somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা শেষ দিনের অনুভূতি

১৪ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ একাড়েমিক ধাপের জন্য এখন অপেক্ষা করছি । আর কয়েক ঘন্টা দেরি আছে এই পর্ব শেষ হতে , মাষ্টার্সের ভাইভা আগামীকাল । তাহলেই শিক্ষা জীবনের সমাপ্তি হবে। আর এই দিনে প্রথম যে দিন বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রেখেছিলাম সেই দিনের কথা মনে পরছে। আমি ১৫ ই এপ্রিল ,২০০৬ প্রথম ক্লাশ শুরু করেছিলাম । আমাদের কে আনুষ্ঠানিক ভাবে ড়িপাটমেন্টের বড় ভাই আপুরা বরণ করে নিয়েছিল । মনে আছে ঐ দিন আমাদেরকে গিফট আর ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করেছিল । প্র্রথম দিন অমার পাশে য়ে বসছিল সে এখন কানাড়া । আর আমার সাথে পিছনে বসেছিল তারা আজ দুজন স্বামী-স্ত্রী । তারা ক্যাম্পাসের সফল প্রেমিক জুটি। কাল তারাও ভাইভা দিবে একসাথে ।প্রথম দিন নিজেকে অনেক সুখী সুখী মনে হতে ছিল । কিন্তু তাতে ভাটা পড়ল যখন হলে উঠলাম । ঐ দিন রাতেই হলে উঠি। আমার ডিপাটমেন্টের ৪ বন্ধুর এক হলে ছিট ছিল । সারা সন্ধ্যা হলের সামনের পুকুর ঘাটে অপেক্ষা করে রাত ৮ টায় একটা গণ রুমে আমাদের থাকার ব্যবস্থা হলো। রুমে যেয়ে সাবাই জায়গা দখলে ব্যস্ত হলো । এরপর সবাইকে মিছিলে যেতে বলল সিনিয়ররা। মিছিল জীবনে কখনো করি নাই তাই গলা দিয়ে শ্লোগান বের হতেছিল না কারও । বড় ভাইদের ঝাড়ি তে জোর হলো । মিশিল পরবর্তী সমাবেশ শেষে আমাদের কে চা আর বিস্কুট খেতে দেওয়া হলো । এরপরে রুমে ফিরে এলাম । ৪ জনের রুমে ১৮ জন , আমরা আসব বলেই সব চৌকি বের করে দেওয়া হয়েছিল । রুমে ফিরে এসে দেখি ব্যাচ ধরে বড় ভাইয়েরা আসছে । তারা যাকে পছন্দ হচ্ছে তাকে নিয়ে যাচ্ছে । আর সবাই মিলে শিক্ষা দিচ্ছে কিভাবে হলে থাকতে হবে কি করতে হবে । এর ভিতর হালকা rag ও চলছিল। আমাকেও কয়েক ভাই তাদের পছন্দ করল এবং তাদের রুমে নিয়ে গেল। নিয়ে গিয়ে rag দেওয়া শুরু করল । তাদের রুম শেষে আরও কয়েক ভাইয়ের রুমে গেলাম । যথারীতি rag চলল । গভীর রাতে রুমে যেয়ে দেখি দরজা বন্ধ । টিভি রুমে গেলাম । মনে হলো রাত টা মনে হয় টিভি রুমেই কাটাতে হবে।একটু পর এক বড় ভাই আসল সে হালকা rag দিলো অবশ্য সেই আমাকে রুমে দিয়ে আসল । প্রথম দিন রাতে অনেক কষ্ট লাগতে ছিল । মনে হতে ছিল কেন এখানে ভর্তি হলাম ।অবশ্য আরো অনেক রাত বড় ভাইদের রমে যেতে হয়েছিল rag খাওয়ার জন্য । তখন কষ্ট পেতাম না বরং মজায় পেতাম । আর সবাই rag শেষে রাতে খাওয়াতে নিয়ে যেত । রাতের ক্যাম্পাস অনেক মজার লাগত ।

আজ সেই প্রথম দিন অতীত , ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যেতে হবে । ভাবতেই অনেক কষ্ট লাগছে। আর অনেক কষ্টের মাঝে এই শেষ দিনে প্রথম দিনের স্মৃতি হাতড়ে ফিরছি।
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনব প্রতারনা - ডিজিটাল প্রতারক

লিখেছেন শোভন শামস, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৮



একটি সাম্প্রতিক সত্য ঘটনা।
মোবাইল ফোনে কল আসল, একটা গোয়েন্দা সংস্থার ছবি এবং পদবী সহ। এই নাম্বার সেভ করা না, আননোন নাম্বার। ফোন ধরলাম। বলল আপনার এই নাম্বার ব্যবহার করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগে নিজেকে বদলে দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪১



"আমার স্বামী সংসারের কুটোটাও নাড়ান না। যেখানকার জিনিস সেখানে রাখেন না। মুজা খুলে ছুঁড়ে যেখানে সেখানে ফেলে দেন। নিজেকে পরিষ্কার রাখতে বারবার ভুল করেন! এতো বছর বিবাহিত জীবন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×