এক
অভিমানেরা চুপচাপ!
কখনো কিছু বলবে না, কক্ষনো না।
এখানেই চেপে বসে থাকবে অনন্তকাল....
অথচ তোমাকে বলবোও না কখনো তারা কেন এসেছিল!
অভিমানের কথা জানতে পারার অধিকারটা ফিরিয়ে নেয়া,
এটাই বুঝি সবচেয়ে ক্ষমাশীল শাস্তি!
অথবা কে জানে? হয়তো ক্ষমাহীন!
দুই
একদিন অনেকখানি অভিমান বুকে নিয়ে চলে যাবো,
আমার কবিতারাও সেরকম ভবিষ্যত্বানী দিয়েছে ।
কিন্তু দিনকে দিন কেনো যেন মনে হচ্ছে,
সেই 'একদিন' খুব দূরবর্তী নয়,
হতে পারে কাল,পরশু কিংবা এখন.…এই মুহুর্ত ।
যদি এই মুহুর্ত হয় তবে বিদায় জানিও প্রিয়তমা।
খুব বেশী ভালো থেকো,
আমি তো আবার ফিরেই আসবো,
হয়তোবা তোমার চোখের জল হয়ে,
কিংবা, মাঝরাতে তোমার দুঃস্বপ্ন হয়ে ।
তিন
মাঝে আমি বেঁচে থাকার কারন খুঁজি!
কেবল নিঃশ্বাস আর আহারের জন্য?
নাকি সঙ্গম আর প্রজন্ম বৃদ্ধির জন্য?
কেন এই বেঁচে থাকা?
অর্থ উপার্জনের নাকি খরচের জন্য?
কেন বেঁচে থাকে মানুষ? কি করতে?
স্কুলে কিংবা মদের দোকানে যেতে
বেঁচে থাকা যায়?
একজন কিংবা অনেকজন রমণীকে
'ভালোবাসি' বলার জন্য বেঁচে থাকা যায়?
'আসছি যেহেতু, থেকেই যাই' -এই সুত্রে?
নাকি শুধু বেঁচে থাকার জন্যই এই বেঁচে থাকা?
কে কষ্ট দিলো, কে হেসে কথা বললো,
এই খতিয়ান মিলাতে বেঁচে আছে সবাই!
কেউ পুনর্জন্মের কথা বললে, আমি হেসে দেই।
আচ্ছা, আরেকবার জন্ম নিয়ে তারা কি করবে?
আলু চাষ, না ডায়মন্ডের ব্যবসা?
না সিনেমার হিরোইনের সাথে ফষ্টিনষ্টি?
অকারণেই এই বেঁচে থাকার আয়োজন……মিথ্যা আয়োজন।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


