somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জ্ঞান-বিজ্ঞানের রাজ্যে মুসলমানঃ উত্থান ও পতন পর্ব-৫

১৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মৌলিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে মুসলমানদের অবদানের একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরার মাধ্যমে শেষ হয়েছিল আগের পর্বটি। এরই ধারবাহিকতায় এ পর্বে ঔষধবিজ্ঞান(Pharmacology) এ মুসলমানদের অবদান নিয়ে কথা বলব।

সন্দেহ নেই, মুসলিম চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা রোগের প্রতিবিধান হিসেবে পথ্যের উপর বেশী বেশী গুরুত্ব দিতেন; তাই বলে, ঔষধের গুরুত্বকে কখনোই অস্বীকার করেন নি। তারই ধারাবাহিকতায় মুসলিম চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের হাতে গড়ে ওঠে চিকিৎসাবিজ্ঞানের আরো একটি শাখা, ঔষধবিজ্ঞান। এর আগের পর্বে আমরা যেসব সনামধন্য চিকিৎসাবিজ্ঞানীর অবদান নিয়ে কথা বলেছি, দেখা গিয়েছে রোগ ও রোগের প্রতিবিধান সংক্রান্ত তাঁদের প্রায় প্রতিটি বইয়েই ঔষধ তৈরী ও ব্যবহার নিয়ে আলাদা অধ্যায় সংযুক্ত ছিল। মুসলমানদের আগে ঔষধ নিয়ে গ্রন্থ প্রনীত হয় নি, এমন নয়। কিন্তু, মুসলমানদের কৃতিত্ব হচ্ছে ঔষধের বিভিন্ন খনিজ-ভেষজ উৎস, এর প্রস্তুতি, বিভিন্ন রোগের এর মাত্রাগত ব্যবহার এবং প্রতিক্রিয়া প্রভৃতি বিষয়ের উপর সম্যক আলোচনার মাধ্যমে একে বিজ্ঞানের পর্যায়ে উন্নীতকরণ। মোটাদাগে, মুসলমান ঔষধবিজ্ঞানীরা এ বিষয়ের উপর যেসব গ্রন্থ প্রণয়ন করেছেন তাদের নিন্মলিখিত ভাগে ভাগ করা যায়ঃ
১. ঔষধের উৎস সংক্রান্ত গ্রন্থ(Source of Medicine)
২. ব্যবস্থাপত্রের সংকলন গ্রন্থ(Medical Formularise)
৩. ব্যবহারিক ঔষধবিজ্ঞানের তালিকা(Materia Medica)
৪. বিকল্প ঔষধের তালিকা(Substitute Drugs)
৫. সমার্থক শব্দের গ্রন্থ(Synonymatic Trealises)
৬. বিষ ও বিষক্রিয়া সম্পর্কিত গ্রন্থ(Books on Poison)
৭. ছকাকারে সাজানো সংক্ষিপ্তসার গ্রন্থ(Tabular Synoptic Texts)
আগেই বলা হয়েছে যে, প্রায় সকল মুসলমান চিকিৎসাবিজ্ঞানীই ঔষধবিজ্ঞানে কমবেশী অবদান রেখেছেন। এর বাইরে, ইবনুল বাইতারের নাম না নিলেই নয়। প্রকৃতপক্ষে, আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ ইবন্‌ আহ্‌মাদ ইবন্‌ আল-বাইতার দিহ্‌ইয়া আল-দীন আল-মালিকী(ابن البيطار‎);১১৮৮-১২৪৮) ছিলেন মুসলমানদের মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ঔষধবিজ্ঞানী। একইসঙ্গে চিকিৎসা ও উদ্ভিদবিজ্ঞানে অবদান রাখা এই আন্দালুসিয়ান(Andalusian) তাঁর ‘জামি ফি আল-আদ্‌বিয়া আল-মুফ্‌রাদা’(كتاب الجمع في الأدوية المفردة‎) গ্রন্থে প্রায় ১৪০০টি ভিন্ন ভিন্ন ঔষধের বিস্তারিত তালিকা প্রদান করেছেন যার মাঝে অনূন্য ৩০০ টি তাঁর ব্যক্তিগত আবিষ্কার। ১৫০ জন আরবীয় বিজ্ঞানী এবং ২০ জন গ্রীক বিজ্ঞানীর রেফারেন্স সম্বলিত এই বইটি পরবর্তী ছয় শতাব্দী ইউরোপে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এছাড়া, তিনি ‘আল-মুঘিনি ফি আল-আদ্‌বিয়া আল-মুফ্‌রাদা’ নামে আরো একটি বিখ্যাত চিকিৎসা বিশ্বকোষ(Encyclopedia) ও রচনা করেন। রসায়ন বিজ্ঞানের জনক জাবির ইবন হাইয়ানের(جابر بن حيان‎; ৭২১-৮১৫) প্রনীত ‘কিতাবুস সুসুম’(Book of Poison) আরব ঔষধবিজ্ঞানের অন্যতম উৎস। ইবন্‌ সীনা, আল রাজী, আল-বিরুনী, আত-তাবারীর মত বড় বড় বিজ্ঞানীরা ছাড়াও এক্ষেত্রে অবদান রাখা অন্যদের মাঝে ইসহাক ইবন সোলায়মান(৮৩২-৯৩২) , আল কোহেন আল আত্তার(?-১১৯২), মুসা ইবন মায়মুন(১১৩৭/৩৮-১২০৪) প্রমূখের নাম উল্লেখযোগ্য।

