বিশ্বব্যাপী পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তি নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণায় চালিয়ে যাচ্ছেন। যথেষ্ট পরিবেশ বিপর্যয়ের পর পরিবেশ বাঁচাতে বিজ্ঞানীদের সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এ লক্ষ্যে তারা প্রাকৃতিক উপাদানকে নিরাপদ উৎস হিসেবে বেছে নিয়েছে। সুইডেনে এমনই সফল তৎপরতার খোঁজ পাওয়া গেছে। সেখানে প্রাকৃতিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়াতে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে সুইডিশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইনস্ট্রো। সমুদ্রের গভীর তলদেশে এ প্রযুক্তিকে বলা হচ্ছে ডিপ গ্রিন প্রযুক্তি।
সমুদ্রের গভীর তলদেশে দেখতে অনেকটা শিশুদের খেলনা ঘুড়ির আদলে এ প্রযুক্তি দ্বারা সুইডেনের বিজ্ঞানীরা তড়িৎ জলবিদ্যুৎ উৎপন্ন করেছে। এ প্রযুক্তিতে পাখার বিস্তার ৬৬ ফুট নীচে সমুদ্রের তলদেশে পৌঁছে যাবে। এতে সমুদ্রের জলপ্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে ১.৬ মিটার গতিতে ঘুড়িটি সঞ্চালিত হতে থাকে। সমুদ্রের পানিতে বায়ুর ঘনত্ব হিসেবে ৮০০ বার ছোট ধরনের টারবাইন ঘুড়ি চাকাগুলোকে ঘুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে। এর ফলে সমুদ্র তলদেশে একই বার এ চাকার ঘূর্ণায়নে বায়ু চাপের তুলনায় অধিক বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। এটি ৫০০ কিলোওয়াট উৎপাদন করতে পারবে। এতে প্রয়োজনে পানিপ্রবাহ শক্তিকে ৮০ ভাগ বাড়ানো যেতে পারে। আগামী বছরে আয়ারল্যান্ডের উত্তরগোলার্ধে ‘ডিপ গ্রিন’ এর প্রথম প্রজেক্ট চালু হবে। এই প্রযুক্তিকে বলা হচ্ছে ২০১০ এর অন্যতম আবিষ্কার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


