এমন যুগে যশোরের ঋষি সম্প্রদায়ের লোকজনকে চা খেতে দেয়া হয় না কারোন এরা নিচু জাতের, বিংশ শতাব্দীর এই যুগে এটাও সম্ভব। হাস্যকর এক পরিস্থিতি। কিছু বিশেষ চা এর দোকানে আলাদা করে এদের জন্য চা এর কাপ রাখা হয়, আবার ভাঙা প্লেট, গ্লাসে এদের খাবার পরিবেষণ করা হয়। একটাই কারন তাদের পেশা মুচি। ঋষি সম্প্রদায়ের লোকেরা তাদের নিজেদের পরিমন্ডলের বাহিরে সাভাবিক ভাবে চলা ফেরা করতে পারে না, তাদের ঘৃণার চোখে দেখা হয়।
আমরা কথায় কথায় মানব অধিকার নিয়ে গলা ফাটিয়ে ফেলি, মিছিল মিটিং করে লক্ষ্য টাকার স্রাধ্য করি, কিন্তু এই যে বাংলার আনাচে কানাচে মানুষ যে এখন ফেলে আসা পুতিদুর্গন্ধময় অতীতের নোংরা নিয়ে আজো সমাজের এক শ্রেনীর মানুষ কে অবহেলা অযত্নে ফেলে রেখেছে, তাদের কে যে জাতের দোহাই দিয়ে সমাজ থেকে আলাদা করে রাখছে, এদের জন্য কে কথা বলবে, কেউ কি নাই।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