মান্‌সুর বিন ইলিয়াসকৃত হিউম্যান অ্যানাটমীঃ চতুর্দশ শতক

চিকিৎসাবিজ্ঞানে মুসলমানদের আরেকটি অবদান হচ্ছে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা। মুসলমানদের আগে পৃথিবীতে হাসপাতাল একেবারেই ছিল না- এমন বলাটা অতিকথন হয়ে যাবে। তবে, সে সব হাসপাতাল ছিল বিশেষ কারনে তাৎক্ষনিক প্রয়োজনে যেমন- যুদ্ধকালীন সময়ে আহত সৈন্যদের চিকিৎসা কিংবা কোন রাজপরিবারের চিকিৎসায় প্রতিষ্ঠিত। এর বাইরে ২৩০ খৃষ্টপূর্বাব্দে অসহায় দরদ্রদের জন্য সম্রাট অশোক, ১০০ খৃষ্টপূর্বাব্দে দাস, গ্লাডিয়েটর ও সৈন্যদের জন্য রোমে এবং খৃষ্টীয় তৃতীয় শতকে পারস্যের সাসানীয় সম্রাজ্যে হাসপাতাল(বিমারিস্তান) প্রতিষ্ঠার কথা জানা যায়। কিন্তু, হাসপাতালের আধুনিক যে ধারনা, (সার্বক্ষনিক চিকিৎসক ও অন্যান্য চিকিৎসা সহকারীদের উপস্থিতিতে রোগীদের রোগ নির্ণয়, সেবা, প্রতিবিধান প্রদান এবং রোগ সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন) তার ভিত্তিমূল রচিত হয় মুসলমানদের হাতেই। ইসলামের প্রথম যুগ হতেই বিভিন্নস্থানে ছোট ছোট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হতে থাকে। তবে, উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিক(عبد الملك بن مروان‎;৬৮৫-৭০৫) সর্বপ্রথম বিপুল অর্থব্যয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দামেস্কে একটি বিশাল হাসপাতাল(দারুস্‌ শেফা- আরোগ্য নিকেতন) প্রতিষ্ঠা করেন। তৎকালীন প্রথিতযশা চিকিৎসকেরা এখানে নিয়োগলাভ করেন। রোগের শ্রেনীবিভাগ অনুযায়ী এখানে বিভিন্ন বিভাগ ছিল যার জন্য আলাদা বিশেষজ্ঞদেরও নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। এর পরেই বাগদাদ, কর্দোবা, কায়রো সহ বিভিন্ন শহরে বড় বড় হাসপাতাল প্রতিষ্ঠীত হতে থাকে। এতে সরকারী-বেসরকারী উভয় প্রকার পৃষ্ঠপোষকতাই ছিল এবং এ সবই ছিল দাতব্য চিকিৎসালয়। বলা হয়ে থাকে, উৎকর্ষের যুগে এক কর্দোবা নগরীতেই ৫০০ শতাধিক চিকিৎসাকেন্দ্র ছিল। আরেকটি হাসপাতালের কথা বলেই এ আলোচনা শেষ করতে চাই। আর সেটি হলো, সুলতান নুরুদ্দীন জঙ্গী হাসপাতাল। দ্বাদশ শতকের শ্রেষ্ঠতম এই চিকিৎসাকেন্দ্রে সমকালীন বিশ্বের তাবৎ বড় বড় চিকিৎসাবিজ্ঞানী জড়ো হয়ে ছিলেন। চিকিৎসকেরা প্রতদিন সকালে প্রতটি রোগীর খোঁজ খবর নিতেন, রোগের অবস্থা যাচাই করতেন, রোগীর সাথে থাকা চার্ট দেখে ব্যবস্থাপত্র দিতেন। এ সময় তাঁদের সাথে সেবক এবং শিক্ষানবীশদের এক বিরাট দল উপস্থিত থাকত। এরপরে তাঁরা মূল হলরুমে এসে চিকিৎসাশাস্ত্রের নানান বইপত্র ঘেঁটে নোট নিতেন এবং তা নিয়ে শিক্ষানবীশ চিকিৎসকদের সাথে জটিল রোগ নিয়ে আলোচনা হোত। মনে হচ্ছে না, আজকের দিনের একটি আধুনিক চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ের(Medical College) গল্প শুনছেন? হ্যাঁ তাই, রোগীর সম্যক অবস্থা হাতে কলমে অধ্যয়নের মাধ্যমে চিকিৎসাবিজ্ঞানে জ্ঞানার্জনের জন্য এখানে প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়টিই আজকের চিকিৎসাশাস্ত্রে অধ্যয়নের মূল রূপকার।

