইন্ড এয়ার অপারেশন্স সেন্টার (সিএওসি) যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমা শক্তি প্রদর্শনের প্রধান কেন্দ্র, যা উত্তর-পূর্ব আফ্রিকা থেকে শুরু করে মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ২১টি দেশের উপর নজর রাখে ও অপারেশন চালায়। এই ঘাঁটি থেকেই আমেরিকার হামলা চালায় আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া ও লেবাননে।

কাতারকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য এই ঘাঁটির সমস্ত ব্যয় কাতার বহন করে এছাড়াও ওদের আব্বা ট্রাম্পকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দামের একটি বিমানও উপহার দিয়েছিল কাতার, তারপরও তাদের শেষ রক্ষা হলোনা। ট্রাম্পের সহায়তায় ইসরাইল কাতারে হামলা করেছে। ইসরাইলকে কাতারের সমস্ত প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের গোপন কোড় সরবরাহ করেছে আমেরিকা যাতে কাতার একটা গুলিও ছুড়তে না পারে।

এদিকে কাতারে আক্রমন করায় ট্রাম্প রেগে আগুন ইসরাইলের ওপর কিন্তু ট্রাম্প হামলাকে অসমর্থন করেন না মানে সমর্থন করেন এই হলো অবস্থা। তারপর মধ্যপ্রাচ্যের হিজড়াদের বুদ্ধির উদয় হলোনা। হিজড়ারা সবাই মিলে মিটিং করলো নিন্দা জানালো কিন্তু তারা হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার কথা বলার সাহস পেলোনা, ভয়ে পাঁ ঠকঠক করে কাঁপলো। বিন সালমানের প্রচেষ্টায় সব ভেস্তে গেলো। এই হলো হিজড়া রাজা বাদশাদের অবস্থা!

ইসরাইল যদি রিয়াদের ওপর কয়েকটা বোমা ফেলতো তাহলে সেটাই হতো ইসরাইল সৃষ্টির পর ইসরাইলের জন্য সবচেয়ে ভালো কাজ।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:০৬
১৩টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মতভেদ নিরসন ছাড়া মুসলিম আল্লাহর সাহায্য পাবে না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:০৩



সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

‘স্বপ্নের শঙ্খচিল’ কে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা….

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৯ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:৪৬



আজ সকালে ল্যাপটপ খুলেই উপরের চিত্রটা দেখলাম। দেখে মনটা প্রথমে একটু খারাপই হয়ে গেল! প্রায় একুশ বছর ধরে লক্ষাধিক ব্লগারের নানারকমের বৈচিত্রপূর্ণ লেখায় ও ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় সমৃদ্ধ আমাদের সবার... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনু গল্প

লিখেছেন মোগল সম্রাট, ২৯ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:০৯



(এক)
দশম শ্রেণির ছেলে সাদমান সারাদিন ফোনে ডুবে থাকত। বাবা-মা বকাঝকা করলে প্রায়ই অভিমান করে ভাত খেতো না। একদিন রাতে ঘরের দরজা বন্ধ। ভোরে দরজা ভেঙে সবাই স্তব্ধ। খবরের কাগজে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবনের গল্প - ১০০

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৯ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫



আমার সাথে একজন সাবেক সচিবের পরিচয় হয়েছে।
উনি অবসরে গেছেন, ১০ বছর হয়ে গেছে। এখন উনি বেকার। কোনো কাজ নাই। বাসায় বাজার করেন অনেক বাজার ঘুরে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটু চালাক না হইলে আসলে এআইয়ের দুনিয়াতে টেকা মুশকিল।

লিখেছেন Sujon Mahmud, ২৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:২৫



সকাল থেকে চ্যাটজিপিটি আর ন্যানো ব্যানানার কাছে ঘ্যান ঘ্যান করছিলাম, ডোনাল্ড ট্রাম্প যে বলেছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তার পশ্চাৎদ্বেশ চাটে, এইটার একটা ছবি তৈরি করে দাও।

শালারা দিবেই না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×