
দেখো এই কন্ঠস্বর খুলে-
সেখানে দুমড়ে মুছড়ে আছে হাজার বুলেট
তাই বুলেট রেখেছি নিজের নাম !
খুলে দেখো এই নাড়িভুঁড়ি-
সেখানে ঘর বেঁধে আছে বিস্ফুরিত শত গ্রেনেড
তখন মনে হয় আমি বুলেট নই, আমি গ্রেনেড !
খুলে দেখো মাথার এই খুলিটা-
সেখানে মগজ পুরে আছে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন নিস্তব্ধ দেহ
তখন মনে হয়,
নই তো আমি বুলেট নই তো আমি গ্রেনেড,
ভালোবাসি ভাবতে নিজেকে ধর্ষিতা !
এই দেখো,
শরীরের প্রতিটি লোমকূপ বেঁচে আছে বিষাক্ত বারুদে
চেয়ে দেখো আমার চোখে,
কবে থেকে আমি আর কাঁদি না তা ভুলে গেছি
দৃষ্টির গহীনের প্রিয় নদীটা হয়ে আছে দীর্ঘ চৌচির।
কেনো জানো?
ওরা যে রক্ত পিপাসায় এক ফোঁটাও অবশিষ্ট রাখে নি
সেদিনগুলোতে জল আর রক্ত ঘোষণা করেছিলো একাত্মতা
যে রক্ত গিয়েছিলো শুকিয়ে তা জেগে উঠেছিলো চোখের জলে।
তোমরা একটি কালো রাতের দৃশ্যপটে শিঊরে ওঠো
আর আমি এমন অনেক রাত নিয়ে ঘুমিয়ে আছি নীরবে
তোমরা ইতিহাস বলো একাত্তরের
আর আমি বেঁচে আছি এখনো একাত্তর গিলে
হৃদয়কে ইতিহাস বানিয়ে বিসর্জন দিচ্ছি নিজেকে আজও।
জানো,
কে আমি?
আমি তোমাদের উড়ানো পতাকা,
আমি তোমাদের মাড়িয়ে চলা মৃত্তিকা
আমি তোমাদের অবহেলিত নিঃস্ব দেশমাতৃকা ।
ছবি কৃতজ্ঞতা- নেট ।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মার্চ, ২০১৭ দুপুর ২:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