নুরুদ্দীন জঙ্গী হাসপাতালের কম্পাউন্ড; এখন মিউজিয়াম

সংক্ষেপে এই ছিল, চিকিৎসাবিজ্ঞানে মুসলমানদের অবদানের একটি চিত্র। এবার আমরা অন্যান্য বিষয়ে মুসলমানদের অবদান নিয়ে কথা বলব। এক্ষেত্রে প্রথমেই রসায়নবিজ্ঞানের কথা এসে যায়। কেননা, মুসলমানদের চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাথে রসায়নের চর্চা ওতোপ্রোতভাবে জড়িত।

ইতিহাসের দিকে যদি তাকাই তবে দেখি যে, প্রায় চার হাজার বছর আগে থেকে মিসরে রসায়নচর্চা শুরু হয়, যদিও সেটা বিজ্ঞানের একটি আলাদা শাখা না হয়ে বরং অনেকগুলো শাখার সমন্বিত আলোচনা হিসেবে চালু থাকে, যা আলকেমী নামে পরিচিত। বিজ্ঞানের ইতিহাসে আলকেমি (আরবী: الكيمياء, আল-কিমিয়া) দ্বারা একটি প্রাচীনকালে প্রকৃতির এক ধরণের অনুসন্ধান এবং জ্ঞানের দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক একটি শাখাকে বোঝায় যাতে জ্ঞানের সকল শাখার সকল উপাদানের সম্মিলনের মাধ্যমে একটিমাত্র উচ্চতর মহান শক্তির অস্তিত্বের ধারণা করা হতো। অর্থাৎ রসায়ন, ধাতুবিদ্যা, পদার্থবিজ্ঞান, চিকিৎসাবিজ্ঞান, জ্যোতিষ শাস্ত্র, সেমিওটিক্‌স, মরমিবাদ, আধ্যাত্মবাদ এবং শিল্পকলা এই সকল শাখার সকল উপাদান যে একক উচ্চতর শক্তির অংশ হিসেবে বিদ্যমান রয়েছে তার বিজ্ঞানই হল আলকেমি। মেসোপটেমিয়া, প্রাচীন মিশর, পারস্য, ভারত, চীন, প্রাচীন গ্রীস, রোম, মুসলিম সভ্যতা এবং সবশেষে ইউরোপে এই আলকেমির চর্চা হয়েছে। এ হিসেবে উনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত প্রায় ২৫০০ বছর ধরে আলকেমির চর্চা অব্যাহত ছিল। এর জন্য গঠিত হয়েছিল জটিল সব স্কুল ও দার্শনিক ধারা।

গ্রীক কিমিয়া(Χημία) শব্দের অর্থ ধাতু রূপান্তরের কলা(art of transmuting metals)। আজকের কেমিস্ট্রি(Chemistry) শব্দটি আরবী আল-কিমিয়া হতেই এসেছে। যাই হোক, সপ্তম শতকের মাঝামাঝি মিশর মুসলমানদের অধিকারে এলে মুসলমানেরা এর সাথে পরিচিত হয়। মুয়াবিয়া(রা) এর পৌত্র খালিদ ইবন্‌ ইয়াজিদ প্রথম এ সংক্রান্ত গ্রন্থ আরবীতে অনুবাদ করে এ নিয়ে জ্ঞান সাধনার সূচনা করেন। তবে, রসায়ন নিয়ে মুসলমানদের আগ্রহের মূলে শুধু আলকেমিই ছিল না। চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যবহৃত বিভিন্ন ঔষধের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এবং অব্যাহত যুদ্ধ-বিগ্রহ ও সমস্ত সম্রাজ্যে অভিন্ন মূদ্রা প্রচলন জনিত কারনে উদ্ভূত ধাতববিজ্ঞানের আলোচনাও তাঁদের রসায়ন অধ্যয়নের দিকে ঠেলে দেয়। এক্ষেত্রে চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রয়োজনটাই বেশী ছিল বলে মনে হয়। কেননা, প্রায় সকল বড় বড় চিকিৎসাবিজ্ঞানীই রসায়নে অবদান রেখেছেন বলে পাওয়া যায়।

জাবির ইবন্‌ হাইয়ানের কাল্পনিক চিত্র

এক্ষেত্রে প্রথমেই আসে ইমাম জাফর ইবন্‌ মুহাম্মাদ আস-সাদিক(جعفر بن محمد الصادق‎;৭০২-৭৬৫) এর নাম। তিনি জাবির ইবন্‌ হাইয়ানের শিক্ষক ছিলেন। হ্যাঁ, আবু মুসা জাবির ইবন্‌ হাইয়ান আল-আযদী(جابر بن حيان‎; ৭২১-৮১৫), যাঁর হাতে বিজ্ঞানের আলাদা শাখা হিসেবে রসায়নের পত্তন হয়েছিল। প্রাচীনকালের যোগসাধনা, কুসংস্কার থেকে বেরিয়ে এসে তিনি রসায়নের ব্যবহারিক প্রক্রিয়ায় যে সকল নীতি গ্রহন করেছিলেন বিজ্ঞানের রীতির দিক থেকে তাতে তেমন কোন ত্রুটি ছিল না। পূর্বেকার প্রচলিত প্রক্রিয়াগুলোকে সংস্কার ও পরিমার্জনের সাথে সাথে তিনি স্বীয় আবিষ্কৃত প্রক্রিয়াগুলোকে সুসংবদ্ধ ও সুশৃংখলিত করে তোলেন। পাতন(Distillation), উর্ধ্বপাতন(Sublimation), পরিস্রাবন(Filteration), দ্রবন(Solution), কেলাসন(Crystallization), ভস্মীকরণ(Calcination), গলন(Melting) এবং বাষ্পীকরণের(Evaporation) মত প্রাথমিক রাসায়নিক প্রক্রিয়াগুলোর বিজ্ঞানসম্মত অনুশীলন তাঁর হাত দিয়েই শুরু হয়। এসব প্রক্রিয়ায় কি কি পরিবর্তন সাধিত হয় এবং সেখান হতে কিভাবে বিভিন্ন ফল পাওয়া যায় তা তিনি বিশদভাবে বর্ণনা করেছেন। চিকিৎসক পিতার অধীনে চিকিৎসাশাস্ত্রে অধ্যয়নের সুবাদে চিকিৎসা, গ্রীক বিজ্ঞান, সমরবিদ্যা, জ্যামিতি, জ্যোতির্বিদ্যা সহ নানা বিষয়ে আগ্রহী হয়ে উঠেন। এ সব বিষয়েই তাঁর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গ্রন্থ রচিত হয়েছে। এদের মধ্যে শুধু রসায়নের উপরেই ২৬৭টি গ্রন্থের কথা জানা যায়, যার মধ্যে ৩৫টি এখনো অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়। এদের মাঝে কিতাব ইল্‌মুস্‌ সানাতিল ইয়াহিয়া ওয়াল হিক্‌মাতিল ফালাসিফা(Book of Knowledge of the Divine Art and Philosophical wisdom), কিতাবুর রাহ্‌মাহ্‌(Book of Mercy), কিতাবুল জাহব(Book of Gold), কিতাবুল হাদীদ(Book of Iron), রিসালা ফিল কিমিয়া(Letters on Chemistry) প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। তিনিই প্রথম ধর্মের(characterstics) ভিত্তিতে ধাতু-অধাতুর(Metal-Non-metal) মাঝে পার্থক্য নির্ণয় করার চেষ্টা চালান। এভাবে, তিনি রসায়নে তাঁর পরবর্তী বিজ্ঞানীদের চলার পথ সহজ করে তোলেন। আর তাই, রসায়ন বিজ্ঞানের জনক(Father of Chemistry) হিসেবে তাঁকেই সম্মানিত করা হয়।

পরবর্তী সময়ে রসায়নে একের পর এক প্রথীতযশা বিজ্ঞানীদের আগমন ঘটতে থাকে। তবে সে সব থাকছে পরের পর্বে।

চলবে.....
ভূমিকা পর্ব
বিজ্ঞানের দর্শন
বিজ্ঞানের ইতিহাস
চিকিৎসাবিজ্ঞানে অবদান
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:২৫
৩০টি মন্তব্য ৩০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আহা প্রেম!

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৪০



ইনবক্সের প্রেমের আর কী বিশ্বাস বলো
এসব ধুচ্ছাই বলে উড়িয়ে দেই হরহামেশা
অথচ
সারাদিন ডেকে যাও প্রিয় প্রিয় বলে.....
একাকিত্বের পাল তুলে যে একলা নদীতে কাটো সাঁতার
সঙ্গী হতে ডাকো প্রাণখুলে।

এসব ছাইফাঁস আবেগী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রলিং, বাঙালি জাতি ও খাদ্যে ভেজাল।

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ১৯ শে জুন, ২০১৯ রাত ১০:১৬

ট্রলিং বিষয়টা আমার অসহ্য লাগে। এমন না যে আমার সেন্স অফ হিউমার নেই, বা খারাপ। কিন্তু বাঙালি ট্রলিংয়ের সীমা পরিসীমা সম্পর্কে কোনই ধারণা রাখে না। ফাজলামি করতে করতে আমরা এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কাছাকাছি থেকেও চির-অচেনা

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৯ শে জুন, ২০১৯ রাত ১১:২৪



স্ত্রীর জন্য স্যান্ডেল কিনতে বের হয়েছি; আমি ট্রেনে যাবার পক্ষে ছিলাম, গাড়ীর পার্কিং পাওয়া মোটামুটি অসম্ভব ব্যাপার; আরো ২/১ যায়গায় যেতে হবে, শেষমেষ গাড়ী নিয়ে বের হতে হলো; রেসিডেন্সিয়েল... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাস্তায় পাওয়া ডায়েরী থেকে- ৯৮

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:২১


বাংলাদেশের জয় উদযাপন।

১। ভালো লেখক হতে হলে সর্বাগ্রে ভালো পাঠক হতে হবে। পাঠক হবার আগেই যদি সমালোচক হতে চাও, তবে তা হবে বোকামী। বিচারক হতে যেও না,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগে শিক্ষা তারপর সমালোচনা।

লিখেছেন মাহমুদুর রহমান, ২০ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৪১



পাঠকেরা সুন্দর সুন্দর মন্তব্য করবেন, ভালো না লাগলে চুপ করে কেটে পড়বেন, লেখার সমালোচনা করা যাবে না, লেখার উপর বিরূপ মন্তব্য করা যাবে না; তা'হলে, ব্লগ আপনার জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×